কে এই দুনীর্তির অভিযোগে অভিযুক্ত রতন কুমার সাহা? কী তার পরিচয়?

স্টাফ রিপোর্টার:
প্রফেসর রতন কুমার সাহা। ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ থেকে ১২ জুন ২০১৯ পর্যন্ত ১৬ মাস কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন। এ সময়ে বারবার তার বিরদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব বিষয়ের কোনটিতে সে আমলে নেননি। ২৪ জানুয়ারি ২০১৯ স্থানীয় পত্রিকা দৈনিক আমাদের কুমিল্লায় মসজিদের টাকা খেয়ে ফেলেছে ভিক্টোরিয়া কলেজ এ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করা হয়।২২ মে ২০১৯ স্থানীয়, জাতীয় ও ২০টির ও বেশী অনলাইন নিউজ পোর্টালে ছাত্রী হোষ্টেলের টাকার অনিয়ম নিয়ে তথ্য বহুল সংবাদ প্রকাশ করা হয়। যখন সাংবাদিকরা কলেজের সমস্যা ও টাকা পয়সার হিসাব নিয়ে প্রশ্ন করেছেন মিথ্যা বলে পাল্টা অভিযোগ করেছেন। তিনি ১৯৮৮ সালের ৩ ফেবুয়ারি ৭ম বিসিএস (০০০০২৩২০) এ শিক্ষা ক্যাডার হিসাবে যোগদান করেন। তার বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ছালিয়াকান্দি গ্রামে।

নাম প্রকাশ না করা শর্তে ভিক্টোরিয়া কলেজের একজন সহকারি অধ্যাপক জানিয়েছেন, তিনি কলেজে যোগদান করার পরপরই অধ্যক্ষ হওয়ার জন্য নানা টাল বাহানা শুরু করে দেয়। শিক্ষকদের পর্যন্ত তুই তুমি করে বলতো। এ জন্য যে অন্যকে সন্মান করে না, সে সন্মান পায় না। আমি এ কলেজের ছাত্র ছিলাম , এখন শিক্ষক হয়েছি। আমার স্যারদের আমি সহকর্মী হিসাবে পেয়েছি। তার মতো বেয়াদন শিক্ষক এ কলেজে আর আসেনি। ছাত্রী হলের সাথে অধ্যক্ষের বাস ভবন। এটা কেন? এটা নিয়েও ছাত্রীদের তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে।

কলেজের মসজিদের টাকা ও ছাত্রী হোষ্টেলের টাকা নয়, ছয় হওয়ার পর কলেজ ম্যাগাজিন ক্যাম্পাস বার্তার ইফতার মাহফিলে সমাজ বিজ্ঞানের সহযোগী অধ্যাপক তপন ভট্টাচায্য মন্তব্য করেছেন, ২০০৩ সালে এ কলেজে যোগদান করেছি। কত নিউজ দেখেছি হয়, কোন সমস্যা হয় না। এসব কথা বলে হলের প্রক্টোর নিলুপার সুলতানাকে বুঝানোর চেষ্টা করেন।

ছালিয়াকান্দি গ্রামের বাসিন্দা মিঠুন দাস জানান, আসলে ওনার সম্পর্কে তেমন কিছু জানি না। তার শুধু একটা মেয়ে আছে ছেলে নাই। ওনারা ইন্ডিয়া ও ঢাকার বাড়িতে থাকে। পূজার সময় ও বাড়ি আসে না। তার পরিবারের কেউ মুক্তিযোদ্ধা কিনা? এমন প্রশ্নে মিঠুন জানান, থাকতে পারে। শুনেছি তার ভাই একজন মারা গেছে সংগ্রামের সময়। আমরা তো দেখিনি।

এ বিষয়ে মোবাইলে (০১৭১১৫৮০৯০১ ) নম্বরে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, যারা আমার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। তারা বিএনপি জামাতের লোক। আমি কলেজে উপাধ্যক্ষ থাকা কালিন লক্ষ করেছি কলেজে জামাত-শিবির ডুকে আছে। আমি এ কলেজ জামাত-শিবির মুক্ত করলাম। শিক্ষক পরিষদে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী লোকদের আনলাম। আজ আমার এ হাল । তাদের বিচার আল্লাহ করবে। আল্লাহ তো আছে একজন। আমি কোন প্রকার দূর্নীতি করিনি। আমি যখন কলেজে তখনও মসজিদের টাকা নিয়ে সাংবাদিকরা নিউজ করেছে, ছাত্রী হলের টাকা নিয়ে নিউজ করেছে। বিএনপি জামাত আগেও চক্রান্ত করেছে। এখন ও করছে। আমি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। আমার মামারা ও মুক্তিযোদ্ধা এটা জামাত শিবির মেনে নিতে পারেনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *