পলাশবাড়ীতে ঈদের কেনাকাটায় ক্রেতার ভিরে মূখরিত বিপণনীকেন্দ্রগুলো

সরকার লুৎফর রহমান,গাইবান্ধাঃ
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার ঈদের কেনাকাটায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছে মুসলমান ধর্মালম্বি মানুষেরা। নতুন জামা-কাপড়,জুতা সহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সংগ্রহে উপজেলা শহরের ছোট বড় মার্কেটে ভীড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ২৪ মে শুক্রবার ছুটির দিনে ঈদের আমেজ নিয়ে এসেছে। দোকানি ক্রেতাদের আকর্শন বাড়াতে সাঁজিয়ে রেখেছেন নতুন নতুন পণ্য সামগ্রী। এর আলোকে ক্রেতাদের পদচারণায় মুখরিত হতে শুরু করেছে বিপণনী কেন্দ্রগুলো। অধিক বিক্রির আশায় ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্শন করতে প্রায় সব বিপণনী কেন্দ্রগুলোকে সাঁজানো হয়েছে নানান সাঁজে, রাতের বেলায় জ্বালানো হচ্ছে নানান রংয়ের বাতি এবং ঝলমল করছে এ শহরের মার্কেটগুলো কসমেটিক দোকান গুলোতে মেয়েদের ভিড় দেখা যাচ্ছে, ঈদে নিজেকে সাঁজাতে তাঁরা কিনছে তাদের পছন্দের প্রসাধনী সামগ্রী।  ঈদের ৮/১০ দিন এখনো বাকিঁ এসময় কাটা কাপড় দোকানে পূর্নাঙ্গ কেনাকাটা ও টেইলারিং কারিগর প্রায় ১৮ ঘন্টা কাজে ব্যস্ত সময় পার করছে এবং গত বছরের তুলনায় এবছর অর্ডার বেশি বলে জানান,বম্বে টেইলার্স এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহিদুল ইসলাম।
 
উপজেলার হাইস্কুল মার্কেটে একজন অভিভাবক বলেন দু’ছেলে-মেয়েদের নতুন জামা-কাপড় কিনে দিতে হচ্ছে এবং তাঁরা পছন্দ করছে বিভিন্ন দোকান ঘুরে ঘুরে কারণ ঈদের আনন্দটা তাহাদের বেশী। জামা-কাপড়সহ অন্য জিনিস পত্রের দাম দোকানদাররা কেমন হাঁকছে এ বিষয়ে তিনি বলেন, ছোটদের বেলায় দাম একটু বেশি হলেও কিছু করার নাই ছেলে-মেয়েদের বায়না মিটাতেই হবে।


উপজেলার মানিক সু স্টোর তাদের হাতে তৈরি জুতার কদরে দোকানে উপচে পড়া ভির এখন থেকেই। এবং আরও ভির বাড়বে বলে আশা করছেন তাঁরা। কালিবাড়ী বাজার, মহাসড়কের দু ধারে ও চৌধুরী মার্কেটে জুতার দোকানগুলোতে ছোট ছেলেমেয়ে ও মা-বোনদের ভির লক্ষনীয়।
ঈদ উপলক্ষে শহরে কেনাকাটা ও ব্যস্ততা থাকলেও কম্পিউটার, ফটোকপি,স্টুডিও স্টেশনারি, সার ও কিটনাশক,ডেকোরেটর ও প্রিন্ট প্রেস অলস দিন কাটাচ্ছে। অপরদিকে ঈদ উপলক্ষে টিভি, ফ্রিজ, রাইস কুকার বিক্রি বেশি হচ্ছে। 


পলাশবাড়ী থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুদুর রহমান জানান,ঈদে কেনাকাটা করতে আসা লোকজন যেন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না পড়ে এবং কোথাও যেনো চাদাবাজির ঘটনা না ঘটে সেদিক লক্ষ্যরেখে পলাশবাড়ী থানা পুলিশের একটি দল গত ২৩ মে বৃহস্পতিবার হতে নিয়োমিত সদরে ও প্রধান প্রধান সড়কে মহরা দিচ্ছে এবং দু- একদিন পর উপজেলার ছোট বড় বাজার-ঘাটে গ্রামপুলিশের আওতায় নিয়ে নেওয়া হবে, ছুটিতে বাড়ী ফেরা মানুষ যেনো কোনো সমস্যায় না পড়ে সে কারণে সম্পুর্ণ নিরাপত্তার আওতায় নেওয়া হবে এ বিষয়ে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন । 

 সময়নিউজ২৪.কম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *