বাঘের আবাস যোগ্যতা হারাবে সুন্দরবন

অনলাইন ডেস্কঃ

জলবায়ু পরিবর্তন ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি বাঘের আবাসস্থল হিসেবে সুন্দরবনের ওপর কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে গবেষণা করেছেন বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ জন গবেষক। গবেষণায় বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তন ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির সম্মিলিত প্রভাবে ২০৫০ সালের মধ্যে আবাসস্থল হ্রাস পাবে প্রায় ৯৭ শতাংশ। আর ২০৭০ সালের মধ্যে এ আবাসযোগ্যতা পুরোপুরি হারাতে পারে সুন্দরবন ।

বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে আছে বাংলাদেশ। বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এ ঝুঁকি মোড় নিতে পারে বড় ধরনের বিপর্যয়ে। জলবায়ু পরিবর্তন ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি—এ দুইয়ের অভিঘাতে সবচেয়ে বেশি হুমকিতে আছে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের আবাসস্থল সুন্দরবন। সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে, আগামী পাঁচ দশকের মধ্যে বাঘের আবাসযোগ্যতা হারাবে ম্যানগ্রোভ বনটি।

পৃথিবীর মোট বাঘের প্রায় ৬৭ শতাংশ রয়েল বেঙ্গল টাইগার উপপ্রজাতির। এসব বাঘের অধিকাংশেরই আবাসস্থল সুন্দরবন। পৃথিবীর ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলগুলোর মধ্যে একমাত্র সুন্দরবনেই বাঘের উপস্থিতি দেখা যায়। ভৌগোলিক অবস্থানজনিত কারণে পৃথিবীর দীর্ঘতম ও সবচেয়ে সমৃদ্ধ ডেল্টা সিস্টেমগুলোর অন্যতম হয়ে উঠেছে সুন্দরবন। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এখানকার বৃক্ষরাজি, লবণাক্ততা ও পলিপ্রবাহে এরই মধ্যে পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। সুন্দরবনের অধিকাংশ এলাকার গড় উচ্চতা এক মিটারেরও কম। এ কারণে বনাঞ্চলটির সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিজনিত ঝুঁকিও উচ্চমাত্রার।

এ ঝুঁকির বিষয়টি নিয়েই একটি গবেষণা করেছেন বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ গবেষক। ‘কম্বাইন্ড ইফেক্টস অব ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড সি-লেভেল রাইজ প্রজেক্ট: ড্রামাটিক হ্যাবিটেট লস অব দ্য গ্লোবালি এনডেঞ্জারড বেঙ্গল টাইগার ইন বাংলাদেশ সুন্দরবনস’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনটি নেদারল্যান্ডসভিত্তিক জার্নাল এলসেভিয়েরে সম্প্রতি প্রকাশ হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যেসব দেশে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষতির আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি, বাংলাদেশ সেগুলোর অন্যতম। জলবায়ু পরিবর্তন ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে ২০৫০ সালের মধ্যেই সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা ও আবাসযোগ্য এলাকার পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হ্রাস পাবে। ২০৭০ সালের মধ্যেই প্রাণীটির আবাসস্থল হিসেবে উপযোগিতা হারাবে সুন্দরবন।

সুন্দরবনের শুধু বাংলাদেশ অংশ (৬ হাজার ১৭ বর্গকিলোমিটার) নিয়ে গবেষণাটি চালানো হয়। আগের এক সমীক্ষায় এর মধ্যে ৪ হাজার ৮৩২ বর্গকিলোমিটার এলাকাকে বাঘের বিচরণক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। এ তথ্যকেই সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশে বাঘের মোট বিচরণভূমি হিসেবে ধরে নিয়ে গবেষণাটি চালানো হয়। বন্যপ্রাণীটির আবাসস্থল হিসেবে সুন্দরবনের ওপর জলবায়ু পরিবর্তন ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির প্রভাব নিরূপণের জন্য এখানে বাঘের ভবিষ্যৎ বিন্যাসের একটি মডেল তৈরি করা হয়। এজন্য ম্যাক্সএন্ট (ম্যাক্সিমাম এন্ট্রপি মডেলিং, সম্ভাবনা বিন্যাসের পরিসংখ্যানভিত্তিক মডেল), বাঘের বর্তমান বিন্যাস, ভূমি ও বায়োক্লাইমেটিক ভ্যারিয়েবলের তথ্য ব্যবহার করা হয়। বায়োক্লাইমেটিক ভ্যারিয়েবলে বাঘের ভবিষ্যৎ আবাসস্থল চিহ্নিত করার জন্য ব্যবহার করা হয় ইন্টারগভর্নমেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জ (আইপিসিসি) প্রণীত ভিন্ন দুটি ক্লাইমেট সিনারিও মডেল (আরসিপি ৬.০ ও আরসিপি ৮.৫)। এছাড়া আগামীতে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিসংক্রান্ত তথ্যকেও বাঘের ভবিষ্যৎ বিন্যাসের মডেলের সঙ্গে একীভূত করা হয়। গবেষণায় উঠে আসা তথ্য বিশ্লেষণের জন্য রেফারেন্স ইয়ার ধরা হয় ২০৫০ ও ২০৭০ সালকে।

এর মধ্যে আরসিপি ৬.০ সিনারিও ব্যবহার করে দেখা গেছে, শুধু জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাঘের আবাসস্থল হ্রাস পাবে ৪৯ দশমিক ৭ শতাংশ। আয়তনের দিক থেকে এর পরিমাণ ২ হাজার ৪০১ দশমিক ৫ বর্গকিলোমিটার। ২০৭০ সালে এ আবাসস্থল হ্রাসের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়াবে ৯৯ দশমিক ৪ শতাংশে, আয়তনের দিক থেকে যার পরিমাণ ৪ হাজার ৮০৩ দশমিক ১ বর্গকিলোমিটার। শুধু সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ২০৫০ সালের মধ্যে সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশে বাঘের বিচরণভূমি কমবে ৫ দশমিক ৪২ শতাংশ। আয়তনের হিসাবে এর পরিমাণ ২৬১ দশমিক ৯ বর্গকিলোমিটার। এক্ষেত্রে ০৭০ সালে বাঘের আবাসস্থল হ্রাসের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়াবে ১ হাজার ৩৭৭ দশমিক ১ বর্গকিলোমিটার, যা এখনকার মোট বিচরণভূমির সাড়ে ২৮ শতাংশ। সুন্দরবনে বাঘের আবাসস্থলের ওপর জলবায়ু পরিবর্তন ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির সম্মিলিত প্রভাব হবে অত্যন্ত ভয়াবহ। আরসিপি ৬.০ সিনারিওতে দেখা যায়, এ দুইয়ের সম্মিলিত প্রভাবে ২০৫০ সালের মধ্যে বাঘের আবাসস্থল হ্রাস পাবে ৫৪ দশমিক ২ শতাংশ, যার মোট আয়তন ২ হাজার ৬১৮ দশমিক ৯ বর্গকিলোমিটার। ২০৭০ সালের মধ্যে বর্তমান ৪ হাজার ৮৩২ কিলোমিটার বিচরণভূমির পুরোটাই বাঘের আবাসস্থল হিসেবে সম্পূর্ণ উপযোগিতা হারিয়ে ফেলবে।

আরসিপি ৮.৫ সিনারিও ব্যবহার করে আরো ভয়াবহ চিত্র পাওয়া যায়। এটি ব্যবহার করে পাওয়া পূর্বাভাস বলছে, শুধু জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যেই এখানে বাঘের আবাসভূমি হ্রাস পাবে ৯৬ দশমিক ২ শতাংশ, আয়তনের দিক থেকে যার মোট পরিমাণ ৪ হাজার ৬৪৮ দশমিক ৪ বর্গকিলোমিটার। ২০৭০ সালে এ ক্ষতির মাত্রা দাঁড়াবে সম্পূর্ণ শতভাগে। শুধু সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে এ সময়ের মধ্যে আবাসস্থল কমতে পারে ১১ দশমিক ৩ শতাংশ। অর্থাৎ এক্ষেত্রে বাঘের ৫৪৬ দশমিক ১ বর্গকিলোমিটার বিচরণভূমি হ্রাস পাবে। সেক্ষেত্রে ২০৭০ সালে এ বিচরণভূমি হ্রাসের মাত্রা বেড়ে দাঁড়াবে ৪৮ দশমিক ৯ শতাংশ বা ২ হাজার ৩৬২ দশমিক ৮ বর্গকিলোমিটারে। অন্যদিকে জলবায়ু পরিবর্তন ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির সম্মিলিত প্রভাবে ২০৫০ সালের মধ্যে আবাসস্থল হ্রাস পাবে ৯৬ দশমিক ৯ শতাংশ বা ৪ হাজার ৬৮২ দশমিক ২ বর্গকিলোমিটার। ২০৭০ সালের মধ্যে বাঘের আবাসস্থল হিসেবে উপযোগিতা হারাবে সুন্দরবন।

সুন্দরবন বাঘের আবাসযোগ্যতা হারানোর পেছনে অন্যান্য কারণও অনুসন্ধান করা প্রয়োজন বলে মনে করেন ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচারের (আইইউসিএন) সাবেক কান্ট্রি ডিরেক্টর ইশতিয়াক উদ্দিন আহমেদ। বণিক বার্তাকে তিনি বলেন, সুন্দরবনে বাঘ প্রজাতির ইনব্রিডিংয়ে কোনো সমস্যা আছে কিনা, যার কারণে বাঘ প্রজননে ডিপ্রেশন তৈরি হচ্ছে; সেটাও দেখার প্রয়োজন রয়েছে। এছাড়া জেনেটিক্যালি কোনোভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে কিনা, কিংবা বাঘের রোগ ও তাদের প্রতিকারের ধরন কেমন হচ্ছে; সেগুলোও দেখার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এখন পর্যন্ত এসব বিষয়ে তেমন কোনো গবেষণা করা হয়নি। এছাড়া মানবসৃষ্ট ও প্রাকৃতিক কারণে কতটা ক্ষতি হচ্ছে, সেটিও দেখার বিষয়।

জলবায়ু পরিবর্তন ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির পাশাপাশি চোরা শিকার, উজান থেকে পানি প্রত্যাহার, বন থেকে কাঠ সংগ্রহ, মাছ ধরা ও অন্যান্য জলজ সম্পদ সংগ্রহের মতো বিষয়গুলোও এখন বাঘের অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাঘ-মানুষের দ্বন্দ্বও এখানে খুবই সাধারণ ঘটনা, যার বহিঃপ্রকাশ ঘটে বাঘের আক্রমণে মানুষ ও গবাদিপশুর প্রাণহানি এবং মানুষের হাতে বাঘের মৃত্যু ঘটার মধ্য দিয়ে।

প্রতিবেদনে বাঘের অস্তিত্ব বিপন্ন হওয়ার পেছনে শিকার কমে যাওয়ার বিষয়টিকেও দায়ী করা হয়। এতে বলা হয়, বাঘের প্রধান শিকার হলো চিত্রল হরিণ। এছাড়া বুনো শুয়োর, বানর, নির্দিষ্ট কিছু মাছ ও কাঁকড়াও শিকার করে খায় বাঘ। কিন্তু শিকার ও অপরিমিত মাত্রায় সংগ্রহের কারণে বনে এসব প্রাণীর সংখ্যাও এখন দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। বাঘের আবাসস্থল হিসেবে সুন্দরবনের উপযোগিতা কমে যাওয়ার পেছনে এটিকেও একটি কারণ বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। পাশাপাশি বন উজাড়, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, আশপাশের এলাকায় শিল্প-কারখানা নির্মাণ ও সুন্দরবনের মধ্যে নৌ-চলাচল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কারণেও এখানকার অবশিষ্ট বাঘগুলোর অস্তিত্ব এখন বিপন্ন হয়ে উঠেছে। বাঘ সংরক্ষণে যেকোনো সফল পদক্ষেপ নিতে হলে এসব বিষয় বিবেচনায় নেয়া উচিত বলে প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়।

এর মধ্যেও আশার বাণী শুনিয়েছেন গবেষকরা। তারা বলছেন, সংরক্ষিত এলাকার পরিমাণ বৃদ্ধি ও চোরা শিকার রোধ করার মাধ্যমে সুন্দরবনের জলবায়ু পরিবর্তন ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিজনিত অভিঘাত মোকাবেলার সক্ষমতা বাড়ানো সম্ভব।

এ নিয়ে গবেষণা প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, জলবায়ু পরিবর্তন ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এখন অনিবার্য। এ ধরনের পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সরকারের উচিত বাঘ সংরক্ষণের জন্য নির্ধারিত এলাকা বৃদ্ধি, প্রাণীটির অবাধ চলাচলের জন্য আন্তঃসীমান্ত করিডোর সৃষ্টি, সংশ্লিষ্ট এলাকায় অবৈধ কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের জন্য নজরদারি ও আইন প্রয়োগের মাত্রা বৃদ্ধি, আশপাশের এলাকায় অপরিকল্পিত উন্নয়ন এড়ানো এবং এ এলাকায় বাঘ-মানুষ দ্বন্দ্ব বন্ধের জন্য জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সংরক্ষণ কার্যক্রমে জোর দেয়া। এছাড়া ভবিষ্যৎ সংরক্ষণ পরিকল্পনাতেও জলবায়ুর সম্ভাব্য পরিবর্তন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বাঘের খাদ্যের প্রাচুর্য নিশ্চিত করা ও এসব প্রাণীর ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব বিবেচনায় নেয়া উচিত।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. এসএম মঞ্জুরুল হান্নান খান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব যেভাবে হচ্ছে, তাতে করে এ বদ্বীপ অঞ্চলের অবস্থার যে পরিবর্তন হবে, তা এ মুহূর্তে অ্যান্টিসিপেট করা যাচ্ছে না। এটা খুব জটিল রূপ ধারণ করছে। এ বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিতে হবে বৈশ্বিক সম্প্রদায়কে। এখনো পুরো বিশ্ব ব্যবসার পেছনে ছুটছে, তারা জলবায়ু পরিবর্তনেও ব্যবসা খুঁজে বেড়াচ্ছে। কিন্তু এমনটা হলে তো অসুবিধা। জলবায়ু পরিবর্তনের অনেক বিষয় আছে, যেগুলো মানবিক দিক বিবেচনায় দেখতে হবে। অনেকে মনে করতে পারে, বাংলাদেশ ডুবে গেলে কার কী আসে যায়। কিন্তু এটা হয়তো পরিবর্তনের শুরু হতে পারে, একটা পর্যায়ে সারা বিশ্বকেই ভুগতে হবে। এবার ৫০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি শীত দেখা গেছে, সৌদি আরবের মতো দেশে বন্যা হয়েছে। যেটা কখনো চিন্তা করা যায়নি, তেমন দুর্যোগপূর্ণ ঘটনাগুলো দেখা যাচ্ছে। সুন্দরবনে বাঘ থাকবে না, এটি শুধু একটি বিষয়। ঝুঁকির মুখে থাকা দেশগুলোর সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তা খাদ্যনিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও জীবনযাপনের নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলো নিয়ে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *