বাংলাদেশে খাদ্যের কোন ঘাটতি নেই; খাদ্য মন্ত্রী

মাসুদ রানা, মোংলা
খাদ্য মন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, বাংলাদেশে খাদ্যের কোন ঘাটতি নাই, দেশ এখন খাদ্যে সয়ংসম্পুর্ন। সম্প্রতি দেশব্যাপি বন্যা হয়েছে কিন্ত খাদ্য শস্যের কোন ক্ষতি হয়নী এবং কোন লোক অনাহারেও রয়নী। প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি দেশে কোন মানুষ অনাহারে থকাবেনা। তাই দেশের সমস্যাকালীন সময় খাদ্য মজুত রাখার জন্য দক্ষিানা লের মোংলার জয়মনির ঘোলে ¯্রষ্টে খাদ্য গুদাম (সাইলো) নির্মান করেছে সরকার। দেশের দ্বিতীয় বৃহৎ খাদ্য গুদাম মোংলা সাইলো পরিদর্শন কালে খাদ্য মন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার একথা বলেন। এ সময় মন্ত্রী জানান, খাদ্য মন্ত্রনালয় নির্দেশনা মোতাবেক গম আমদানী, খালাস,মজুদ ও বিতরন প্রক্রিয়াজাত করা হবে বলে ৫’শ কোটি টাকা ব্যায়ে এটি নির্মিত হয়। এ সাইলোটি দুর্যোগকালীন এবং এ অ লের মানুষের সুবিধার্থে দক্ষিন-পাশ্চমা লে চাহিদা পুরোনের নিশ্চিত করার লক্ষে সরকারের খাদ্য মন্ত্রনালয় সাইলো নির্মানের পরিকল্পনা করে। আর এ পরিকল্পনা অনুযায়ী মোংলা শহর থেকে মাত্র ২২ কিঃমিঃ দক্ষিনে সুন্দরবনের কোল ঘেষে পশুর নদীর তীরে মোংলা সাইলো গুদাম নামে এটি নির্মান করা হয়। আপাতকালীন ও দূর্যোগ মোকাবেলায় মোংলা উপজেলার জয়মনিতে ৫০ হাজার মেট্রিকটন খাদ্য শস্য ধারন ক্ষমতা সম্পুন্য অত্যাধুনিক এ সাইলোটি নির্মিত হয়। ২০১৩ সালে ১৩ নভেম্বর নির্মান কাজ শুরু হওয়া এ সাইলোটি গত ২০১৬ সালের ২৭ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন। এলাকাবাসীর অভিযোগ, ২০১৬ সালে নির্মিত এ খাদ্য গুদামটির সুফল পাচ্ছেনা মানুষ। এর কারন মোংলা থেকে কাদ্যগুদাম জয়মনির ঘোল যেতে যোগাযোগ ব্যবস্থা খুবই খারাপ। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে খাদ্য সরবারাহ নিশ্চিত করতে সড়ক ও নৌ পথকে উপযোগী করেন তোলারও আহবান জানান খাদ্যমন্ত্রীকে। পরিদর্শনের সময় খাদ্য গুদামের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরুন কুমার মিশ্্র জানান, সাইলো উদ্ভোধনের পরে লাইটার যোগে পরীক্ষামূলক ভাবে ৪শ’৬ মেট্রিক টন খাদ্য পন্য গম গুদামজাত করা হয়। এ সাইলোর জন্য সরকারিভাবে বিদেশ থেকে আমদানীকৃত গমের প্রথম চালান নিয়ে গত ২০১৭ সালের ৯ মার্চ মোংলা বন্দরে ভিড়ে গম বোঝাই জাহাজ। রাশিয়া থেকে আসা গম নিয়ে এমভি ‘নর্ডলেক্স’ নামের পানামার পতাকাবাহী এ জাহাজটি বন্দরের পশুর চ্যানেলের হারবাড়িয়া বহিনোঙ্গরে অবস্থান করে। প্রথমবারের মতো আসা গমবাহী জাহাজটি নাব্যতা সমস্যার কারণে সাইলোর জেটিতে তখনই ভিড়তে পারেনি। ফলে ম্যাদার ভ্যাসেল থেকে ছোট লাইটার যোগে খালাসের পর সাইলো জেটিতে লোডিং কাজ শুরু করা হয়। গম লোডিং শুরু হলেও ধীর গতি নিয়ে বিড়ম্বনার মধ্যে পড়ে সাইলো সংশ্লিষ্টরা। সাইলো জেটির দুটি লোড পয়েন্টের একটি অচল হয়ে আছে। অপরটি চললেও কিছুক্ষন পর পর বন্ধ হয়ে থাকছে। দক্ষ জনবল না থাকায় এ অবস্থা বিরাজ করছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া খাদ্য গুদামের আরো যাবতীয় সমস্যা মন্ত্রীকে আবহিত করা হয়েছে। এ সময় মন্ত্রীর সাথে ছিলেন খাদ্য বিভাগের সহকারী জেনারেল পরিচালক আবদুল আজিজ মোল্লা, পরিচালক জুলফিকার আহম্মেদ, আ লিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক ড,মহসীন আলী,মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাহাত মান্নানসহ খাদ্য বিভাগের উর্দ্ধোতন কর্মকর্তাগন এসময় উপস্থিত ছিলেন। ####

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *