নওগাঁয় গৃহবধূকে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণ চেষ্টা-যেভাবে জরীতদের আটক করলো পুলিশ.!

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠনঃ
নওগাঁয় ছাগল কেনার নামে এসে বাড়িতে ঢুকে এক গৃহবধূ (২০) কে হাত-পা ও মুখ বেঁধে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে তথ্য প্রযুক্তির সাহায্যে যেভাবে জড়ীত ২ জন আটক করলো পুলিশ। জেলার উর্দ্ধতন কর্মকর্তার দিকনির্দেশনায় দিন দুপুরে গৃহবধূ ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনাটিকে গুরুত্বসহকারে নিয়ে বদলগাছী থানা পুলিশ রবিবার ভোররাতে অভিযান চালিয়ে আসামীদের বাড়ি থেকে আটক করেছেন।
পুলিশের অভিযানে আটককৃত ২ জন আসামী হলেন, বগুড়া জেলার দুপচাঁচিয়া উপজেলার মোঃ মকবুল এর ছেলে শহিদুল ইসলাম ও মোঃ ইউসুফ আলীর ছেলে বিদ্যুৎ হোসেন বলে নিশ্চিত করেছেন বদলগাছী থানার ওসি।
উল্লেখ্য যে, গত শুক্রবার দুপুরে নওগাঁর বদলগাছী উপজেলায় দিন দুপুরে এ ঘটনাটি ঘটে।
ভ্যানচালক স্বামীর স্ত্রী ঐ গৃহবধূ বাড়িতে ছাগল লালন-পালন করতেন। প্রায় মাস দুয়েক আগে চার ব্যক্তি ঐ বাড়িতে এসে ছাগল কিনে নিয়ে যান। তাঁরা গৃহবধূকে একটি মুঠোফোনের নম্বর দেন। ওই মুঠোফোনের নম্বরটি বাড়ির মাটির দেয়ালে লিখে রাখেন তিনি। পরে কোন একদিন গৃহবধূর মুঠোফোন থেকে ভুলক্রমে ওই নম্বরে কল করেন। এরপর গৃহবধূকে মুঠোফোনে উত্ত্যক্ত করছিলেন তাঁরা। ঘটনার দিন গত শুক্রবার সকালে গৃহবধূর স্বামী ভ্যান নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর ঐ দুপুরে গৃহবধূ বাড়িতে একা ছিলেন। এ সময় দুই ব্যক্তি ছাগল কেনার নামে গৃহবধূর বাড়িতে আসেন এবং বাড়িতে ঢুকে তাঁরা গৃহবধূকে একা পেয়ে  ঘরের ভেতরে নিয়ে হাত-পা বেঁধে বিবস্ত্র করেন। এ সময় এক শিশু এ দৃশ্য দেখে বাইরে এসে জানালে ঘটনাটি পুলিশি সেবা পাওয়া নম্বর ৯৯৯ এ কল করে জানানো হলে থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছে গৃহবধূকে উদ্ধার করেন। সে সময় পুলিশ পৌছার পূর্বেই ধর্ষণ চেষ্টাকারীরা পালিয়ে যায়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বদলগাছি থানার ওসি (তদন্ত) রায়হান হোসেন প্রতিবেদককে জানান, ছাগল ক্রেতা সেজে বাড়িতে গিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টা করার  খবর পাওয়ার সাথে সাথেই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে  গৃহবধূকে উদ্ধার করেছেন। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের পর জেলা পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনায় তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে নিয়ে জড়ীত ২ জনকে প্রথমে সনাক্ত করা সহ অভিযান চালিয়ে জড়ীত ২ জন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে নওগাঁ জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
সময় নিউজ২৪.কম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *