এ গরু ক্রয় করলে পালসরার ফ্রী পাবেন

যশোর প্রতিনিধিঃ

পবিত্র ঈদুল আযহার আর বেশিদিন বাকী নেই। এই ঈদকে সামনে রেখে ইতোমধ্যেই গরু মোটা তাজাকরণে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন খামারীরা। দেশি ও প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজা করছেন তারা। কেউ কেউ আবার শখের বশে ষাড় লালন পালন করছেন।
যশোরের মণিরামপুরের ইত্যা গ্রামের গরু ব্যবসায়ী ইয়াহিয়া মোল্লা। মূলত তিনি গরু ব্যবসায়ী হলেও শখের বসে একটি করে ষাঁড় পোষেন তিনি।


গত তিন বছর ধরে একটি ষাড় পোষছেন। নাম দিয়েছেন ‘পালসার বাবু’। তার স্ত্রী মনোয়ারা বেগম সব সময় সন্তানের মতো ষাঁড়টিকে আগলে রেখেছেন। বাড়ির সবাই পালসার বাবু নামেই ষাড়টিকে ডাকে। ইয়াহিয়া মোল্লা স্থির করেছেন এবারের কোরবানিতে পালসার বাবুকে বিক্রি করে দিবেন। ক্রেতাকে গরুর সাথে পালসার উপহার দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি। পালসার বাবুর দাম চাইছেন ১২ লাখ টাকা।


গরুর দাম ১২ লাখ টাকা, লোকমুখে এমন কথা শুনে পালসার বাবুকে দেখতে ইয়াহিয়ার বাড়িতে পড়ছে উৎসুক জনতার ভিড় জমেছে।


খুলনা, শার্শা, ঝিনাইদহ, যশোরসহ উপজেলার দূর-দূরান্ত থেকে শতশত নারী, পুরুষ, শিশু, কিশোর-কিশোরী ভিড় জমাচ্ছেন। অনেকে মোবাইলে ধারণ করছেন ষাঁড়টির ছবি।
ইয়াহিয়া মোল্লার স্ত্রী মনোয়ারা বেগম বলেন, রোজার ঈদের পর থেকে ষাঁড় দেখতে বাড়িতে লোকজন আসা শুরু করেছে। গত দশ দিন ধরে মানুষের ভিড় বেড়েছে।


ইয়াহিয়া মোল্লা বলেন, ১৯৯৬ সাল থেকে একটা করে বড়ান জাতের (শংকর) গরু পুষে আসছি। ৪৫ হাজার টাকায় তিন বছর আগে ‘হলেস্টিয়ান’ জাতের এই ষাঁড় কেনা। শখ করে ওর নাম দিছি পালসার বাবুু। গত বছর সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা দাম হইল। বিক্রি করিনি। ২০ মণ ওজনের ষাঁড়টির দাম এবার চাচ্ছি ১২ লাখ টাকা। ওই দামে গরু বিক্রি করতে পারলে ক্রেতাকে খুশি হয়ে পালসার মোটরসাইকেল উপহার দেব।’


ইয়াহিয়া বলেন, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কোনো পরামর্শ ছাড়াই গরুটা আমি পুষছি। ছয় কাঠা জমিতে ঘাস লাগানো আছে। সেই ঘাস আর খৈল ও ভুসি খাওয়াইয়ে গরু এত বড়ো করছি।
মণিরামপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আবুজার সিদ্দিকী বলেন, কাশিমনগর ইউনিয়নে একটা বড়ো ষাঁড় আছে শুনেছি। কিন্তু দেখিনি।

সময় নিউজ২৪.কম/এএসআর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *