নেই মনে স্বস্তি হিলি সীমান্তের কামারপল্লীতে

মোসলেম উদ্দিন, হিলি (দিনাজপুর)।।
নেই কোন স্বস্তি দিনাজপুরের হিলি সীমান্তের কামারপল্লীসহ সাধারণ খুচরা ব্যবসায়ীদের মনে। কোরবানির পশুর চামড়া ছড়াতে ও মাংস কাটার দাঁ,বটি চাকু তৈরিতে কামারীরা ব্যস্ত হলেও কেনা-
বেচার প্রভাব নেই বাজারগুলোতে।

আর ক’দিন পরেই মুসলমানদের পবিত্র ঈদুল-আযহা এই জন্যই মজুদ করার কথা দাঁ,বটি চাকু
কুরবানির সরঞ্জাম।বাজারে এসব সরঞ্জাম কেনার ক্রেতা অনেকটায় কম।রোজার ঈদে মুসলমানেরা ব্যস্ত থাকতো পরিবার-পরিজনদের জন্য সুন্দর সুন্দর জামা-কাপড় কিনবার।

কিন্তু কোরবানি ঈদে পোষক কেনা-কাটা প্রভাবটা অনেকটাই কম।এই ঈদে সুন্দর-সুস্থ্য,সবল একটি কোরবানির পশু কেনা নিয়েই ব্যস্ত সবাই।অন্য ঈদে কাপড়ের ছোট-বড় দোকানে লোক-জনের ভির চোখে পড়ে।কিন্তু চোখে পড়ে কোরবানি ঈদে হাটে-বাজারে,রাস্তার পাশে কামারদের দোকানে।এবছরে কামারপল্লী বা খুচরা দোকানে উপচেপড়া ভির অনেকটাই কম।

কামার প্রদ্বীপ বাবু বলেন,কয়লা, লোহাসহ সব জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাওয়াই আগের মত আর লাভ তেমন হয়না। পূর্ব পুরুষদের এ প্রাচীন ব্যবসাকে টিকিয়ে রাখার জন্য চালিয়ে যাচ্ছে ।
দাঁ,বটি,চাকু বিক্রেতা শ্রী শুনীল কর্মকার বলেন,লোহাসহ সব জিনিস বেশি দামে কিনতে হচ্ছে।তাই কামারীদের নিকট আমাদের বেশি দামে কিনছি এবং বেশি মুল্যে বাজারে বিক্রি করতে হচ্ছে।

তিনি আরও জানান,গত বছরের তুলোনায় এবছরে ক্রেতাদের বাজারে আনাগনা অনেকটায় কম।প্রতি বছর কোরবানি ঈদের ২০ দিন আগে থেকেই বেচা-কেনা শুরু হয়।ঈদের মাত্র আর কদিন বাকি সকাল থেকে ফাকা দোকান নিয়ে বসে আছি।তবে তারা আশাবাদি বাকি কদিনের মধ্যে তাদের বেচা-কেনা লক্ষ্যমাত্রায় পৌছাবে।

সময়নিউজ২৪.কম/ বি এম এম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *