মাটির বাটি তৈরীকরে সংসারে সফলতা এনেছেন মজিদা ও মহিদুল দম্পতি

শহিদুল ইসলাম জি এম মিঠনঃ
মাটি পুড়িয়ে দই ভরার বাটি তৈরি ও বিক্রিকরে হাঁসি মুখেই সংসার চালাচ্ছেন মজিদা বিবি ও মহিদুল ইসলাম দম্পতি। মজিদা বিবি ও মহিদুল ইসলাম দম্পতি গাইবান্ধা জেলা সদর উপজেলার আরিফ খাঁ গ্রামে বসবাস করেন। ঐ গ্রামেই এদম্পতি দইয়ের জন্য মাটির বাটি তৈরি করে বিক্রি করে সংসার চালাচ্ছেন তারা। ইং ২০১২ সালের শেষের দিকে মহিদুল ইসলাম গাজীপুরএ একটি মিষ্টির দোকান (কারখানায়) কাজ নেন। কাজ করা অবস্থায় সেখানে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় তিন মাসের জন্য ভারতে মিষ্টির বাটি বানানোর প্রশিক্ষণে যান তিনি। এরপর ইং ২০১৭ সালে দেশে ফিরে গাজীপুর এর একটি দইয়ের বাটি তৈরির কারখানায় চাকরি নেন এবং ২০১৭ সালের শেষের দিকে মহিদুল ইসলাম নিজ গ্রামে চলে আসেন। ১২ শতক জায়গার ওপর স্বামী-স্ত্রী মিলে মাটিদিয়ে দইয়ের বাটি তৈরির কারখানার কার্যক্রম শুরু করেন। কারখানাটি চালু করার পরই তাদের মুখে হাঁসি ফুটে। ইতিমধ্যেই এদম্পতি কারখানায় বাটি তৈরির বিভিন্ন মেশিন স্থাপন করে কারখানাটিতে মাটিরবিভিন্ন ধরনের বাটি তৈরি করেন। এই দইয়ের বাটিগুলো খুবই উন্নত। এগুলো পাঠানো হয়  রাজধানী ঢাকা শহর সহ, নাটোর, নীলফামারী, গাজীপুর সহ দেশের বিভন্ন জেলায় বলেও জানিয়েছেন এ সফল দম্পতি। দইয়ের বাটি তৈরির কারখানা থেকে মজিদা বিবি ও মহিদুল ইসলাম ইতিমধ্যেই প্রতি মাসে প্রায় লাখ টাকা আয় করেন। এদম্পতি জীবন-সংসারে আরো রয়েছেন, মহিদুলের বাবা-মা ও তাদের দুই ছেলে। সবাইকে নিয়ে ভালোই আছেন এ দম্পতি।
সফল এ দম্পতি ইতিমধ্যেই ১৫ জন বেকার মানুষকে এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে নিজেদের কারখানার কাজে লাগিয়েছেন। মজিদা বিবি বলেন, আমি এখন সরকারি সহায়তা ও সিরামিকের পাত্র তৈরির প্রশিক্ষণ পেতে আগ্রহী প্রশিক্ষনটি পেলে আমরা আরও মানুষের কর্মসংস্থান করে দিতে পারব বলেও জানান মজিদা বিবি।
সরকারি সহায়তা পেলে মজিদা বিবি ও মহিদুল ইসলাম দম্পতি  আরও উন্নতি করতে পারবেন এবং একই সাথে এলাকার লোকজনকেও কর্মদিতে পারবেন বলেই বিস্বাস করেন সচেতন মহল।
সময় নিউজ২৪.কম/এমএম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *