দেবীকে খুশি করার জন্য পাঁঠাবলি মুখ্য বিষয় না

 
Your personal, business or professional blog website is just a click away!

উজ্জ্বল রায় নড়াইল জেলা প্রতিনিধিঃ

পাঁঠাবলি, পশুবলি বা জীব হত্যা মুখ্য বিষয় না, মুখ্য বিষয় হচ্ছে ধর্মান্ধতা, অন্ধবিশ্বাস, কুসংস্কার। আইন করে সতীদাহ প্রথা বন্ধ করতে হয়েছে কেন? এর কারণ ছিল ধর্মান্ধতা। প্রশ্ন হচ্ছে, দেবীকে খুশি করার জন্য কেন পশুবলি দিতে হবে? পশুবলি না দিলে দেবী কি অখুশি থাকেন? এক সময় এই দেবী মূর্তির সামনে রঘু ডাকাত, ভবানী ডাকাত, ঠগীবাজের দল ডাকাতি করে; নরবলি দিত। তাহলে দেবী এখন আর নরবলি না পেয়ে আমাদের অনিষ্ট করবে না তো? মনে বড় ভয় হয়। কিন্তু সেই বর্বর রঘু, ভবানীর দল এখন কোথায় গেল? দেবীকে খুশি করার জন্য নরবলি কারা দিবে? বিজ্ঞান, প্রগতি, সভ্যতার গুতা খেয়ে নরবলি থেকে এখন পশু বলি দিতে বাধ্য হচ্ছে প্রথা বিশ্বাসীরা।

কিন্তু তাদের সেই আদিম ববরতা সুপ্ত ভাবে এখনো রয়ে গেছে। কিন্তু একটাই ভরসা মানুষ দিনের পর দিন সভ্য হচ্ছে, আগের চেয়ে এ যুগের মানুষ আরো সভ্য। নিজে থেকে এরা সভ্য হতে না চাইলে আইন করে, পিটিয়ে সভ্য বানানো হবে এটা শুধু সময়ের অপেক্ষা মাত্র। আদিম কোন বর্বর প্রথা সভ্য জগতের মানুষ আর সহ্য করবে না।

মঙ্গলবার দিনে এই বস্তুগুলি দান করলে হনুমানজির আশীর্বাদে আপনার সমস্ত মনোকামনা পূরণ হবে। বজরংবলীর ভক্তরা তাদের উপর যেন বজরংবলীর কৃপা সর্বদা বজায় থাকে, যার কারনে বজরংবলীর পূজা-অর্চনা সবাই করে থাকে, যদি কোন ব্যক্তির উপর বজরংবলীর কৃপা দৃষ্টি বজায় থাকে তবে সেই ব্যক্তির উপর থেকে সমস্ত সংকট দূর হয়ে যায় এবং বিকৃত জীবন আনন্দময় ভাবে কাটাতে পারে, এছাড়াও বিভিন্ন শাস্ত্রে হনুমানজির কৃপা প্রাপ্ত করার জন্য বিভিন্ন উপায় সম্পর্কে বলা হয়েছে এবং এরই মধ্যে একটি হলো দান করা, হিন্দু ধর্মে দানের এক আলাদা মহত্ব আছে, এটা বলা হয় যে ব্যক্তি যত পরিমাণে দান করে তার অধিক পরিমাণ সে তার লাভ পায়।

কিন্তু সময় অগ্রগতির সাথে মানুষের মধ্যেও পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে, আজকালকার আধুনিক যুগে কেউই দান ধর্ম কে মহত্ব দেয় না, আজকালকার সময়ে হয়তো কেউই এই দান ধর্মকে মহত্ব দেয় না কিন্তু আপনি জেনে আশ্চর্য হবেন যে আপনি যে পরিমাণে দান করে থাকেন তার ফল আপনি ভবিষ্যতে অবশ্যই প্রাপ্ত করবেন। দান করার কোনও নির্দিষ্ট দিন হয় না, আপনি যে কোন দিনে দান করতে পারেন, কিন্তু মঙ্গলবার দিনে আপনি যদি বিশেষ কিছু জিনিসের দান করে থাকেন তবে বিশেষ কিছু জিনিস লাভ করতে পারবেন, মঙ্গলবার দিনটি কে মহাবলী হনুমানজীর দিন মানা হয় এবং এই দিনে দান করার এক বিশেষ মহত্ব আছে, যে সব ব্যক্তিরা ভালো কাজ করে থাকে এবং অন্যের সাহায্য করে থাকে তাদের প্রতি হনুমানজি সর্বদা খুশি থাকে।

এইজন্য পূজা পাঠের সাথে সাথে ব্যক্তি কে দান ধর্মের দিকে ও মহত্ব দেওয়া উচিত এর ফলে আপনার উপর হনুমানজির কৃপা দৃষ্টি সর্বদা বজায় থাকবে এবং আপনার জীবনে কখনো কোন সংকট আসবে না। আজকে আমরা আপনাকে বলব যে মঙ্গলবার দিনে কোন কোন জিনিসের দান করা শুভ মানা হয়েছে। মঙ্গলবার দিনে এই বস্তুগুলির দান করার ফলে হনুমানজির আশীর্বাদ প্রাপ্ত হবে।

তামা অথবা পিতলের জিনিসের দান করা:-যদি আপনি মঙ্গলবার দিনে তামা অথবা পিতলের কোন জিনিসের দান করে থাকেন তবে এটিকে খুবই শুভ মানা হয়েছে, যদি আপনি এই জিনিসগুলি কে কোন নির্ধন ব্যক্তিকে দান করে থাকেন অথবা কোন মন্দিরে দান করে থাকেন তবে এর ফলে আপনার জীবনে কখনো কোনোপ্রকার সংকট আসবে না।

ধন সম্পত্তি দান করা:-যদি আপনি মঙ্গলবার দিনে কিছু কিছু প্রযয়োজনীয় ব্যক্তি কে দানের রূপে টাকা পয়সা দান করে থাকেন তবে এর ফলে আপনার ধনসম্পত্তি বৃদ্ধি পাবে এটা মান্যতা আছে যে মঙ্গলবার দিনে ধন সম্পত্তি দান করার ফলে আপনার ধনসম্পত্তি আরোও বৃদ্ধি পায়। নারকেলের দান করা:-যদি আপনি মঙ্গলবার দিনে কোন হনুমান মন্দিরে গিয়ে নারকেলের দান করে থাকেন তবে এটি আপনার জন্য অত্যন্ত শুভ হতে পারে, এর জন্য আপনাকে আপনার নিকটে অবস্থিত হনুমান মন্দিরে গিয়ে মহাবলী হনুমানজিকে নারকেল অর্পণ করতে হবে।

কমলা বস্ত্র দান করা:-যদি আপনি মঙ্গলবার দিনে কমলা রঙের বস্ত্র দান করে থাকেন তবে এটি আপনার জন্য অত্যন্ত শুভ হতে পারে, যদি আপনি কোন নির্ধন ব্যক্তিকে কমলা রঙের বস্ত্র দান করে থাকেন তবে হনুমানজির কৃপা আপনার উপর বজায় থাকবে, কারণ হনুমানজির কমলা রঙের বস্ত্র খুবই প্রিয়।

আপনাকে লক্ষ্য রাখতে হবে যে যখন আপনি এই কমলা রঙের বস্ত্র কাউকে দান করবেন ঠিক তার আগে এই বস্ত্র হনুমানজির সামনে রেখে দিন, এবং আপনার মনোকামনা হনুমানজির কাছে বলুন এর ফলে হনুমানজি আপনার মনোকামনা অবশ্যই পূরণ করবে।

Your personal, business or professional blog website is just a click away!

সময় নিউজ২৪.কম/এমএম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *