চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীক পেলেন লায়ন হারুনুর রশিদ

কাজী মোরশেদ আলম
চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীক পেলেন লায়ন হারুনুর রশিদ। গত বুধবার রাতে চাঁদপুর জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো. মাজেদুর রহমান খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ফরিদগঞ্জ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ইতিপূর্বে দলীয় মনোনয়ন পান এমএ হান্নান, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন নসু ও যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক কাজী রফিক। এঁরা দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর সাথে বিএনপির সাবেক এমপি লায়ন হারুনুর রশিদ দলীয় মনোনয়ন না পেলেও বিএনপির প্রার্থী হিসেবে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেন। কিন্তু ২ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র যাচাই- বাছাইকালে এমএ হান্নানের ঋণ খেলাপিজনিত সমস্যার সৃষ্টি হলে ২ ডিসেম্বর শেষ মুহূর্তে লায়ন হারুন দলীয় মনোনয়নের চিঠি জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে জমা দেন। তবে এর আগেই বাছাইতে লায়ন হারুনের মনোনয়ন তা বাতিল করেন রিটার্নিং অফিসার। পরে তিনি নির্বাচন কমিশনে আপিল করে সেখানেও মনোনয়ন ফিরে পেতে ব্যর্থ হন। পরবর্তীতে হাইকোর্টে আপিল করলে আদালত তার মনোনয়ন বৈধ বলে ঘোষণা করেন। একই সময়ে গত ১৭ ডিসেম্বর ঋণ খেলাপিজনিত কারণে বিএনপি প্রার্থী এমএ হান্নানের প্রার্থিতা স্থগিত হয়। পরে চেম্বার জজ আদালত ২৪ ডিসেম্বরেও এ আদেশ বহাল রাখেন। ফলে ফরিদগঞ্জ আসনে বিএনপি প্রার্থীশূন্য হয়ে পড়ে। এরই মধ্যে দলীয় মনোনয়ন পাওয়া রিয়াজ উদ্দিন নসু, কাজী রফিক এবং সর্বশেষ লায়ন হারুনুর রশিদ ধানের শীষের জন্যে চেষ্টা-তদবির ও আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেন। শেষ পর্যন্ত গত বুধবার প্রথমে দলীয়ভাবে প্রতীক বরাদ্দ নিয়ে আদালতের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দের জন্যে আবেদন করেন লায়ন হারুনুর রশিদ। পরে নির্বাচন কমিশন লায়ন হারুনের আবেদন গ্রহণ করেন।য় কমিটির দপ্তর সম্পাদক কাজী রফিক। এঁরা দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর সাথে বিএনপির সাবেক এমপি লায়ন হারুনুর রশিদ দলীয় মনোনয়ন না পেলেও বিএনপির প্রার্থী হিসেবে তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেন। কিন্তু ২ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র যাচাই- বাছাইকালে এমএ হান্নানের ঋণ খেলাপিজনিত সমস্যার সৃষ্টি হলে ২ ডিসেম্বর শেষ মুহূর্তে লায়ন হারুন দলীয় মনোনয়নের চিঠি জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে জমা দেন। তবে এর আগেই বাছাইতে লায়ন হারুনের মনোনয়ন তা বাতিল করেন রিটার্নিং অফিসার। পরে তিনি নির্বাচন কমিশনে আপিল করে সেখানেও মনোনয়ন ফিরে পেতে ব্যর্থ হন। পরবর্তীতে হাইকোর্টে আপিল করলে আদালত তার মনোনয়ন বৈধ বলে ঘোষণা করেন। একই সময়ে গত ১৭ ডিসেম্বর ঋণ খেলাপিজনিত কারণে বিএনপি প্রার্থী এমএ হান্নানের প্রার্থিতা স্থগিত হয়। পরে চেম্বার জজ আদালত ২৪ ডিসেম্বরেও এ আদেশ বহাল রাখেন। ফলে ফরিদগঞ্জ আসনে বিএনপি প্রার্থীশূন্য হয়ে পড়ে। এরই মধ্যে দলীয় মনোনয়ন পাওয়া রিয়াজ উদ্দিন নসু, কাজী রফিক এবং সর্বশেষ লায়ন হারুনুর রশিদ ধানের শীষের জন্যে চেষ্টা-তদবির ও আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেন। শেষ পর্যন্ত গত বুধবার প্রথমে দলীয়ভাবে প্রতীক বরাদ্দ নিয়ে আদালতের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দের জন্যে আবেদন করেন লায়ন হারুনুর রশিদ। পরে নির্বাচন কমিশন লায়ন হারুনের আবেদন গ্রহণ করেন।

সময়নিউজ২৪.কম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *