//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js


বানভাসীদের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগ করে নিতে হবে : বাংলাদেশ ন্যাপ

পবিত্র ঈদ উল আজহা উপলক্ষে বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বের মুসলমানদের শুভেচ্ছা জানিয়ে দেশের বানভাসীদের সঙ্গে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে দলের নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেছেন, এবারের ঈদ বানভাসি মানুষের কাছে অত্যন্ত কষ্টদায়ক। বানভাসি মানুষের এই কষ্ট দূর করে তাদের মাঝে আমাদেরকেই ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে দিতে হবে। বানভাসি মানুষের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে হবে।

শুক্রবার (৮ জুলাই) দলটির যুগ্ম মহাসচিব মো. নুরুল আমান চৌধুরীর স্বাক্ষরে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বানীতে তারা বলেন, ত্যাগের মহিমায় মহিমান্বিত প্রতি বছর ঈদ উল আজহা মুষলমানদের মাঝে ফিরে আসে। প্রতিহিংসা ও স্বার্থপরতা পরিহার করে মানব কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করাই হলো কুরবানীর প্রধান শিক্ষা। হিংসা-বিদ্বেষ, লোভ-ক্রোধকে পরিহার করে সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় আত্মনিবেদিত হওয়া সকলের কর্তব্য।

নেতৃদ্বয় বলেন, দেশে এক ভয়ংকর নৈরাজ্য চলছে। দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতিতে মানুষের জীবন আজ দুর্বিসহ। অন্যদিকে লুটেরাগোষ্টির লুটপাট চলছে অব্যাহত। তারা জনগনের পকেট কেটে নিজেদের আখের গোচাচ্ছে। ভয়াল অন্ধকার উৎসবের আনন্দকে ম্লান করে দেয়। দেশের বর্তমান অবস্থায় সকলের পক্ষে ঈদের আনন্দ যথাযথভাবে উপভোগ করা খুবই কঠিন।

তারা বলেন, চাল, ডাল, লবন, পিঁয়াজ, মরিচসহ দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন উর্দ্ধগতি দরিদ্র ও কম আয়ের মানুষকে চরম দুর্ভোগের মুখে ঠেলে দিয়েছে। মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তের মানুষ আরো বিপন্ন হয়ে পড়বে। পানি, জ্বালানী তেল, গ্যাস, বিদ্যূতের তীব্র সংকটজনজীবনে দুর্বিসহ অবস্থার সৃষ্টি করেছে।

ন্যাপ নেতৃদ্বয় বলেন, বৃহত্তর সিলেটসহ একের পর এক হাওড়ে বন্যা, পাহাড়ী ধ্বস ও সম্প্রতি উত্তরাঞ্চলসহ দেশের অনেক জেলায় ভয়াবহ বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগে অনেকেই স্বজন হারিয়েছে, ঘরবাড়ী, জোত-জমিসহ সহায় সম্পদ বানের পানিতে ভেসে গেছে। এখনও ভেসে যাওয়া বসতবাড়ীর শুণ্য ভিটায় ঠাঁই করতে পারেনি হাজারো মানুষ।

তারা বলেন, বর্তমান অবস্থায় সকল রাজনৈতিক নেতাকর্মীসহ দেশের সকল বিত্তবান ও সামর্থবান ব্যক্তিদের দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে প্রাকৃতিক দুর্যোগে দুর্গত অসহায় মানুষের দিকে সাহায্য ও সহমর্মিতার হাত প্রসারিত করা। ঈদের আনন্দের দিনে কেউ যাতে অভুক্ত না থাকে-সেদিকে সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে। ঈদের আয়োজনে উপদ্রুত অসহায় মানুষ যেন অংশগ্রহণ করতে পারে সেই উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

নেতৃদ্বয় বলেন, ঈদের আনন্দকে ভাগ করে নিতে হবে এক কাতারে মিলে। ঈদ উল আজহা সবার জীবনে বয়ে আনুক সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি, সমাজে সৃষ্টি হোক সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যর মেলবন্ধন, মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে এই হোক প্রার্থনা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js
%d bloggers like this: