বাংলাদেশ ২০৩৩ সালে ২৪তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ হবে

অনলাইন ডেস্কঃ

আগামী ১৫ বছরে তাৎপর্যপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ঘটবে, উল্লেখ করে যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি থিঙ্কট্যাঙ্ক প্রতিষ্ঠান বলেছে, ২০৩৩ সালে বিশ্বের ২৪তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে বাংলাদেশ।

সেন্টার ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড বিজনেস রিসার্চ (সিইবিআর) নামের ওই প্রতিষ্ঠানের প্রকাশিত রিপোর্টে ২০১৯ সালে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশকে ৪১তম অবস্থানে রেখেছে। তাদের গত বছরের করা তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৪৩তম।

সিইবিআরের রিপোর্ট অনুযায়ী, বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকার শীর্ষ পাঁচে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, জাপান, জার্মানি ও ভারত।

সিইবিআরের ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক লিগ টেবিল-২০১৯ নামের ওই রিপোর্ট প্রকাশ করে গেল বছরের ২৬ ডিসেম্বর। 

ব্রিটেনের এই থিঙ্কট্যাঙ্ক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের অর্থনীতি নিয়ে দেওয়া পূর্বাভাসে বলেছে, এশিয়ার অন্যান্য অনেক দেশের ন্যায় আগামী ১৫ বছরে তাৎপর্যপূর্ণ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ঘটবে বাংলাদেশের। আগামী ২০২৩ সালে ৩৬তম, ২০২৮ সালে ২৭তম এবং ২০৩৩ সালে ২৪তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে বাংলাদেশ। এছাড়া সিইবিআরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ২০৩৩ সালের মধ্যে বিশ্বের শীর্ষ পাঁচ অর্থনীতির দেশের তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে চীন প্রথম স্থান দখল করবে। এর ফলে দ্বিতীয় অবস্থানে চলে যাবে যুক্তরাষ্ট্র। ভারত তৃতীয় ও জাপান চতুর্থ স্থানে উঠে আসবে। আর জার্মানি চলে যাবে পাঁচ নম্বরে।

সিইবিআরের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, এই সময়ে এশিয়ার অন্যান্য দেশেরও অথনৈতিক উত্থান ঘটবে। বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় দক্ষিণ কোরিয়া দশম, ইন্দোনেশিয়া দ্বাদশ, থাইল্যান্ড ২১তম, ফিলিপাইন ২২তম এবং মালয়েশিয়া ২৫তম স্থানে উঠে আসবে।

সিইবিআরের রিপোর্টে আরো বলা হয়েছে, ২০১৮ থেকে ২০৩৩ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার গড়ে ৭ শতাংশ হতে পারে। এর ফলে দেশটি ২০৩৩ সালে ২৪তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশের জায়গা দখল করবে। লন্ডনের ওই প্রতিষ্ঠানের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, তৈরি পোশাক রপ্তানি, শক্তিশালী রেমিট্যান্স বৃদ্ধি, ভারতীয় বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার, সরকারি ব্যয়ে বাংলাদেশ ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে। প্রায় ৪৩ শতাংশ বাংলাদেশি কৃষিকর্মের সঙ্গে যুক্ত; যাদের অধিকাংশই ধান এবং পাট উৎপাদন করেন।

এছাড়া, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ভুট্টা, শাকসবজি এবং গমের উৎপাদন ক্রমবর্ধমান ভূমিকা রাখছে। তবে আমদানির হার বেশি থাকায় বাংলাদেশের রপ্তানি খাতের সফলতা নিয়ে ঝুঁকিও রয়েছে বলে মনে করে সিইবিআর।

সময়নিউজ২৪.কম/ এ এস আর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *