আজ ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস : সমাজের মহাকাশের মাঝে নীহারিকা হয়ে অবস্থান করছে শিক্ষক সমাজ

ডা.মুহাম্মাদ মাহতাব হোসাইন মাজেদ 
মঙ্গলবার  ৫ অক্টোবর “ বিশ্ব শিক্ষক দিবস ২০২১।১৯৯৪ সালে ইউনেস্কোর ২৬ তম অধিবেশনে গৃহীত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ইউনেস্কো মহাপরিচালক ড. ফ্রেডারিক এম মেয়রের যুগান্তকারী ঘোষনার মাধ্যমে ৫ অক্টোবর “ বিশ্ব শিক্ষক দিবস“ পালনের শুভ সূচনা করা হয়। এর পর থেকে ১৯৯৫ সালের  ৫ অক্টোবর থেকে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর ১০০টি  দেশেই যথাযোগ্য মর্যাদায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত হয়ে আসছে এটি সারা দেশ বিদেশে ‘শিক্ষক’ পেশাজীবিদের  জন্য সেরা সম্মান। পরবর্তী প্রজন্ম ও যাতে কার্যকরী ও যথাযথ মর্যাদার সঙ্গে এই দিনটি পালন করে সেটাও উদ্দেশ্য।দিবসটি  শিক্ষকদের অবদান স্মরণ করার জন্য পালন করা হয়।আর এডুকেশন ইন্টারন্যাশনাল’ হলো বেলজিয়ামভিত্তিক একটি শিক্ষাবিষয়ক সংস্থা।১৯৬৬ সালের সুপারিশটি ছিল প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে পাঠদানকারী শিক্ষকদের নিয়ে। কিন্তু ১৯৯৭ সালে উচ্চশিক্ষাপর্যায়ের শিক্ষকদের এই সুপারিশের আওতায় এনে এটিকে ‘শিক্ষকদের মর্যাদা সনদ’ হিসেবে বিবেচনায় আনা হয়। বিশ্ব  শিক্ষক দিবসে বিশ্বের সকল শিক্ষককে জানাই আন্তরিক শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা। একজন আদর্শ মানুষ গড়তে আদর্শ শিক্ষকের কোন বিকল্প নেই। আর শিক্ষকেরা মোমবাতির মতো নিজে পুড়ে অন্যকে শিক্ষার আলো দান করেন। শিক্ষা মানুষের দায়িত্ববোধকে জাগ্রত করে। তার অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে সজাগ, সবাক, সকর্ম করে তুলে মানুষের মধ্যে ঘুমন্ত মানবতাকে জাগত করে। আর পেশাগত দ্বায়িত্ববোধ, মেধা, প্রজ্ঞা ও জ্ঞান দক্ষতায় পরিপূর্ণ শিক্ষক হচ্ছে দেশ ও জাতির অনন্য মানব সম্পদ। আর প্রবাহের জন্য যাকিছু উত্তম, যা কিছু সত্য- তাই প্রগতিশীলতা। ‌তারই মিলনমেলার নব তারুণ্যের মধ্যমণিতে যারা আছেন তারা হলেন শিক্ষক। সমাজের মহাকাশের মাঝে নীহারিকা হয়ে অবস্থান করছে শিক্ষকসমাজ। যে নীহারিকা জন্ম দেয় হাজার হাজার নক্ষত্ররাজি, শিক্ষকদের অনাদি আলোক রশ্মির উৎস থেকে জন্ম হয় আগামীর সমাজ সচলতার একক গুলি। যাদের সমাহারে তৈরি হয় গোটা সমাজ, গোটা বিশ্ব।
আর ইউনেস্কো-আইএলও যে সুপারিশ গ্রহণ করে তাতে তিনটি বিষয় লক্ষণীয়। এগুলো হলো শিক্ষকের অধিকার, কর্তব্য ও মর্যাদা। এই তিনটি বিষয়ের মধ্যে রাষ্ট্র প্রদান করবে শিক্ষকের অধিকার ও মর্যাদা, সমাজ প্রদান করবে শিক্ষকের মর্যাদা আর শিক্ষকের কর্তব্য শিক্ষকরা নিজেরাই পালন করবেন।অ্যাকাডেমিক শিক্ষার জগতে শিক্ষকদের প্রধানতম কাজ হলো শ্রেণিভিত্তিক। শ্রেণীতে শিক্ষার্থী উপস্থিত থাকবে আর শিক্ষক পাঠ্যসূচি অনুযায়ী তাদের উদ্দেশে বক্তৃতা দেবেন। শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উভয়ে শিখন শিখানো কার্যক্রমে অংশ গ্রহণ করবে। শ্রেণিকার্যক্রম ছাড়াও শিক্ষার্থী মূল্যায়নের জন্য পরীক্ষা কার্যক্রম, উত্তরপত্র মূল্যায়ন, উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে আরো যুক্ত হবে বিষয়ভিত্তিক সেমিনার ও সিম্পোজিয়াম, এগুলো হলো শিক্ষকের কর্তব্য। তবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক পরিচালিত উচ্চশিক্ষা কার্যক্রমে বিশেষ করে বেসরকারি পর্যায়ে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে স্বল্পসংখ্যক উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাড়া সেমিনার-সিম্পোজিয়াম অনুপস্থিত। সেগুলোতে মানসম্পন্ন শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয় না। এ ছাড়া মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিকও উচ্চশিক্ষাপর্যায়ে বেসরকারি ক্ষেত্রে পূর্বে যে শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়েছে তা স্বজনপ্রীতি, রাজনৈতিক এবং উৎকোচ গ্রহণের মাধ্যমে হয়েছে বলে শিক্ষা প্রদানের ক্ষেত্রে এদের মধ্যে বিভক্তি রয়েছে। যারা শ্রেণিকার্যক্রমে আগ্রহী ছিলেন এবং দায়িত্বগুলো যথাযথভাবে পালন করে আসছেন তারা বিষয়ভিত্তিক জ্ঞানার্জন করতে পেরেছেন। ফলে পেশাগত জীবনে এরা অভিজ্ঞ। আরো দু’টি শ্রেণী এখানে রয়েছে। এর একটি হলো রাজনৈতিক শ্রেণী-যারা রাজনীতিকে বেশ গুরুত্ব দেন।
শ্রেণিকার্যক্রমে এরা থাকেন না, রাজনৈতিক কার্যক্রমে ব্যস্ত থাকেন, দল যখন সরকার গঠন করে তখন এরা মহাক্ষমতাধর। কেউ কিছু এদের বলতে পারে না। আর দল যখন বিরোধী দল হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তখন এদের অবস্থা সঙ্কটাপন্ন থাকে, তারা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করতে পারেন না।এই উভয় অবস্থায় তারা শ্রেণিকার্যক্রমের বাইরে অবস্থান করেন। ফলে দীর্ঘ চাকরিকাল অতিক্রম করলেও এরা অভিজ্ঞ হয়ে ওঠেন না- এদের বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান নিম্ন পর্যায়ের। এদের মধ্যে আরেক শ্রেণী রয়েছে যারা রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকেন কিন্তু রাজনীতি করেন না। এরাও শ্রেণিকার্যক্রমবিমুখ। এই উভয় শ্রেণীর শিক্ষক হলেন উইক টিচার্স। আরেক ধরনের শিক্ষক রয়েছেন যারা শিক্ষা বাণিজ্যের সাথে জড়িত। শ্রেণিকক্ষে দরদের সাথে পাঠ দান না করালেও ঘরোয়া পরিবেশে অর্থের বিনিময়ে এরা পাঠ দান করান। এদের বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান ভালো। কিন্তু তাদের কর্মটি অনৈতিক। এ ছাড়াও রয়েছেন গবেষক শিক্ষক, এদের দেখা মেলে উচ্চশিক্ষাপর্যায়ে। এদের সংখ্যা নেহায়েত কম হলেও শিক্ষক হিসেবে এরা উচ্চমানের। এদের অবস্থা শ্রেণিকার্যক্রমের সীমা পেরিয়ে যায়। শিক্ষা বেসরকারি পর্যায়ে থাকায় প্রকৃত অভিজ্ঞ শিক্ষকদের যথাযথ মূল্যায়ন করা যাচ্ছে না। তাই চাকরি জাতীয়করণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তা হলে দুর্বল শিক্ষক বাদ দেয়া যাবে। সমস্কেলে ও বেতনে এদের অন্য কোনো সেক্টরে তৃতীয় শ্রেণীর পদে স্থানান্তর করা। এটি দায়িত্ব ও কর্তব্যে অবহেলার ফলে করতে হবে। উল্লেখ্য, রাজনীতির সাথে জড়িত সব শিক্ষক উইক টিচার্স নন, তবে ব্যাপক অংশ তাই।★দেশ ভেদে শিক্ষক দিবসঃ-বিশ্বের ১০০টি দেশে শিক্ষক দিবস পালিত হয়ে থাকে। অনেক দেশে দিবসটি ভিন্ন ভিন্ন তারিখে পালিত হয়। যেমন: ভারতে শিক্ষক দিবস পালিত হয় ৫ সেপ্টেম্বর। অস্ট্রেলিয়ায় অক্টোবর মাসের শেষ শুক্রবার শিক্ষক দিবস হিসেবে পালিত হয়। শেষ শুক্রবার যদি ৩১ অক্টোবর হয়, তা হলে ৭ নভেম্বর শিক্ষক দিবস পালিত হয়। ভুটান শিক্ষক দিবস পালন করে ২ মে, ইন্দোনেশিয়া ২৫ নভেম্বর, মালয়েশিয়া ১৬ মে, ইরান ২ মে, ইরাক ১ মার্চ, আর্জেন্টিনা ১১ সেপ্টেম্বর, ব্রাজিল ১৫ অক্টোবর, চীন ১০ সেপ্টেম্বর, তাইওয়ান ২৮ সেপ্টেম্বর, থাইল্যান্ড ১৬ জানুয়ারি, সিঙ্গাপুর সেপ্টেম্বরের প্রথম শুক্রবার দিনটি পালন করে।
★ইসলামের দৃষ্টিতে শিক্ষকদের মর্যাদাঃ-
 ইসলাম মানুষকে জ্ঞানের পথে চলতে বলে, জ্ঞানচর্চাকে উৎসাহিত করে। জাহেলি আরবে শিক্ষিত লোক ছিল মাত্র ১৭ জন। তৎকালীন সমাজ ঘোর অন্ধকারে নিমজ্জিত হওয়ার এটাও একটা কারণ ছিল। মহান আল্লাহ সে অন্ধকার সমাজে সর্বপ্রথম নির্দেশ দিলেন, ‘পড়ো তোমার প্রভুর নামে—যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন … তিনি মানুষকে শিখিয়েছেন, যা সে জানত না।’ (সুরা : আলাক, আয়াত : ১-৫)এ আয়াত থেকেই মুসলিম সমাজে জ্ঞানচর্চা ও তার সঙ্গে সম্পৃক্ত মানুষের মর্যাদা ও অবস্থান সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। ইসলাম শিক্ষকসহ জ্ঞানচর্চা ও প্রসারের সঙ্গে যুক্ত সবাইকে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘যারা জানে আর যারা জানে না তারা কি সমান হতে পারে?’ (সুরা : জুমার, আয়াত : ৯)অন্য আয়াতে ইরশাদ হয়েছে, ‘যাকে জ্ঞান দান করা হয়েছে তাকে প্রভূত কল্যাণ দান করা হয়েছে।’ (সুরা : বাকারা, আয়াত : ২৬৯)শিক্ষকদের মর্যাদা সাহাবায়ে কেরামের মধ্যে ছিল ব্যাপক সমাদৃত।হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করনে, ‘তোমরা জ্ঞান অর্জন কর এবং জ্ঞান অর্জনের জন্য আদব শিষ্টাচার শিখ। তাকে সম্মান কর; যার থেকে তোমরা জ্ঞান অর্জন কর।’সুতরাং যার থেকে জ্ঞান অর্জন করা হয় তিনিই আমাদের শিক্ষক। শিক্ষকের মর্যাদায় ইসলামের বক্তব্য ও সংক্ষিপ্ত একটি নমুনা তুলে ধরা হলো-‘একবার হজরত জায়েদ ইবনে সাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহু তার সওয়ারিতে ওঠার জন্য রেকাবে পা রাখলেন। তখন ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু রেকাবটি শক্ত করে ধরেন।হজরত জায়েদ ইবনে সাবিত বললেন, ‘ হে আল্লাহর রাসুলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চাচাতো ভাই! আপনি (রেকাব থেকে) হাত সরান।উত্তরে ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, ‘ না’, আলেম ও বড়দের সঙ্গে এমন সম্মানসূচক আচরণই করতে হয়।’জ্ঞানই মানুষের যথার্থ শক্তি ও মুক্তির পথনির্দেশ দিতে পারে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজেই বলেছেন-‘আমাকে শিক্ষক হিসেবে প্রেরণ করা হয়েছে বা আমি শিক্ষকরূপে প্রেরিত হয়েছি।
’প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শিক্ষা, শিক্ষা উপকরণ, শিক্ষক ও শিক্ষার ব্যাপকীকরণে সদা সচেষ্ট ছিলেন। তাইতো প্রিয়নবি বদরের যুদ্ধবন্দিদেরকে মুক্তির জন্য মদিনার শিশুদের শিক্ষা দেয়ার চুক্তি করেছিলেন। যার মাধ্যমে তিনি বন্দিদের মুক্তির ব্যবস্থা করেছিলেন, যা বিশ্বের ইতিহাসে বিরল।হজরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, একদিন জনৈক বয়স্ক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর দরবারে হাজির হলে উপস্থিত সাহাবায়েকেরাম নিজ স্থান থেকে সরে তাকে জায়গা করে দেন।তখন তিনি ইরশাদ করেন, ‘যারা ছোটদের স্নেহ ও বড়দের সম্মান করে না, তারা আমাদের দলভুক্ত নয়।’ (তিরমিজি) আর ইসলামের দৃষ্টিতে শিক্ষকতা অতি সম্মানিত ও মহান পেশা। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য যে, সামাজিক দায়িত্ব ও মর্যাদার দিক থেকে শিক্ষকতার পেশা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও শিক্ষকতার মতো মহান পেশাকে আমাদের সমাজে তুচ্ছতাচ্ছিল্যের দৃষ্টিতে দেখা হয়।অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের কাছে শিক্ষকদের লাঞ্ছিত ও শারীরিকভাবে নিগৃহীত হতে দেখা যায়। যা অত্যন্ত ঘৃণ্য ও অমানবিক কাজ।আবার অনেক শিক্ষককে দেখা যায়, ‘শিক্ষকতার এ মহান পেশাকে কলংকিত করে নীতি নৈতিকতা বিবর্জিত কাজে জড়িয়ে পড়ে; এটাও অত্যন্ত ঘৃণিত ও বর্জণীয় কাজ।অথচ প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘোষণা করেছেন-‘শিক্ষক ও শিক্ষার্থী ছাড়া কেউই আমার আপন নয়।’পরিশেষে.বিশ্ব শিক্ষক দিবসের অঙ্গীকার হোক; শিক্ষকের প্রতি যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা প্রদান। আসুন প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদিসের অনুসরণ করি। শিক্ষকদের কে যথাযথ মর্যাদা দিই। শিক্ষকের মর্যাদা রক্ষা করে দুনিয়া ও পরকালে আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জন করি। আল্লাহ আমাদের কবুল করুন। আমিন।
★পরিশেষে..বিশ্ব শিক্ষক দিবস শুধুমাত্র শিক্ষকদের ন্যায্য স্বার্থ সংরক্ষণের কথাই বলেনা, বরং আগামি প্রজন্মের মানসম্মত শিক্ষার কথা চিন্তা করে শিক্ষকতা পেশাকে আরো আকর্ষনীয় এবং শিক্ষকদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করনের কথাও বলে,আর শিক্ষাব্যবস্থার সামগ্রিক উন্নতির স্বার্থে ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্কের ভিত্তি মজবুত ও দৃঢ় হওয়া প্রয়োজন। পশ্চিমা দুনিয়ায় ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্কে আদব-কায়দার খুব একটা গুরুত্ব নেই। কিন্তু আমাদের দেশে আছে এবং তা থাকা অবশ্যই প্রয়োজন। এটি আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যেরই অংশ। এ ঐতিহ্য বজায় রাখতে হবে। ছাত্র-শিক্ষকের মধ্যকার স্নেহ-ভালোবাসা আর শ্রদ্ধা-সম্মানের যে পবিত্র সম্পর্কের ঐতিহ্যে আমরা বিশ্বাসী, তা রক্ষায় সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। কারণ এর ফলে কেবল ছাত্র-শিক্ষক নয়, সমগ্র জাতি উপকৃত হবে।আর শিক্ষকদের স্বাধীনতা ও ক্ষমতায়নের জন্য জাতীয় শিক্ষানীতির আলোকে সময়োপযোগী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করলে শিক্ষার মান উন্নয়ন ঘটবে।
লেখক, সম্পাদক ও প্রকাশক, দৈনিক স্বাস্থ্য তথ্য
প্রতিষ্ঠাতা,বাংলাদেশ রোগী কল্যাণ সোসাইটি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *