//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js


বাংলাদেশে বিকাশমান সমুদ্র অর্থনীতির সম্ভাবনাময় খাতটিকে আশু পরিকল্পনার আওতাধীন আনা প্রয়োজন

কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি:

২১ জানুয়ারী ২০২৩  : আজ “কক্সবাজারের সামুদ্রিক শুঁটকির উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের উপর তৃণমূল পর্যায়ের আলোচনা : সুনীল অর্থনীতির চ্যালেঞ্জ ও সুযোগ” বিষয়ের উপর মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতা, গবেষক ও বিশেষজ্ঞ সমেত স্টেকহোল্ডারদের এক দীর্ঘ ভার্চুয়াল আলোচনায় বক্তারা বলেছেন বিগত ৩০ বছরে একখাতে উল্লেখযোগ্য কোন অগ্রগতি নেই, বর্তমান সরকার সমুদ্র অর্থনীতির সম্ভাবনাময়  খাতটিকে পরিকল্পনার আওতাধীন এনেছে। ইপ্সিত ফলাফল অর্জন না হওয়ার মুলে সমন্বয়হীনতা, অপর্যাপ্ত স্টোরেজ, মৎস্য বিভাগের স্বল্প লোকবল, কোয়ালিটি কন্টোলের অভাব, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবা বঞ্চনা  সহ ব্যবসা,বা অন্য সংস্থা যা মালিকানাধীন সেগুলো কোঅপারেটিভ বা যৌথভাবে পরিচালনা করা প্রয়োজন।

সভায়  সভাপতিত্ব করেন কানাডা প্রবাসী লেখক, গবেষক ও সাংবাদিক, বাংলাদেশ নর্থ আমেরিকান জার্নালিস্টস নেটওয়ার্ক এর সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার জাহিদ।সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ড. আব্দুল জলিল চৌধুরী, ডিপার্টমেন্ট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এবং সাবেক মহাপরিচালক (চলতি দায়িত্ব) বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট (বিআইবিএম)।কোস্ট ফাউন্ডেশন কর্ম্মকর্তা তানজিরা আক্তার ও বিশিষ্ট উদ্যোক্তা কক্সবাজার চেম্বার অব কমার্স এর পরিচালক আবেদ আহসান সাগর পরিবেশগত  অবক্ষয় রোধ এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠী নিয়ে তাদের কাজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে সমুদ্র উপকুলের অদিবাসীদের জীবনমান উন্নয়নে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা ও প্রণোদনার ওপর জোর দেয়ার আহ্বান জানান। টেকনোলজি ব্যবহার, প্রক্রিয়া ও গুদামজাত করণে মধ্যস্বত্ব ভোগীদের প্রভাবে শুকনো মাছের দাম বেড়ে যায়, প্রোডাক্টের মূল্য পেতে দীর্ঘ সূত্রিতা ও  সঙ্কট সৃষ্টি হয়. সরকারের প্রণোদনা ছাড়া এ খাতের টেকসই উন্নয়ণ সম্ভব নয়.

কক্সবাজার চেম্বার অব কমার্স এর মার্কেট ভ্যালু চেইন গ্রুপের প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত ও সুবিধাভোগী আলোচকগণ ও তৃণমূলে মৎস্যখাতের সমস্যাবলী যেমন স্বাস্থ্যসম্মত ভাবে  সামুদ্রিক খাদ্য  ও শুকনো মাছের উৎপাদন ও এগুলো বাজারজাতকরণের বাধা  তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন,আজিজ উদ্দিন, মাহবুব আলম, নাজমা রেশমী, শাকিল আলম, খাইরুল আহসান মানিক এবং আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন আব্দুল মালেক নাঈম, শিরিন ফেরদোসী, সাইফুর হাসান, শামসুল হাবিব এবং সাজ্জাদ হোসেন প্রমুখ।

সভাপতি দেলোয়ার জাহিদ তার ভাষণে বলেন, সমূদ্র অর্থনীতির সদ্ব্যবহার বাংলাদেশকে অর্থনৈতিক সুরক্ষা দেবে তবে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন সহ নারী ও শিক্ষিত যুবসমাজকে উদ্যোক্তা, এবং কর্মী হিসেবে দক্ষতা বৃদ্ধির প্রশিক্ষণ ও অর্থ প্রণোদনা দিয়ে উৎসাহিত করতে হবে. ড. জলিল চৌধুরী প্রস্তাবিত কো-অপ একটি সময়উপযোগী ধারণা। শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও দক্ষতাবৃদ্ধির  প্রশিক্ষণ দানে বাংলাদেশ নর্থ আমেরিকান জার্নালিস্টস নেটওয়ার্ক এর গ্রুপ কোস্টাল ১৯  আন্তর্জাতিক সেবা সংস্থা স্টেপ টু হিউম্যানিটি এসোসিয়েশনের সমর্থন লাভের আশ্বাস পেয়েছে। সাসটেইনেবল ব্লু ইকোনমির জন্য পরিবেশগত অবক্ষয় এবং সমুদ্রের পানির দূষণ কমানো এবং মৎস্য খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রয়োজনীয় নীতিনির্ধারণের উপর জোর দেয়া প্রয়োজন ও উদ্যোগ গ্রহণ করা উচিত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js
%d bloggers like this: