নতুন অর্থমন্ত্রী; বাজেট যেমন হতে পারে

অনলাইন ডেস্ক: একাদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় ও ২০১৯ সালের বাজেট অধিবেশন আগামী ১১ জুন মঙ্গলবার বিকেল ৫টায় শুরু হবে।রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে গত ১৩ মে এ অধিবেশন আহবান করেছেন।

রিলিফের চাল নিয়ে ধানের শীষ কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ; আহত ১৫

এ অধিবেশনে আগামী ১৩ জুন বৃহস্পতিবার ২০১৯-’২০ অর্থবছরের বাজেট পেশ করার কথা রয়েছে। ইতোমধ্যে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বাজেট পেশের এ তারিখ ঘোষণা করেন। ফলে বাজেট অধিবেশন হিসাবে সংসদের তৃতীয় অধিবেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবারের মূল বাজেটের সম্ভাব্য আকার হতে পারে ৫ লাখ ২৩ হাজার ১৯০ কোটি টাকার কম-বেশি। যা জিডিপির ১৮ দশমিক ১ শতাংশ। দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসৃজন ও মানবসম্পদকে গুরুত্ব দিয়ে তৈরি হচ্ছে এবারের বাজেট। ২০২০ সালে পালিত হবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী। আর বাংলাদেশের স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর পূর্তি হবে ২০২১ সালে। এ কারণেই ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটটি হবে সবদিক দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বাঙালি জাতির এই বড় দু’টি অর্জন উপলক্ষে সরকারের নানা পরিকল্পনা ও প্রতিশ্রুতি থাকবে এই বাজেটে।
জানা গেছে, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ক্ষুধামুক্ত ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা গড়তে স্বাধীনতার ৫০ বছর পূতি উপলক্ষে দেশকে দারিদ্র্যমুক্ত করার ঘোষণা থাকবে এবারের বাজেটে। ২০২৫ সালের মধ্যে দেশের শতভাগ কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার। এটি করতে পারলে জাতীয় পর্যায়ে দারিদ্র্যের হার ১৬ শতাংশের নিচে নেমে আসবে বলে সরকার আশা করছে। অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতায়ও বিষয়টির ঘোষণা থাকছে। সে লক্ষ্যে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির বিস্তার প্রসার ঘটানোর পরিকল্পনা রয়েছে। বাড়বে এ কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা। বাড়বে দেশের সূর্যসন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতার পরিমাণও।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, প্রস্তাবিত বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ধরা হতে পারে ৮ শতাংশের বেশি। যদিও অর্থমন্ত্রী ইতোমধ্যেই ঘোষণা দিয়েছেন চলতি অর্থবছর শেষে জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৮ দশমিক ১৩ শতাংশ ছাড়িয়ে যাবে। আগামী অর্থবছর মূল্যস্ফীতির হার ৬ শতাংশের নিচে রাখার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার।
গুরুত্বের দিকে থেকে সরকার চলমান মেগা প্রকল্পগুলোয় বরাদ্দ কাড়ানো হবে। সবাধিক গুরুত্ব পাবে বিদ্যুৎ, সড়ক ও যোগাযোগ খাত। সড়ক ও যোগাযোগে নতুন কোনও প্রকল্প না নিয়ে কাজ করা হবে, চলমান প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজে নজর দেওয়া হবে। গ্রামকে শহর বানানোর নির্বচনি ইশতেহারের ঘোষণা বাস্তবায়নে এবারের বাজেটে বেশ গুরুত্ব পাবে ইন্টারনেটসুবিধা সংবলিত সংশ্লিষ্ট খাত।

সময়নিউজ২৪.কম/ এ এস আর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *