আদালতে মামলা করায় মোংলায় স্কুল শিক্ষীকাকে নির্যাতন

 

মোংলা প্রতিনিধি
মোংলায় কু-প্রস্তাব আর নির্যাতনের বিচারের আসায় আদালতে মামলা করার কারনে দ্বিতীবার নির্যাতনের স্বিকার হয়েছে মুক্তিযোদ্দা পরিবারের এক শিক্ষীকা। এসময় মেয়েকে বাচাতে গিয়ে তার মা ও বড় বোন আহত হয়েছে।

গত ১৫ অক্টোবর দুপুরে উপজেলার চিলা ইউনিয়নের উত্তর হলদিবুনিয়া গ্রামে এঘটনা ঘটলেও সন্ত্রাসীদের হুমকির ভয়ে হাসপাতালের বেডে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে ওই শিক্ষীকা। এঘটনায় অভিযুক্তরা এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় থানায় অভিযোগ দিতে পারছেনা অসহায় এ পরিবারটি।
থানা পুলিশ বলছে, ঘটনা সোনার সাথে সাথে পুলিশ পাঠানো হয়েছে, জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় উভয়ের মধ্যে মারামারীর ঘটনা ঘটেছে তবে অভিযোগ না দেয়ায় কোন ব্যাবস্থা নিতে পারছেননা পুলিশ।

আহত স্কুল শিক্ষীকা প্রনতি মল্লিাক জানায়, এলাকার দীর্ঘদিন যাবত বিভিন্ন সময় কু-প্রস্তাবসহ নানা রকম হুমকি দিয়ে আসছিল এলাকার কিছু প্রভাবশালী বখাটে যুবক। এতে সে রাজী না হলে গত বছরের ৭ নভেম্বর দুপুরে রাস্তায় বের হলে ওই শিক্ষীকাকে রবিন, মারিয়া,সুচিত্রসহ বেশ কয়েকজন যুবক টেনে হেচড়ে তাদের বারান্দায় নিয়ে মারধর ও শ্লিতাহানী করে। এব্যাপারে আদালতের মাধ্যমে থানায় মামলাও হয়েছে।

এতে প্রতিনিয়ত আসামীদের ভয়ে ও হুমকির মধ্যে থাকতো ওই শিক্ষীকার পরিবারটি। গত ১৫ অক্টোবর দুপুরে স্কুল থেকে ওই শিক্ষীকা বাড়ীতে আসলে পথিমধ্যে দিলিপ, পিয়াস, দিপ্ত, জেম্ধসঢ়;স, এলডিস সহ ৮/১০ জনের একটি দল তার বাড়ীর সিমানায় বেড়ীগেট দেয় এবং তার পথরোধ করে। এতে সে বাধা দিলে যুবকরা স্কুল তার উপর ঝাপিয়ে পড়ে এবং মারধর ও শারিরীক লাঞ্চিত করে। রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্ ভার্তি করে।

এঘটনায় মুক্তিযোদ্ধা পরিবার মোংলা থানায় গেলেও প্রভাবশালীদের চাপের মুখে মামলা করতে পারেনী বলেও জানায় তারা। এব্যাপারে মোংলা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইকবাল বাহার চৌধুরী জানান, ১৫ অক্টোবর দুপুরে একটি মারামারীর ঘটনায় এক পক্ষ থানায় অভিযোগ দিয়েছে। তবে প্রনিতা মল্লিক গত বছরের ৭নভেম্বর থানায় একটি মামলা দয়ের করেন।

এ বিষয় আদালতে প্রতিবেদন দাকিল করা হয়েছে। তবে জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় ১৫ তারিখের ঘটনায় মিশনের পুরহিত ও এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিরা মিমাংশার চেষ্টা করছে।

সময় নিউজ২৪.কম/এমএম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *