নওগাঁয় উদ্ধারকৃত অজ্ঞাত নারীর মৃতদেহ সনাক্ত করে নিয়ে গেছেন স্বজনরা

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠনঃ
নওগাঁর নওহাটামোড় পুলিশ ফাঁড়ি থেকে মাত্র ৬/৭ শত গজ ব্যবধানে একটি নির্মানধীন ভবনের পাশে থেকে অজ্ঞাতনামা আনুমানিক (৩২) বছর বয়সী এক নারীর মৃতদেহ উদ্ধার করেন পুলিশ। অজ্ঞাত নারীর মৃতদেহ’র ছবি সহ সংবাদ প্রকাশের পর মিডিয়াতে প্রকাশিত ছবি দেখে নিহতের স্বজনরা গতকালই গভীররাতে নওহাটামোড় পুলিশ ফাঁড়িতে এসে মৃতদেহ দেখে সনাক্ত পূর্বক মৃতদেহ নিয়ে যান স্বজনরা। নিহত নারী হলেন, চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলা সদরের কেডিসি স্টেশনপাড়া গ্রামের আজাহার আলীর স্ত্রী নাসিমা বেগম (৩২)।
শত্যতা নিশ্চিত করে নওহাটামোড় পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ এস আই জিয়াউর রহমান জিয়া প্রতিবেদককে জানান, এক নারীর মৃতদেহ পড়ে থাকার খবর পেয়ে গতকাল সকাল সারে ১০ টারদিকে ঘটনাস্থলে পৌছে প্রাথমিক সুরতহাল রির্পোট অন্তে উদ্ধার পূর্বক বিকালে ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয় এবং ময়না তদন্ত শেষে অজ্ঞাত নারীটির মৃতদেহটি দাফনের পস্ততি নেওয়ার পূর্ব মহূর্তে নিহতের স্বজনরা ফোনে যোগাযোগ করে বলেন যে- নিহত নারীটি’র নাম নাসিমা। এরপর তারা রওনা দিয়ে রাত ১২ টারদিকে নওহাটামোড় পুলিশ ফাঁড়িতে পৌছে দেখার পর সনাক্ত পূর্বক মৃতদেহটি নিয়ে যান স্বজনরা।
নিহতের স্বামীর বরাত দিয়ে তিনি জানান, নাসিমা বেগম একজন মানসিক ভারসাম্যহীন রোগী ছিলেন। গত সোমবার নাসিমা বেগম তার ছোট ভাই মনিরুল এর বাসা নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার মুন্নিখোঁড় গ্রাম থেকে নিখোঁজ হোন। মৃতদেহ সনাক্ত ও বুঝে নেন নিহতের স্বামী আজাহার আলী। এসময় নিহত নাসিমার ছেলে মাসুদ রানা ( ২২) ও নাসিমা বেগমের বড় ভাই বাবুল আকতার সহ স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য- গতকাল ২৭ শে সেপ্টেম্বর সকাল সারে ১০ টারদিকে মহাদেবপুর থানাধীন নওহাটামোড় পুলিশ ফাঁড়ি এলাকার নওগাঁ-মহাদেবপুর সড়কের চৌমাশিয়া ( ধনজইলমোড়) নামক স্থানে একটি নির্মানধীন ভবনের নিচে পানিতে পড়ে থাকা অবস্থায় নাসিমা বেগম এর মৃতদেহ পুলিশ উদ্ধার করেন। উদ্ধারের পূর্বেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন, মহাদেবপুর ( সার্কেল) এএসপি আবু সালেহ মোঃ আশরাফুল ( আশরাফ) ও মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ ( ওসি তদন্ত) সিদ্দিকুর রহমান।
স্থানিয় সুত্র জানায়, মানসিক ভারসাম্যহীন ঐ নারীকে কয়েক দিন ধরে নওহাটামোড় বাজার এলাকায় ঘোরাফেরা করতে দেখাগেছে। নির্মানধীন ভবনের দ্বিতীয় তলায় নারীটিকে ধর্ষন করে হত্যার পর ভবনের ছাদ থেকে নিচে কাঁদাপানিতে ফেলে রেখে গেছে অজ্ঞাত দূর্বৃত্তরা বলেও ধারনা পোষন করছেন স্থানিয়রা।তবে ফাঁড়ি ইনচার্জ এস আই জিয়াউর রহমান জিয়া প্রতিবেদককে জানান, ময়না তদন্তের রির্পোট আসার পর মৃত্যুর সঠিক কারন জানাযাবে। এসময় প্রতিবেদকের প্রশ্নে তিনি জানান, নির্মানধীন ভবনের দ্বিতীয় তলার ছাদ থেকে নিহত নারীর জুতা, ৪ শত টাকা, একটি চশমা সহ কিছু আলামত উদ্ধার করা হয়েছে, এব্যাপারে ইউডি মামলা হয়েছে।
সময় নিউজ২৪.কম/এমএম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *