নড়াইলের গুয়াখোলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাঠদানের শ্রেনী কক্ষ সম্পূর্ণ ভাবে বিধ্বস্ত !! দেখার কেই নেই!!

।।উজ্জ্বল রায় নড়াইল জেলা প্রতিনিধি।। 
নড়াইল সদর উপজেলার শেখহাটি ইউনিয়নের গুয়াখোলা মধ্যমিক বিদ্যালয়। সাম্প্রতিক ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে বিধ্বস্ত হয়েছে। নির্মাণধীন আধাপাকা এ ভবনটি ভেঙ্গে মাটির সাথে মিশিয়ে রেখে গেছে। পুরো ভবনটির চার পাশের দেওয়াল ও পাঠদানের শ্রেনী কক্ষ সম্পূর্ণভাবে বিধ্বস্ত হয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখাগেছে, বিদ্যালয়ের আধাপাকা ভবনের জানালা দরজা সহ চারপাশের দেওয়াল ভেঙ্গে মাটিতে শুয়ে আছে।
আমাদের উজ্জ্বল রায় নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, ১১০ ফুট দৈঘ্য ও ২২ ফুট প্রস্থের এ ভবনের মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিদ্যালয়ের অর্থায়নে নির্মাণধীন এ ভবনটি ঝড়ে ভেঙ্গে যাওয়ায় ব্যাপক সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের। করোনার কারনে স্কুলের পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। কিন্তু স্কুল খুললে শিক্ষার্থীদের পাঠদানের বিষয়ে দুঃচিন্তায় ভুকছেন প্রধান শিক্ষক, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি ও সহকারী শিক্ষকরা। সুনাম ধন্য এ গুয়াখুলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৩ শত এর অধিক শিক্ষার্থী রয়েছে। রয়েছে শতভাগ পাশের হার। বিদ্যালয়টির পড়া লেখার মান সম্মত হওয়ায় দুর দুরন্ত থেকে ছাত্র ছাত্রীরা ছুটে আসেন এ বিদ্যালয়ে। এ বছর এস এস সি পরিক্ষায় রয়েছে শতভাগ পাস। ৪৬ জন শিক্ষার্থীদের ভিতর ৪৬ জনই পাস করেছে। তার মধ্যে এ+ পেয়েছে ১২ জন জে এস সি পরিক্ষায় ও পাশের হার শতভাগ। ৫ জন শিক্ষার্থী এ বিদ্যালয় হতে বৃত্তি পেয়েছেন। বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী অধিক হলে ও নেয় পাঠদানের শ্রেণী কক্ষ। একটি ভবনে পাঠদান করাতে হিমছিম খেতে হচ্ছে। এ রুপ পরিস্থিতিতে বিদ্যালয়ের অর্থায়নেে নির্মান করা হচ্ছিল একটি আধাপাকা ভবন। কিন্ত অতন্ত পরিতাপের বিষয় ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের ফলে ভেঙ্গে বিধ্বস্ত হয়ে গেছে ভবনটি। এ রুপ পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের পাঠদান নিয়ে চরম দুচিন্তায় রয়েছেন প্রধান শিক্ষক।
এ বিষয়ে গুয়াখুলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রবীন্দ্রনাথ মন্ডল বলেন, করোনাত্তর বিদ্যালয় খুললে শিক্ষার্থীদের পাঠদানে সাংঘাতিক ভাবে বাধাগ্রস্থ হবে। এতে করে কোমলমতি ছেলে মেয়েরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ভবনটি পূর্ণ নির্মানের জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর সাহায্যের জন্য আবেদন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে নড়াইল জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা জানান, বিদ্যালয়টি ঝড়ে ভেঙ্গে গিয়েছে। এটা আমি জেনেছি। জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে যতটা পারি সাহায্যে করা হবে। কোন শিক্ষার্থীর পাঠদানে বাধাগ্রস্ত হবে না। সেই দিকে আমরা খেয়াল রাখব আমরা।

সময়নিউজ২৪.কম/ বি এম এম 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *