নগরীতে মৌসুমি মাস্ক বিক্রেতা

স্টাফ রিপোর্টার:

করোনাভাইরাস আতঙ্কে বেড়েছে মাস্কের চাহিদা। একাধিক অভিযানের পরও কুমিল্লা নগরীতে অতিরিক্ত দামে মাস্ক বৃদ্ধি করতে দেখা গেছে। বেশী দাম পাওয়ার জন্য নগরীতে নেমেছে ভ্রাম্যমান  মৌসুমি মাস্ক বিক্রেতা। এছাড়াও বিভিন্ন কাপড় দোকান ও হকারদের কাছে মিলছে মাস্ক।

নগরীর কান্দিরপাড়ে কাপড়ের তৈরি মাস্ক ৩০-৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যার পূর্ব মূল্য ছিলো ১০ টাকা। এন-৯৫ মাস্ক ৪০-৫০ টাকা , যা আগে বিক্রি হতো ১৫-২০ টাকায়। বেশীর ভাগ ফার্মেসীতের নেই সার্জিকেল মাস্ক। সার্জিকেল মাস্ক পূর্বে ৩-৫ টাকা বিক্রি হলোও বর্তমানে ৩০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কান্দিরপাড় এলাকার ভ্রাম্যমান মাস্ক বিক্রেতা সজিব বলেন, এখন মাস্ক মানুষ বেশী কিনে তাই মাস্ক বিক্রি করি। আমরা পাইকারি কিনি চকবাজার থেকে। যারা কাপড়ের ব্যবসা করে, তার ঢাকা-নারায়নগঞ্জ থেকে মাস্ক আনেন। এখন পাইকার বাজারে দাম বেশী, এ জন্য খুচরা বাজারেও দাম বেশী।

ভোক্তা সংরক্ষণ অধিদপ্তর কুমিল্লা জেলা সহকারী পরিচালক মো. আছাদুল ইসলাম জানান, খুচরা ও পাইকার বিক্রেতা উভয়ে ক্রয় রশিদ সংরক্ষণ করতে হবে। যখন অভিযান হবে, যদি অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ উঠে বা মাঠ পর্যায়ে আমরা প্রমাণ পাই ক্রয় রশিদ দেখবো। যদি অতিরিক্ত দাম মনে হয়, আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. মুহাম্মদ নিয়াতুজ্জামান বলেন, কারোনাভাইরাস থেকে বাচাঁর জন্য অপ্রয়োজনে মাস্ক ব্যবহারের প্রয়োজন নেই। যারা হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন তারা শঙ্কা মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত শতর্ক থাকতে হবে। স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে যে সকল নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে তার প্রতি যত্নবান হতে হবে।

সময়নিউজ২৪.কম/বি এম এম 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *