//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js


নড়াইলে বোরো মৌসুমে আদর্শ বীজতলার জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে কৃষকেদের

উজ্জ্বল রায়,জেলা প্রতিনিধি,নড়াইল থেকে:
নড়াইলে বোরো মৌসুমে আদর্শ বীজতলার জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। বীজতলায় ধানের চারা উৎপাদনে ব্যস্ত সময় পার করছেন এ জেলার কৃষক। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, জানা গেছে, সনাতনী বীজতলার তুলনায় আদর্শ বীজতলায় উৎপাদিত চারার স্বাস্থ্য ভালো হয় এবং কোল্ড ইনজুরির ঝুঁকিও কম থাকে। চারা তোলার সময় শিকড়ে মাটি না ধরায় চারাগুলো কোনো ধরনের আঘাত পায় না। রোপণের পর প্রায় শতভাগ চারা জীবিত থাকে।খরচ কম এবং ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকরা বেশি আকৃষ্ট হয়েছে আদর্শ বীজতলায়। আদর্শ বীজতালায় চারা উৎপাদন করলে তা যেকোনো বৈরী আবহাওয়া মোকাবিলা করতে সক্ষম। এ পদ্ধতিতে চারার যত্ন নেওয়া সহজ।
জেলার কয়েকজন কৃষক জানান, আদর্শ বীজতলায় আড়াই হাত চওড়া জায়গায় বেড তৈরি করা হয়।বেডের দুপাশে ড্রেন থাকে। এ পদ্ধতিতে বীজতলায় বীজ ছিটাতে সহজ হয়। পরিচর্যা করতে সুবিধা হয়। আগের পদ্ধতির তুলনায় এ পদ্ধতিতে বীজ নষ্ট হয় কম।তাছাড়া চারার মানও অনেক ভালো হয়।ধানের ফলনও বেশি হয়। ফলে তারা এ পদ্ধতিতে বেশ লাভবান হচ্ছেন। সব কৃষকেরই আগের পদ্ধতি ছেড়ে আদর্শ বীজতলা করা উচিত। জেলা কৃষি অফিস থেকে নিয়মিত সাহায্য সহযোগিতা পান বলেও জানান তারা।
সনাতন পদ্ধতিতে কৃষক যে বীজতলা করতো তাতে বীজের স্বাস্থ্য খারাপ হতো। চারা পরিচর্যা করতে সমস্যা হতো। এসব সমস্যা থেকে বাঁচতে এবং চাষাবদে ব্যয় কুমিয়ে অধিক লাভবান হতে কৃষকদের আদর্শ বীজতলা পদ্ধতিতে বীজতলা করার পরামর্শ ও সহযোগিতা করছেন কৃষি কর্মকর্তারা।
নড়াইল জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ দীপক কুমার রায় বলেন, জেলায় এ বছর বীজতলা লক্ষমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে। এ বীজতলার অধিকাংশই আদর্শ বীজতলা। আমরা কৃষকেদের বোঝাতে সক্ষম হয়েছি। কৃষকরাও আদর্শ বীজতলায় অভ্যস্ত হয়েছেন। আমরা বীজ, সার ও সর্বাত্মক সহযোগিতা দিয়ে কৃষকদের পাশে আছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js
%d bloggers like this: