মিঠুন ভদ্র উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হচ্ছেন

 

হাজীগঞ্জ প্রতিনিধি :

হাজীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মিঠুন ভদ্র। জাতীয় পার্টি আর বিএনপি সরকারের শাসনামলে ২৯ মামলায় ২৯ বার কারাভোগকারী মিঠুন ভদ্র আওয়ামী লীগের জন্যে ত্যাগী আর পরীক্ষিত এক নেতৃত্বের নাম।

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় জোটের সন্ত্রাসীরা হাজীগঞ্জের টোরাগড় এলাকায় রেলপথে নিয়ে যায় তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে। ঐ স্থানে স্থানীয়দের তোপের মুখে তিনি সেখান থেকে জীবিত ফিরে আসতে সক্ষম হন। একই বছর হাজীগঞ্জ বাজারস্থ একটি আবাসিক হোটেলে ডেকে নিয়ে গুলি করে জোট সন্ত্রাসীরা।

গুলি লক্ষভ্রষ্ট হওয়ার কারণে সে যাত্রায় বেঁচে যান তিনি। সাধারণ ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহকারী এই ত্যাগী নেতা আওয়ামী লীগের এই স্বর্ণযুগে এসেও থেকেছেন সকল লোভ-লালসার ঊর্ধ্বে। তবে সাধারণ সম্পাদক পদে তিনি নেতৃত্বে আসলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নে সকল দায়িত্ব আর সত্যিকার আওয়ামী লীগ সমর্থক আর ত্যাগী অবহেলিতদের মূল্যায়ন করবেন বলে চাঁদপুর কণ্ঠকে এক প্রতিক্রিয়ায় জানান।

স্বাধীনতার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের রাজনীতিতে বিশ্বাসী আর মহান মুক্তিযুদ্ধের ১নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি) নির্বাচনী এলাকার মাননীয় সংসদ সদস্য মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম এমপির আদর্শিক অনুপ্রেরণায় রাজনীতি করছেন সত্য ব্রত ভদ্র মিঠুন।

হাজীগঞ্জ পৌর এলাকার মকিমাবাদ গ্রামের মৃত অরুণ কুমার ভদ্রের ছেলে সত্য ব্রত ভদ্র মিঠুন গ্রাজুয়েশন সম্পন্নকারী। তার একমাত্র সন্তান ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিষয়ে পড়ালেখা করছেন। ১৯৮৩ সালে শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদের সহ-সভাপতি পদে আসীন হয়ে রাজনীতিতে হাতেখড়ি হয় মিঠুন ভদ্রের। এর পরে রাজনীতিতে আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে।

১৯৮৭ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ হাজীগঞ্জ উপজেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক ও ১৯৮৯ সাল একই সংগঠনের সহ-সভাপতি পদে আসীন হন আর সর্বশেষ বাংলাদেশ ছাত্রলীগ হাজীগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি পদে নির্বাচিত হন ১৯৯২ সালে।

২০০৬ সালে বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবক লীগ চাঁদপুর জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক ও ২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ হাজীগঞ্জ উপজেলা শাখার সদস্য পদে আসীন হন। ১৯৮৬-১৯৯৫ ও ২০০২-২০০৫ সময়কালে এরশাদবিরোধী আন্দোলন এবং বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময় ২৯টি মিথ্যা মামলায় ২৯ বার আটক হয়ে কারাবরণ করেন।

ওয়ান ইলেভেনের সময় যৌথবাহিনীর হাতে আটক হয়ে কারাবরণ করেন। ছাত্রলীগের দায়িত্ব পালনকালে ২৫টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১৪টি মাদ্রাসা, ৪টি কলেজ, ১টি পৌরসভা, ১১টি ইউনিয়ন, ১০৮টি ওয়ার্ড শাখা ছাত্রলীগের কার্যকরী কমিটি গঠন করেছেন সফল নেতৃত্বের মাধ্যমে। সেই সময় উপজেলাসহ বিভিন্ন শাখা ছাত্রলীগে মেধাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে আনার কারণে ওই সকল ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা সময় আর বয়সের কারণে আজকে আওয়ামী লীগের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে।


সময় নিউজ২৪.কম/এমএম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *