রোববার অনুষ্ঠানিক ভাবে বিষ্ণু মূর্তিটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের আঞ্চলিক পরিচালক ড. আতিউর রহমানের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

ড. আতাউর রহমান হাজার বছরের বিষ্ণু মূতি ময়নামতি জাদুঘরে সংরক্ষণ করলেন

আবু সুফিয়ান রাসেল:


চাঁদপুরের কচুয়া থেকে প্রাপ্ত কালো পাথরের বিশেষ মূর্তি ময়নামতি জাদুঘরে হস্তান্তর করেছে কচুয়া থানা পুলিশ। রোববার অনুষ্ঠানিক ভাবে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের আঞ্চলিক পরিচালক ড. আতিউর রহমানের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

অধিদপ্তরের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন আঞ্চলিক পরিচালক ড. মো. আতাউর রহমান, ময়নামতি জাদুঘরের কাস্টোডিয়ান মো. হাফিজুর রহমান, গবেষণা সহকারি মো. ওমর ফারুক, সার্ভেয়ার চাই থোয়াই মারমা, আলোকচিত্রকর জনাব মো. নুরুজ্জামান মিয়াসহ অনেকে

সূত্র জানায়, গত ২৫ মে কচুয়া থানার করইশ গ্রামের আবুল হাসেমের ছেলে ওলিউল্লাহ ও ওসমান মিয়া মাছ ধরতে গিয়ে একটি কূপে এ মূর্তির দেখতে পান। দু’ভাই সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে বিষয়টি অবগত করলে পুলিশ তা উদ্ধার করে থানায় সংরক্ষণ করেন। ২৮ জুলাই মূর্তিটি হস্তান্তর করা হয়।
হস্তান্তর অনুষ্ঠানে কচুয়া থানার পক্ষে প্রতিনিধি ছিলেন সার্কেল সহকারি পুলিশ সুপার মো. শেখ রাসেল, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ওয়ালী উল্লাহ অলি, ওসি (তদন্ত) মো. কামাল হোসেন ও উপ-পরিদর্শক মো. হুমায়ন কবির।

প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন আঞ্চলিক পরিচালক ড. মো. আতাউর রহমান, ময়নামতি জাদুঘরের কাস্টোডিয়ান মো. হাফিজুর রহমান, গবেষণা সহকারি মো. ওমর ফারুক, সার্ভেয়ার চাই থোয়াই মারমা, আলোকচিত্রকর জনাব মো. নুরুজ্জামান মিয়াসহ অনেকে ৷

মূতিটির দৈর্ঘ্য ৩৮ ইঞ্চি ও প্রস্থ ১৯ ইঞ্জি, যার ওজন ৮৪ কেজি

এ বিষয়ে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের আঞ্চলিক (চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগ) পরিচালক ড. মো. আতাউর রহমান বলেন, এটি কালো পাথরের একটি বিষ্ণু মূর্তি। যা এখন থেকে ময়নামতি জাদুঘরে সর্বসাধারনের দর্শনের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। বিষ্ণু মূতিটির দৈর্ঘ্য ৩৮ ইঞ্চি ও প্রস্থ ১৯ ইঞ্জি, যার ওজন ৮৪ কেজি। প্রাথমিক ভাবে আমরা এর বয়স হাজার বছর হবে বলে মনে করি। মহামূল্যবান এ সম্পদ প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের নিকট জমা দেওয়ার যুবক ওলিউল্লাহ ও ওসমানসহ কচুয়া থানা পুলিশের নিকট কৃতজ্ঞ।

সময় নিউজ২৪.কম/এএসআর/২৭-০৭

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *