নদী দখল রোধে নদী ও খাল রক্ষায় কঠোরভাবে কাজ করছে সরকার- ড.মুজিবুর রহমান হাওলাদার

মোংলা প্রতিনিধি
জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ড.মুজিবুর রহমান হাওলাদার বলেছেন,দেশের নদ-নদীর দুষন, নদী দখল রোধে নদী ও খাল রক্ষায় কঠোরভাবে কাজ করছে সরকার।

দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চলের উপকুলীয় এলাকায় নদ রক্ষায় আমাদের সমুদ্র বন্দর ও ওয়াল্ড হেরিটেক্ধসঢ়;্র সুন্দরবনের কথা চিন্তা করতে হবে। বনের বনজ সম্পদ ও জীব বৈচিত্র রক্ষা এবং রামপালের তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কথা মাথায় রেখে এ অঞ্চলের নদীগুলো রক্ষা করতে মাঠে নেমেছে সরকারের প্রশাসনীক দল। তাই এখানকার নদীগুলো দলখ ও প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, সে জন্য এসকল নদী ও খালগুলো রক্ষায় মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে সহায়তা করতে আমাদের সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।

এসকল সমস্যা সমাধানে প্রশাসনের কার্যক্রমের পাশাপাশী মানুষের মধ্যে গনসচেতনাতা সৃষ্টি করতে হবে। যাতে মানুষ বুঝতে পারে সরকার জনগনের বন্ধু, সরকার দেশে ও মানুষের উন্নয়ন করছে। সুন্দরবনের মধ্যে প্রায় ৪৫০টি শাখা খাল রয়েছে, মানুষের অপব্যাহারের কারনে তা ধ্বংশ হচ্ছে এবং পলি পড়ে অধিকাংশ খাল ভরাট হয়ে যাচ্ছে।

এছাড়াও সমুদ্র বন্দরের সাথে সংশ্লিষ্ট মোংলা-রামপালে ঘশিয়াখালী সংলগ্ন ৮৩টি খাল ও তার শাখা খালগুলো এখনও পুন্ন খনন কাজ সম্পুর্ন হয়নী।সরকারের নিদের্শনা মোতাবেক পুরোন খতিয়ার অনুযায়ী খুব শীগ্রই তা দখল ও অবমুক্ত করা হবে। সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় মোংলা বন্দর এলাকায় নদী পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

নদী পরিদর্শন শেষে বন্দরের চেয়ারম্যানের সাথে তার সভা কক্ষে এক আলোচনাসভায় মিলিত হয়। এসময় জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান সরকারের সচিব ড.মুজিবুর রহমান হাওলাদার ছাড়াও জাতীয নদী রক্ষা কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য মোঃ আলাউদ্দিন, উপ-পরিচালক আখতারুজ্জামান তালুকদার, বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম মোজাম্মেল হক, বন্দর কর্তৃপক্ষ (সদস্য অর্থ) যুগ্ন-সচিব ইয়াসমিন আফসানা, পরিচালক প্রশাসন মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন, জেলা প্রশাসকের কার্যালযয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আজিজুল কবির, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রাহাত মান্নান, সহকারী কমিশনার ভূমি নয়ন কুমার রাজবংশীসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম মোজাম্মেল হক বলেন,পশুর নদী ও ঘশিয়াখালী চ্যানেলে ড্রেজিং এর মাধ্যমে খনন কাজ হয়েছে।কিছু কিছু জায়গায় এখনও খনন কাজ চলছে। মোংলা-রামপাল এলাকায় যতগুলো নদী ও খাল রয়েছে, এগুলো এ অঞ্চলের মানুষের জন্য একটি আশির্বাদ।

নদী খননের ফলে পানীর অববাহীকা বজায় থাকবে, একই সাথে পরিবেশ ও জীব বৈচিত্রও রক্ষা পাবে। তাই নদী ও খাল রক্ষায় মাষ্টার প্লানের মাধ্যমে দুষন ও দখল মুক্ত করে সকল নদী রক্ষা করবে সরকার বলে জানান তিনি।

সময় নিউজ২৪.কম/এমএম

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *