নওগাঁয় একটি ক্লিনিক থেকে যুবতীর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠনঃ
নওগাঁয় একটি বে-সরকারি ক্লিনিকের কক্ষ থেকে এক যুবতীর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। জেলার পত্নীতলা উপজেলায় বে-সরকারি ক্লিনিকের কক্ষে যুবতীর ঝুলন্ত মৃতদেহ থাকার খবর পেয়ে বুধবার সকাল সারে ৯ টারদিকে পত্নীতলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল ঐ ক্লিনিকে পৌছে আরিফা জান্নাত ওরফে মীম (২০) নামে ঐ যুবতীর মৃতদেহ উদ্ধার করেন থানা পুলিশ।
তবে, যুবতীর মৃত্যু ঘটনার পর থেকে ঐ ক্লিনিক কর্তৃপক্ষের কাউকে ক্লিনিকে পাওয়া যায়নি
আরিফা জান্নাত ওরফে মীম নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার মইশড় গ্রামের মিজানুর রহমানের মেয়ে, তিনি ঐ ক্লিনিকের রিসিপশন বিভাগে চাকরি করতেন বলে স্থানিয় সুত্রে জানাগেছে।
ক্লিনিকেই চাকুরিরত একজন যুবতী আরিফা জান্নাত ওরফে মীম এর কিভাবে মৃত্যু হলো, নাকি সে আত্নহত্যা করলো, কি কারনে আত্নহত্যা করলো, আর কেনই বা ঐ ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ ঘটনার পর গাঁ-ঢাকা দিলেন এমন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে জনমনে।
সত্যতা নিশ্চিত করে পত্নীতলা থানার ওসি শামসুল আলম শাহ জানান, রাতের কোনো এক সময় ক্লিনিকের একটি কক্ষে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন ওই যুবতী। বুধবার সকালে কক্ষের জানালা দিয়ে ঝুলন্ত মৃতদেহ দেখতে পেয়ে থানায় খবর দেওয়া হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে ঐ কক্ষের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিলো।
পরে সকাল ৯ টারদিকে ঐ কক্ষের জানালা ভেঙে ঘড়ে প্রবেশ করে সকাল সারে ৯ টারদিকে যুবতীর ঝুলন্ত মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
ময়নাতদন্তের রির্পোট আসার পর মৃত্যুর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে বলেও জানান ওসি।
তবে যুবতী যদি আত্নহত্যা করে থাকেন, ঐ যুবতী কেনই বা তার কর্মস্থল ক্লিনিকের কক্ষের রুমের ভেতর আত্নহত্যা করলেন এবং আত্নহত্যার অন্তরালের কারন কি সহ এমন নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে জনমনে। একই সাথে পর্কৃত ঘটনা উদর্ঘাটনের জন্য থানার ওসি সহ জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার মহোদয় ও অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার মহোদয় সাহেব এর আশুদুষ্টি কামনা করেছেন সচেতন মহল।
সময় নিউজ২৪.কম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *