বাজেট নিয়ে যে তথ্য দিলেন বিএনপি নেতারা

অনলাইন ডেস্ক:

 ‘এই বাজেটে সাধারণ মানুষের ওপর সরাসরি চাপ পড়বে, তাদের (সাধারণ মানুষ) প্রকৃত আয় কমে গেছে, বৈষম্য বাড়ছে। ধনীরা আরও ধনী হচ্ছে, দরিদ্ররা আরও দরিদ্র হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি ভুগছে মধ্য-নিম্নবিত্তরা। তাদের ওপর করের চাপ আরও বেড়ে যাবে। সামগ্রিকভাবে দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়বে, মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হবে না। কারণ জনগণের বিরুদ্ধে এই বাজেট দেয়া হয়েছে।’ শুক্রবার বিকেলে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বাজেটের ওপর আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ায় দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই মন্তব্য করেন।

সংক্ষিপ্তভাবে বাজেটের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আপনি বাজেটের চিত্র দেখেন, তুলনামূলকভাবে বরাদ্ধ কমে যাচ্ছে। কল্যাণ রাষ্ট্রের নীতি বিসর্জন দিয়ে সরকার বাজেট প্রণয়নে নীতিগর্হিতভাবে অরাজকতার আশ্রয় নিয়েছে। তারা দেশকে ঋণনির্ভর বৃত্তে আবদ্ধ করে রেখেছে।’

বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির বরাদ্ধকৃত ব্যয়ের গুণগতমান, মেগা প্রকল্পের ব্যয় ‘অস্বাভাবিক’ বৃদ্ধি, জিডিপির প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা, বেকারত্ব, কর্মসংস্থান, সামষ্টিক অর্থনীতির ব্যবস্থাপনা প্রভৃতি বিষয়ে নিয়ে বাজেটে যেসব বক্তব্য দেয়া হয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন ফখরুল।

ঘাটতি বাজেটের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধির ফলে সুদ-আসল পরিশোধ করতেই বাজেটে বিশাল ব্যয় হচ্ছে। ঋণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ সরকারি চাকরিতে প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত পদ সৃষ্টি, গণহারে পদোন্নতির মাধ্যমে বেতনকাঠামোসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি। এই অর্থবছরে বেতন-ভাতার জন্য রাজস্ব আয়ের ২০ দশমিক ৫ শতাংশ বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে। যা কোনো অবস্থাতে যুক্তিযুক্ত বলা যাবে না।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *