//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js


ব্যঙ্গ করে নাম ডাকার প্রতিবাদ করায় যুবককে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম

মোংলা প্রতিনিধি:

ব্যঙ্গ করে নাম ডাকার প্রতিবাদ করায় এক যুবককে কুপিয়ে রক্তা জখম করেছে বাশতলা গ্রামের কয়েকজন মাদক ব্যাবসায়ী চিহ্ণিত সন্ত্রাসীরা।এব্যাপারে প্রতিকার চেয়ে মোংলা থানায় এজাহাজর দাখীল করা হয়েছে কিন্ত ঘটনার দুই দিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ কোন ব্যাবস্থা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ করেণ ভুক্তভোগী পরিবারের স্বজনরা।ঘটনাটি ঘটেছে সুন্দরবন ইউনিয়নের বাশতলা গ্রামের, এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।এ সন্ত্রাসী গ্রুপটি প্রভাশালী হওয়ায় সুন্দরবন ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় এর আগেও বহু ঘটনার ঘটিয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রত্যাক্ষদর্শীরা ও থানার অভিযোগ সুত্রে আল হাদি মল্লিক জানায়,সুন্দরবন ইউনিয়নে বেয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় জলতঙ্ক রোগ থেকে বাচার জন্য কুকুরকে ভ্যাকসিন দেয়ার উদ্দ্যোগ নেয় সরকার। তারই ধারাবাহিকতায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে প্রশিক্ষন নিয়ে সুন্দরবন ইউনিয়নের ১-৩ নং-ওয়ার্ডে ভ্যাকসিন দেয়ার দায়ীত্ব পায় আলহাদি মল্লিক। কিন্ত ভ্যাকসিন দেয়ার সময় মাদক সেবন ও বিক্রি সহ ওই সকল সন্ত্রাসীদের কিছু অপকর্ম চোখে পরে আল হাদির।তাদের এহেন কর্মকান্ডগুলো লোকজনকে বলে দিতে পারে এমন ভয়ে কুকুরের ভ্যাকসিন নিয়ে আল হাদি মল্লিকের নামের সাথে ব্যাঙ্গ করে ডাকতে থাকে এলাকার ওই উঠতি বয়সি বখাটে সন্ত্রাসীরা। গত ২০ নভেম্বর দুপুরে বাসা থেকে বের হতেই আলহাদির পিছু নেয় এবং তার নামের সাথে ব্যাঙ্গ করে ডাকতে থাকে। এতে সে প্রতিবাদ করলে তাদের সাথে কথা কাটাকাটি হয়। রাস্তা দিয়ে কিছু দুর যাওয়ার পরে ওই সকল মাদকসেবী সন্ত্রাসীরা তাকে পিছন থেকে ঘিড়ে ফেলে এবং কিছু বুঝে উঠার আগেই দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে।

এসময় তার ডাক চিৎকারে এলাকাবাসী ছুটে আসলে মাথা সহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় কুপিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তার পাশে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। সেখান থেকে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরিচালক ডাঃ শাহিন বলেন,রবিবার দুপুরের দিকে রক্তাক্ত অবস্থায় সুন্দরবন ইউনিয়ন থেকে আলহাদি নামের এক যুবককে হাসপাতালেভর্তি করা হয়েছে।তার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতপ্রাপ্ত ও প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় অবস্থা এখনও উন্নত হয়নী,পর্যবেক্ষনে রাখা হয়েছে। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে বলে জানায় এ স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।

এ ঘটনা নিয়ে আলহাদি বাদি হয়ে চিলা ইউনিয়নের হলদিবুনিয়া গ্রাম সুন্দর আলী খান ও সুন্দরবন ইউনিয়নের বাশতলা গ্রামের নাহিদ খান, রাহুল খান রাহু ও রাজু খান’কে আসামী করে মোংলা থানায় এজাহাজর দাখিল করা হয়েছে।তবে ঘটনার দুই দিন অতিবাহিত হলেও এখনও কোন প্রতিকার না পেয়ে প্রশাসনের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সহায়তা চেয়েছে ভুক্তভোগী পরিবারের স্বজনরা।

মোংলা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মাদ মনিরুল ইসলাম বলেন,সুন্দরবন ইউনিয়নের মারামারী ঘটনা নিয়ে একটি অভিযোগ হাতে পেয়েছি।ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং তদন্ত চলছে।আসামীদের গ্রেফতারে চেষ্টা অব্যাহত আছে বলে জানায় থানার এ কর্মকর্তা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js
%d bloggers like this: