নার্স তানিয়াকে গণধর্ষণ ও হত্যার প্রতিবাদে কিশোরগঞ্জে ঈশাখাঁ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির মানববন্ধন

রাজিবুর হক সিদ্দিকী, কিশোরগঞ্জ:

নারীর প্রতি সহিংসতা রোধ ও কটিয়াদীর মেয়ে নার্স শাহিনুর আক্তার তানিয়া ধর্ষণ ও হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে মুখে কালো কাপড় বেঁধে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন ঈশা খাঁ ইন্টারন্যাশনাল
ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ এর শিক্ষার্থীরা। বুধবার (১৫ মে) বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত কিশোরগঞ্জ শহরের নীলগঞ্জ রোড এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের সড়কে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃসুলতান উদ্দিন ভূঞা, বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর অনিল চন্দ্র সাহা, কলা ও সামজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডীন প্রফেসর মোঃ আরজ আলী, লাইব্রেরী সাইন্স বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর নূরুল আমিন, সহকারী প্রক্টর ও ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক মাহবুবা অনন্যা, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের প্রভাষক নিবেদিতা দত্ত প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ সুলতান উদ্দিন ভূঞা বলেন,কিছুদিন আগেও ফেনীর সোনাগাজীর নুসরাত জাহান রাফি হত্যাকা-ের বিচারের দাবিতে আমরা মানববন্ধন করেছিলাম। নুসরাতের রক্ত শুকাতে না শুকাতেই আবারও কিশোরগঞ্জের তানিয়া ধর্ষণ হত্যাকান্ডের শিকার হলো। এটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক।

আমরা এসব ঘটনার পুনরাবৃত্তি চাই না। আমরা চাই সরকার এসব ঘটনায় জড়িত অপরাধীদের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিয়ে সমাজে উজ্জ্বল নজির সৃষ্টি করবেন।

মানববন্ধন কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ে কমর্রত সকল শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন।

উল্লেখ্য গত ০৬ মে সোমবার ঢাকা থেকে পিরিজপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা স্বর্ণলতা পরিবহনের চলন্ত বাসে গণধর্ষণের পর কটিয়াদীর মেয়ে ইবনে সিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স শাহিনুর আক্তার তানিয়া হত্যার প্রতিবাদে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এদিকে উল্লেখিত ঘটনায় বাসচালক নূরুজ্জামান নূরুর পর এবার আদালতে ১৬৪ ধারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে হেলপার লালন মিয়া (৩২)। গত মঙ্গলবার (১৪ মে) বিকালে কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আল-মামুন বাসের হেলপার লালন মিয়ার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

জবানবন্দি রেকর্ড শেষে সন্ধ্যায় হেলপার লালন মিয়াকে কিশোরগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাজিতপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সারোয়ার জাহান ১৬৪ ধারায় হেলপার লালন মিয়ার স্বীকারোক্তি দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সময়নিউজ২৪.কম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *