মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে সৈয়দপুরে ৩৪ গৃহহীন পরিবার পেলেন জমি সহ গৃহ।

সুজন মহিনুল,নীলফামারী প্রতিনিধি।।
মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে আশ্রয়ণ- ২ প্রকল্পের আওতায় নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলায় ৩৪টি ভূমি ও গৃহহীন পরিবারের কাছে জমি সহ গৃহ হস্তান্তর করা হয়েছে।শনিবার(২৩ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সারাদেশে একযোগে এসব ঘর হস্তান্তর কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এ উপলক্ষে সৈয়দপুর উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের নিজবাড়ী আশ্রয়ণ পল্লীতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হলে সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাসিম আহমেদ স্থানীয় আশ্রয়ণ প্রকল্পের বিষয়ে তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরেন। পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কামারপুকুর আশ্রয়ণ প্রকল্পের সুবিধাভোগী আরজিনা বেগমের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন।সুবিধাভোগীদের হাতে ঘরের চাবি ও বাড়ির কাগজপত্র হস্তান্তর করা হয়।
এ সময় জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে রচিত একটি ভাওয়াইয়া সংগীত পরিবেশন করেন স্থানীয় শিল্পীরা।এসময়ে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আদেলুর রহমান আদেল, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য রাবেয়া আলীম, রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল ওয়াহাব মিঞা, নীলফামারী জেলা প্রশাসক হাফিজুর রহমান চৌধুরী,অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার(সার্বিক) জাকির হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) আজহারুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব) খন্দকার নাহিদ হাসান, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মীর্জা মিরাদ হাসান বেগ, নীলফামারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমান, নীলফামারী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা জয়নাল আবেদীন, নীলফামারী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ, নীলফামারী জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার কান্তি ভূষন কুন্ডু, সৈয়দপুর উপজেলা চেয়ারম্যান মোখছেদুল মোমিন ও সৈয়দপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মহসিনুল হক মহসিন সহ সুবিধাভোগীরা।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় কামারপুকুর ইউনিয়নের নিজবাড়ী এলাকায় দুইশতক সরকারি খাস জমিতে এসব দৃষ্টিনন্দন ৩৪টি ঘর নির্মাণ করা হয়। উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধায়নে প্রতিটি ঘর নির্মাণে ব্যয় হয়েছে এক লাখ ৭১ হাজার টাকা। প্রতিটি ৩৯৪ বর্গফুট আয়তনের ইটের দেয়াল, কংক্রিটের মেঝে এবং টিনের ছাউনি দিয়ে তৈরি দুই কক্ষবিশিষ্ট সেমিপাকা ঘরে একটি টয়লেট, একটি রান্নার কক্ষ, ইউটিলিটি স্পেস ও বারান্দা রয়েছে।
সময় নিউজ২৪.কম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *