করোনা ভাইরাস ইস্যু আন্তর্জাতিক রাজনীতির বৃহৎ গুরুত্বপূর্ণ অংশ

শিরোনামটি পড়ে অনেকেই হেসে ওঠার আগে, বিষয়টি না পড়ে অবজ্ঞা করাটাও ভুল হবে।আমি যতদূর জানেছি…..
চীনের রাজনীতি বেইজিংএ এই ভাইরাসটির আক্রমণ ঘটেনি।

অন্যদিকে চীনের অর্থনীতির রাজধানী খ্যাত, সাংহাই শহরেও এই করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব একেবারেই নেই।এশিয়ার চীন থেকে ভাইরাসের মহামারি হুট করেই ইউরোপের উন্নত রাষ্ট্রগুলোকে ঘিরে ধরে, শুধু তাই নয়, রাষ্ট্রের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, রাষ্ট্রপ্রধানরাও আক্রান্ত।

ইতালি, স্পেন,কানাডা সহ উন্নত দেশগুলোর কি অবস্থা আমরা জানি, তারপর মধ্যপ্রাচ্যের কিছু দেশে আক্রান্ত এবং মৃত্যুর সংবাদ উঠে আসে।সর্বশেষ আমেরিকায় করোনা ভাইরাসের আক্রান্তের সংখ্যা এবং মৃতের সংখ্যা ইতালিকেও ছাড়াবে এমনটাই ধারণা।
.
কেন বলেছি ‘করোনা, নামক একটি ভাইরাস আন্তর্জাতিক রাজনীতির সাথে জড়িত? আমেরিকা, চীনের রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক যে সাংঘর্ষিক সম্পর্ক সেটি বিশ্ব জানে। সেক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে আমেরিকা এবং চীনের বন্ধু রাষ্ট্রগুলোর দিকে একটু তাকান!
.
এবার করোনায় আক্রান্ত নাজুক অবস্থার দেশগুলোকে মিলিয়ে দেখুন!

একটি ভাইরাস যদি মহামারি আকার ধারণ করে তবে সেটি উৎপত্তিস্থল থেকে রাষ্ট্রটির পার্শ্ববর্তী অঞ্চল, সে থেকে পার্শ্ববর্তী দেশ এভাবে পাশাপাশি এক দেশ থেকে আরেক দেশে ছড়ানো যৌক্তিক।কিন্তু করোনা ভাইরাসের ক্ষেত্রে আমরা চীনের নিজ রাষ্ট্রের রাজনৈতিক,অর্থনৈতিক রাজনীতি শহরেই বিষয়টি ছড়ায়নি।

যেটির মহামারি ছড়িয়ে গিয়েছে এশিয়া থেকে ইউরোপ ও আমেরিকায়। অথচ, এশিয়ায় অনেক দেশে প্রাদুর্ভাব মেলেনি, তেমনটা আফ্রিকার ক্ষেত্রেও।
শেষ যে কথাটি—-

চীন ঘোষণা করেছিলো, ২০২১ সালের মধ্যে অর্থনীতি ও বিশ্বরাজনীতিতে আমেরিকাকে পেছনে ফেলে তারা শীর্ষে অবস্থান করবে।
যুক্তিগুলো কি কিছু ইঙ্গিত করছে?

 

লেখকঃ

হাসিব খান রাফি

ছাত্র,লেখক ও রাজনীতিবিদ 

সময়নিউজ২৪.কম/ বি এম এম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *