নড়াইল সদর হাসপাতাল দূর্নীতি অনিয়ম আর দালালদের আতুর ঘড়

 Jetpack

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

রবিবার (১০,নভেম্বর)  নড়াইল সদর হাসপাতালের মেন গেটের সামনে ইজিবাইকসহ মোটরসাইকেল দিয়ে আটকিয়ে রাখা হয় প্রতিনিয়ত।

কি ভাবে হাসপাতালে প্রবেশ করবে মূমূর্ষ রোগী, অসচেতনতার কারনে ঘটে যেতে পারে একটি বড় দূর্ঘটনা, ঘটে যেতে পারে একটি পরিবারের আয়,ব্যয়ের কর্তা, ধংস হয়ে যাবে একটি পরিবার। নড়াইল সদর হাসপাতালের প্রাচীরের সাথে লাগোয়া ইজিবাইক, ভ্যান, সাইকেল, মোটরসাইকেলসহ সকল প্রকার যানবাহন রাখার যায়গা থাকা সর্তেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নেই কোন নজরদারী সে দিকে।

এদিকে নড়াইল সদর হাসপাতালের মেন গেটে ঢুকতে প্রাচীর লাগোয়া বা পাশে রয়েছে জাতীয় শহীদ মিনার, বিভিন্ন দিবস আসলেই দেখা যায়,শহীদ মিনারের কদর,দেখা মেলে শহীদদের স্মরণে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার মহা উৎসব বা ভালোবাসা। কিন্তু এসব দিবসের দিন পার হলেই দেখা মেলে শহীদদের প্রতি কি অবহেলা ও অসন্মান,নেই কোন দায়ীত্ববোধ নেই কোনো নজরদারী হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের,এভাবেই হয়ে ওঠে প্রেম কানন,হয়ে ওঠে জুতা স্যান্ডেল পরে ধুমপায়ীদের আড্ডা, এভাবেই হয়ে ওঠে অবহেলায় নোংড়া আবর্জনার ময়লাখানা। কোনো প্রকার নজরে আসছে না নড়াইল সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের।

এদিকে হাসপাতালে এ্যাম্বুলেন্সসহ রোগীদের ভাগিয়ে নিয়ে বিভিন্ন ক্লিনিক, ডায়গনিক্স সেন্টারে পার করছে দালাল চক্র, মাঝে মধ্যে আইন প্রয়োগকারী বাহিনী অভিযান চালালেও থামছে না এসব ধুননধর দালাল চক্রের সদস্য”রা। আইনের তোয়াক্কা না করেই অসহায় রোগীদের স্বজনদের সাথে কথা বলে এ্যাম্বুলেন্সে করে বিভিন্ন হাসপাতালে রোগী নিয়ে যাবে বলে রোগীদের সাথেও করছে প্রতারণা।

জানাযায়, সরকারি এ্যাম্বুলেন্সের ভাড়ার রেট কম হলেও বে-সরকারি এ্যাম্বুলেন্সের ভাড়ার নেই কোনো নিয়ম কানুন। গরিব অসহায় রোগীর স্বজন”রা সরকারি এ্যাম্বুলেন্সে কম টাকায় রোগী নিতে চাইলেও দালালদের কারনে পৌছাতে পারে না সরকারি এ্যাম্বুলেন্সে দার প্রান্তে,এমন কি সরকারি এ্যাম্বুলেন্সের নাম ভাঙ্গীয়ে বে-সরকারি এ্যাম্বুলেন্সের ড্রাভারদের কাছ থেকে কমিশন নেন এসব দালাল চক্র। এ্যাম্বুলেন্স নেই,ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই,তবুও ড্রাইভারের পরিচয় দিয়ে অসহায় রোগীদের সাথে করছেপ্রতারণা, দূর্নীতি অনিয়মের কারখানায় পরিনত হয়েছে নড়াইল সদর হাসপাতাল।

এদিকে নড়াইল সদর হাসপাতালের সিভিলসার্জন নুপুর কান্তী দাশ ও আরএমও আ,ফ,ম,মসিউর রহমান(বাবু)”র নেই কোন নজরদারী। নড়াইল সদর হাসপাতালে আসা রোগীদের স্বজন”রা জানান,ডাক্তার সাহেবের পিসক্রিপশন হাতে নিয়ে বের হতে না হতেই টানাটানি শুরু করে দালাল”রা এবং দালাল চক্রের সদস্য”রা বলে আমি আপনাকে এই টেষ্ট করিয়ে দিচ্ছি কম টাকায় এমন কথায় ভরসা করে টেষ্ট করানোর পরে দেখা যায় এই টেষ্ট নাকি বেসি টাকা লাগে বলে দাবি প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষের,বিপদে পড়ে বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে রিপোর্ট নিয়ে আসি।

এদিকে এ হাসপাতাল থেকে যশোহর হাসপাতালে রোগী নিতে সরকারি এ্যাম্বুলেন্স খুজতে বের হওয়ার আগেই দেখা যায় বেডে দাড়িয়ে আছে এ্যাম্বুলেন্সের দালাল”রা,এরা কিভাবে জানে যে রোগীকে অন্য হাসপাতালে নিতে হবে এখনি। এভাবেই দালালের খপ্পরে পড়তে হচ্ছে আমাদের মত অসহায় রোগীর স্বজনদের।

তিনি আরো বলেন, নড়াইল সদর হাসপাতাল কে দালাল মুক্ত করতে হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নজরদারী খুবই জরুরী, আমরা নড়াইল জেলা পুলিশ ও সিভিলসার্জন এবং আরএমও সাহেবের দৃষ্টি আক্রশন করছি,আপনারা হাসপাতাল কে বাচাঁন,হাসপাতাল কে দালাল মুক্ত করুন,অসহায় রোগীদের পাসে দাড়ান,নড়াইল সদর হাসপাতাল হোক আপনাদের সেবার একটি বড় সেবা প্রতিষ্ঠান। 
Jetpack

সময় নিউজ২৪.কম/এমএম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *