ভূঞাপুরে গুজব সৃষ্টি করে লবণের কৃত্রিম সংকটের চেষ্টা

 Gator Website Builder

আব্দুল লতিফ তালুকদার, ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে সকাল থেকেই শুরু হয়েছে লবণ কেনার প্রতিযোগিতা। ক্রেতারা দাম বাড়ার গুজবে কেউ দুই কেজি কেউবা পাঁচ থেকে দশ কেজি পর্যন্ত লবণ কিনে নিয়ে বাড়ি যাচ্ছে। লবণ কেনাকে কেন্দ্র করে ভূঞাপুরের বিভিন্ন বাজারের দোকানগুলোতে ছিল উপছে পড়া ভীড়।

সরেজমিনে গিয়ে বেশ কিছু ক্রেতার সাথে কথা বলে জানা যায়, আমরা শুনেছি দেশে লবণের সংকট হবে তাই ঝুঁকি না নিয়ে সারাবছরের জন্য লবণ কিনে রাখছি। এ দিকে টাঙ্গাইলের পুরো জেলাজুড়ে চলছে লবণ সংকটের গুজব।

মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) সকাল থেকে হঠাৎ লবণের দাম বাড়বে বলে এরকম গুজব ছড়িয়ে পড়ে ভূঞাপুরের বিভিন্ন বাজারগুলোতে। এ খবর শুনে বিভিন্ন গ্রাম থেকে লোকজন এসে ভীড় জমায় লবণের দোকানগুলোতে।

এই সুযোগে পেঁয়াজের মতো দাম বাড়িয়ে ক্রেতাদের নিকট থেকে বেশি লাভের চেষ্টা করে দোকানিরা। এতে করে প্রতি পঁচিশ কেজি লবণের বস্তায় ১’শ থেকে ১’শ ৫০ টাকা দাম বাড়িয়ে দিয়েছে ব্যবসায়ীরা।

গোবিন্দাসী বাজারের মসলা ও লবণ ব্যবসায়ী মো. আব্দুল হালিম মন্ডল বলেন, সকাল থেকেই আমার দোকানে লবণ কেনার জন্য ক্রেতারা ভীড় জমাচ্ছে। বিগত কয়েক মাসেও আমি এতো লবণ বিক্রি করতে পারিনি যা একদিনে বিক্রি করে পেরেছি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি লবণ আগের দামেই বিক্রি করছি এবং বেশি দামের বিষয়টি সম্পূর্ণ গুজব।

এ দিকে ব্যবসায়ী মো. ফরিদ বলেন, গত কয়েকদিন ধরে সারাদেশে শ্রমিক ধর্মঘটের কারণে গাড়ী পাওয়া যাচ্ছে না তাই মানুষ মনে করছে লবণের সংকট পড়েছে। তবে গাড়ী সংকটের কারণে লবণের দাম কিছুটা বেড়েছে।

উপজেলার বেতুয়া গ্রামের লবণ কিনতে আসা মোছা: আনোয়ারা বেগম বলেন, আগে যে মোটা লবণ ১ কেজি ২০ টাকা দিয়ে কিনতাম, সেই মোটা লবণ আজকে ৩০ টাকা দিয়ে কিনলাম।

ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা: নাসরীন পারভীন বলেন, লবণ সংকেটর বিষয়টি সম্পূর্ণ একটি গুজব। আমরা উপজেলা প্রশাসন থেকে গুজবে কান না দেয়ার জন্য মাইকিং করেছি। কোন ব্যবসায়ী লবণ সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আসলাম হোসাইন বলেন, লবণের বিষয়টি শোনার পর থেকে বাজার মনিটরিং করছি।
Gator Website Builder

সময় নিউজ২৪.কম/এমএম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *