একনজরে দেখেুন ডাকসুর গঠনতন্ত্র

অনলাইন ডেস্কঃ 

ডাকসুর গঠনতন্ত্রে বলা হয়েছে ডাকসু নির্বাচনের পর মাত্র এক বছর পর্যন্ত এই সংসদের কার্যকারিতা থাকবে। এক বছর পর যদি ডাকসু নির্বাচন না হয় তবে তিন মাস পর্যন্ত এর কার্যকারিতা থাকবে। এরপর আপনাআপনিই ডাকসু বাতিল হয়ে যাবে। আর কেবল নিয়মিত ছাত্ররাই ডাকসুর কর্মকর্তা কিংবা সদস্য হতে পারবে। যদি ডাকসুর কর্মকর্তা নির্বাচিত হওয়ার পর কারও ছাত্রত্ব শেষ হয়ে যায় তবে সঙ্গে সঙ্গে ডাকসু থেকে তার পদ বাতিল হয়ে যাবে। এই ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ পুনরায় ওই পদে নির্বাচন অনুষ্ঠানের উদ্যোগ নেবেন। এ ছাড়া গঠনতন্ত্রে উল্লেখ আছে-

১.      যে সকল শিক্ষার্থী প্রথম বর্ষ স্নাতক সম্মান শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে অনার্স/মাস্টার্স/এমফিল পর্যায়ে অধ্যয়নরত আছে এবং যারা বিভিন্ন আবাসিক হলে আবাসিক/অনাবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে সংযুক্ত রয়েছে এবং নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার তারিখে যাদের বয়স কোনোক্রমেই ৩০ বছরের অধিক হবে না, কেবলমাত্র তারাই ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে ভোটার হতে পারবে। সকল ভোটারই প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা রাখে।

২.     সান্ধ্যকালীন বিভিন্ন কোর্সে অধ্যয়নরত কোনো শিক্ষার্থী ভোটার হতে পারবে না।

৩.         সরকারি/বেসরকারি অথবা দেশে বা বিদেশের যে কোনো প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কোনো শিক্ষার্থী ভোটার হতে পারবে না।

৪.     অধিভুক্ত কলেজের কোনো শিক্ষার্থী ভোটার হতে পারবে না।

৫.      গঠনতন্ত্রের/প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট আবাসিক হলেই ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হবে।

৬.  সময়ের চাহিদা বিবেচনায় ডাকসু ও হল সংসদে কয়েকটি সম্পাদক ও সদস্য পদ সৃষ্টি করা হয়েছে।

সময়নিউজ২৪.কম/ এ এস আর

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *