অশান্ত হয়ে উঠেছে নড়াইল আবারও উত্তেজিত জনতার পুলিশের ওপর হামলা

 
SSL Certificate for just $8.88 with Namecheap

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট অনুর্ধ্ব-১৭ ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে জনতার হামলায় থানার এস আই জয়নুল আবেদীন আহত হয়েছে। তাকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় কাশিপুর ইউপি সদস্য আব্দুল অহেদ শেখকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গতকাল শেখ রাসেল মিনি ষ্টেডিয়ামে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট অনুর্ধ্ব-১৭ ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। নড়াইলের কাশিপুর ইউনিয়ন পরিষদ ফুটবল একাদশ ও নড়াইলের নলদী ইউনিয়ন পরিষদ ফুটবল একাদশের মধ্যে অনুষ্ঠিত ফুটবল খেলায় একজন বদলী খেলোয়াড় কে মাঠে নামানোকে কেন্দ্র করে নড়াইলের কাশিপুর ইউনিয়ন সমর্থিত দর্শকরা প্রতিপক্ষ নড়াইলের নলদী ইউনিয়ন সমর্থিত দর্শকদের উপর হামলা চালায়।

আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায় জানান, এ সময় মঞ্চে থাকা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শিকদার আব্দুর হান্নান রুনু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুকুল কুমার মৈত্র, সহকারি কমিশনার (ভূমি) এম এম আরাফাত হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সমরেন বিশ্বাসসহ উপস্থিত অন্যান্য কর্মকর্তাদের ওপর কাশিপুর ইউপির লোকজন চড়াও হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের জন্য সহকারি কমিশনার (ভূমি) এম এম আরাফাত হোসেন উপস্থিত লোহাগড়া থানা পুলিশকে নির্দেশ দেন।

এ সময় নড়াইলের থানার একদল পুলিশ উভয় পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা কালে উত্তেজিত দর্শকদের হামলায় থানার এস আই জয়নুল আবেদীন আহত হয়। আহত এস আইকে খেলাকে কেন্দ্র করে নড়াইলের লোহাগড়া লোহাগড়ায় পুলিশ কর্মকর্তার ওপর হামলা, ইউপি সদস্য গ্রেফতার নড়াইলের লোহাগড়ায় বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট অনুর্ধ্ব-১৭ ফাইনাল খেলাকে কেন্দ্র করে জনতার হামলায় লোহাগড়া থানার এস আই জয়নুল আবেদীন আহত হয়েছে।

তাকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় নড়াইলের লোহাগড়া কাশিপুর ইউপি সদস্য আব্দুল অহেদ শেখকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গতকাল নড়াইলের লোহাগড়া শেখ রাসেল মিনি ষ্টেডিয়ামে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট অনুর্ধ্ব-১৭ ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। নড়াইলের লোহাগড়া কাশিপুর ইউনিয়ন পরিষদ ফুটবল একাদশ ও নড়াইলের নলদী ইউনিয়ন পরিষদ ফুটবল একাদশের মধ্যে অনুষ্ঠিত ফুটবল খেলায় একজন বদলী খেলোয়াড় কে মাঠে নামানোকে কেন্দ্র করে নড়াইলের লোহাগড়া কাশিপুর ইউনিয়ন সমর্থিত দর্শকরা প্রতিপক্ষ নড়াইলের নলদী ইউনিয়ন সমর্থিত দর্শকদের উপর হামলা চালায়।

এ সময় মঞ্চে থাকা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শিকদার আব্দুর হান্নান রুনু, লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুকুল কুমার মৈত্র, সহকারি কমিশনার (ভূমি) এম এম আরাফাত হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সমরেন বিশ্বাসসহ উপস্থিত অন্যান্য কর্মকর্তাদের ওপর কাশিপুর ইউপির লোকজন চড়াও হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের জন্য সহকারি কমিশনার (ভূমি) এম এম আরাফাত হোসেন উপস্থিত লোহাগড়া থানা পুলিশকে নির্দেশ দেন।

এ সময় লোহাগড়া থানার একদল পুলিশ উভয় পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা কালে উত্তেজিত দর্শকদের হামলায় থানার এস আই জয়নুল আবেদীন আহত হয়। আহত এস আইকে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতালে কর্তব্যরত ডাক্তার আবুল হাসনাত জানান,আহত এসআই জয়নুলকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জয়নুল আবেদীন বলেন, উত্তেজিত জনতার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করতেগেলে আমার উপর চেয়ার, লাটিশোঠা দিয়ে হামলা করা হয় ।

এ ঘটনায় পুলিশ কাশিপুর ইউপি সদস্য আব্দুল অহেদ শেখকে গ্রেফতার করে। লোহাগড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আমানুল্লাহ বারী জানান, খেলার মাঠে দু’পক্ষের সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে এস আই জয়নুল আবেদীন আহত হয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুকুল কুমার মৈত্র জানান, খেলা চলাকালে নলদী ইউনিয়ন একজন প্লেয়ারকে মাঠে নামায়। এ নিয়ে কাশিপুর ইউনিয়নের লোক জন আপত্তি করলে এ নিয়ে সংঘর্ষ বাধে। পরে পুলিশ পরিস্তিতি নিয়ন্ত্রন করে। লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতালে কর্তব্যরত ডাক্তার আবুল হাসনাত জানান,আহত এসআই জয়নুলকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জয়নুল আবেদীন বলেন, উত্তেজিত জনতার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করতেগেলে আমার উপর চেয়ার, লাটিশোঠা দিয়ে হামলা করা হয় ।

এ ঘটনায় পুলিশ কাশিপুর ইউপি সদস্য আব্দুল অহেদ শেখকে গ্রেফতার করে। লোহাগড়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আমানুল্লাহ বারী জানান, খেলার মাঠে দু’পক্ষের সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে এস আই জয়নুল আবেদীন আহত হয়েছে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুকুল কুমার মৈত্র জানান, খেলা চলাকালে নলদী ইউনিয়ন একজন প্লেয়ারকে মাঠে নামায়। এ নিয়ে কাশিপুর ইউনিয়নের লোক জন আপত্তি করলে এ নিয়ে সংঘর্ষ বাধে।

পরে পুলিশ পরিস্তিতি নিয়ন্ত্রন করে। এছারাও কাগজপত্রবিহীন মোটরসাইকেল ছেড়ে না দেয়ায় নড়াইলে ট্রাফিক পুলিশের ইন্সপেক্টর এর উপর সন্ত্রাসীদের হামলা। নড়াইল সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যানসহ গ্রেফতার-৩ সরকারি দায়িত্ব পালনকালে নড়াইলে ট্রাফিক পুলিশের ইন্সপেক্টর মনিরুজ্জামানকে লাঠি ঠাংগা দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে সন্ত্রাসীরা। এ সময় ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট শাহ জালাল, এটিএসআই জি এম সরোয়ার, এএসআই বাশিউরসহ এক কনষ্টেবলকে হামলাকারীরা আহত করে।

কাগজ পত্রবিহীন একটি মটরসাইকেল ছেড়ে না দেয়ার জের ধওে খোদ আইন-সৃংখলা বাহিনীর পুলিশের উপর এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ নড়াইল সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান তোফায়েল মাহমুদ তুফানসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আহত পুলিশ কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান জানান, পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় শহরের পুরাতন বাস টার্মিনাল এলাকায় মোটরসাইকেলসহ অন্যান্য যানবাহনের বৈধ কাগজপত্র পরীক্ষাকালে কাগজ পত্রবিহীন একটি মোটরসাইকেলসহ এক যুবককে আটক করে পুলিশ।

বিষয়টি ওই যুবক মোবাইল ফোনে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সদর নড়াইল উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা তোফায়েল মাহমুদ তুফানকে জানালে তুফানসহ তার লোকজন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পুলিশের সাথে ঔদ্ধত্বপূর্ণ আচরণ করেন। এক পর্যায়ে তোফায়েল মাহমুদ তুফানসহ তার লোকজন কাঠ দিয়ে ট্রাফিক পুলিশের ইন্সপেক্টর মনিরুজ্জামানকে বেধড়ক মারধর করে। এ সময় ট্রাফিক সার্জেন্ট শাহ জালাল, এটিএসআই সরোয়ার আলম, কনষ্টেবল নজরুল এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীদের হামলায় তারাও আহত হন।

হামলাকারীরা পুলিশ কর্মকর্তা মনিরুজ্জামানের মাথা ফাটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে ও দুই হাতে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। গুরুতর আহত পুলিশ কর্মকর্তা মনিরুজ্জামানকে নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যান্য আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: ইলিয়াস হোসেন (পিপিএম) জানান, এ ঘটনায় ৯জনের নাম উল্লেখ করে পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন পিপিএম (বার) বলেন, হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। আইনের উর্দ্ধে কেউ নয়। ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তোফায়েল মাহমুদ তোফানসহ ৩জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বাকী আসামিদের গ্রেফতারের জোর চেষ্টা চলছে। ডিবি পুলিশের এসআই ছৈয়দ জামারত আলী বলেন, নড়াইলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন পিপিএম (বার)’র নির্দেশে সহোযোগীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এদিকে সরকারি দায়িত্ব পালনকালে একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যদের পিটিয়ে জখম করার ঘটনায় পুলশ বিভাগে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, সরকারি দায়িত্ব পালনকালে অতর্কিত এ হামলাকে কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না।

খোদ আইন-শৃংখলা বাহিনীর কর্মকর্তাসহ সদস্যদের মারপিটের ঘটনার পর থেকে অনেক পুলিশ সদস্যই নিরাপত্তাহীনতা বোধ করছেন। পুলিশ সুপার আরো বলেন পুলিশের কাজে বাঁধা আসবেই। তাই বলে কেউ থেমে থাকলে চলবে না। সকলকে সব বাঁধা-বিপত্তি অতিক্রম করে অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যেতে হবে। এক্ষেত্রে কেউ যদি কোন সমস্যার সম্মুখীন হয় তবে তাকে সার্বিকভাবে সহায়তা করা হবে বলেও পুলিশ সুপার জানিয়েছেন ও মাদক, জঙ্গি ও সন্ত্রাস মুক্ত নড়াইল গড়ার আহ্বান জানিয়ে পুলিশ সুপার তাঁর বক্তব্য সমাপ্ত করেন।


SSL Certificate for just $8.88 with Namecheap

সময় নিউজ২৪.কম/এমএম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *