smart

নড়াইলে ফাইনাল প্রিন্টের সরকারী আর এস বই গোলাম মোস্তফার বাড়ি থেকে উদ্ধার

 
SSL Certificate for just $8.88 with Namecheap

উজ্জ্বল রায় নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

(২২,অক্টোবর) নড়াইলের তালতলা থেকে ১৩৭ নং তালতলা মৌজার ফাইনাল প্রিন্টের ৪ খানা সরকারী আর এস বই গোলাম মোস্তফার বাড়ি থেকে উদ্ধার করেছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন।

জানা গেছে দিকে সদর উপজেলার আওড়িয়া ইউনিয়নের তালতলা থেকে গোলাম মোস্তফার উপস্থিতিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পুলিশের সাহায্যে ৪ খানা সরকারী আর এস বই উদ্ধার করে জেলা প্রশাসকের কার্য্যালয়ে নিয়ে আসেন। আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায়, জানান। এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট গোলাম মোস্তফাকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে জেলা প্রশাসকের কাছে কারন দর্শাতে বলে আসেন।কিন্তু আজ পর্যন্ত গোলাম মোস্তফা জেলা প্রশাসকের কাছে না এসে বিভিন্ন মহল দিয়ে তদবির করাচ্ছেন।এজন্য এলাকায় এ বিষয় নিয়ে আলোচনা সমালোচনার ঝড় বইছে।

তালতলা গ্রামের পক্ষ থেকে সোহাগ কাজী গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য জেলা প্রশাসকের বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন। তালতলা গ্রামের জাহিদ মুন্সি বলেন. সরকারী আর এস বই সংগ্রহ করে অন্যের জমি ভোগদখল করা গোলাম মোস্তফার সভাব আমাদের জমি ও দীর্ঘদিন ধরে অন্যায়ভাবে ভোগ দখল করে আসছেন।

এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য বাসার খন্দকার বলেন. তালতলা মৌজার যতলোকের জমি আছে সমস্ত ম্যাপের ওই বইতে দাগ নম্বর খতিয়ান নম্বর ও জমির পরিমান সবকিছু ওই ৪ খানা বইতে উল্লেখ আছে। তিনি আরো বলেন. গোলাম মোস্তফা এলাকায় গ্রাম্য কোন্দল বাধিয়ে রেখে এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি করেন। তালতলা গ্রামের সেন্টু মুন্সি বলেন. গোলাম মোস্তফা অসৎ উদ্দেশ্যে সরকারী আর এস বই বাড়িতে রেখেছেন।

তিনি আরো বলেন.তিনি মসজিদের টাকা ও আত্বসাত করেছেন। তালতলা গ্রামের সৈয়দ শাহাদাত আলী বলেন.সরকারী আর এস বই নিজের বাড়ি রাখা আইনগত অপরাধ। উনি একজন মাওলানা হয়ে এ ধরনের অন্যায় কাজ করতে পারেননা। তালতলা গ্রামের মহিব মুন্সি বলেন.গোলাম মোস্তফা এ ধরনের অন্যায় কাজ আগে ও করেছেন এবং জেল ও খেটেছেন।

তিনি আরো বলেন.গোলাম মোস্তফা দারস সেবা ক্লিনিকের সভাপতি থাকা অবস্থায় দেড় কোটি টাকা আত্বসাত করে মামলা খান এবং জেলা কারাগারে গিয়েছিলেন। এসব অভিযোগের বিষয়ে গোলাম মোস্তফার নিকট জানতে চাইলে বাড়ি থেকে সরকারী আর এস বই উদ্ধারের কথা স্বীকার করে বলেন এটা অবৈধ আমি জানতামনা।তবে সেটা ছিলো ফটোকপি করে বই করা। অন্যসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন.আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কাজী মাহবুবুর রশিদ ৪ খানা সরকারী আর এস বই উদ্ধারের কথা স্বীকার করে বলেন.এলাকার সকলের নামের আর এস বই বাধাই করে বাড়িতে রাখা অপরাধ।আমরা তাকে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নিকট সাক্ষাত করতে বল্লে ও তিনি দেখা করেননি। জেলা প্রশাসক আন্ধসঢ়;জুমানারা বেগম বলেন.বিষযটি আমি জেনেছি। ৪টি বই জব্দ করা হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যাচাই বাছাই করে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

SSL Certificate for just $8.88 with Namecheap

সময় নিউজ২৪.কম/এমএম

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *