//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js


মোংলায় যৌতুক না পেয়ে স্বামী ও শ্বশুর-শ্বাশুরীর নির্যাতনে গৃহবধু রক্তাক্ত জখম

মোংলা প্রতিনিধি:

মোংলায় যৌতুকের দাবীতে পৃত্তিহারা সোনিয়া আক্তার নামের এক গৃহবধুকে স্বামী ও শশুর-শাশুরী মেরে রক্তাক্ত জখম করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।শুক্রবার দুপুরে পৌর শহরের ৭নং ওয়ার্ড জয়বাংলা সড়কে এ ঘটনা ঘটেছে।এ ব্যাপারে স্বামী সহ শ্বশুর শ্বাশুরীকে আসামী করে মোংলা থানায় অভিযোগ দেয়া হয়েছে।সনিয়ার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নতচিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেলে নেয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে জানায় চিকিৎসক।

থানার অভিযোগ সুত্রে ও স্বজনরা জানায়, চিলা ইউনিয়নের বৈদ্যমারী গ্রামের আঃগনি মিয়ার মেয়ে সোনিয়া আক্তার, ছোট বেলায় বাবাকে হারিয়ে মায়ের কোলে মানুষ হলেও ৭ বছর বয়সে তাকে রেখে অন্যাত্র বিয়ে করে চলে যায় মা রাজিয়া বেগম। বড় হয় দাদীর কাছে। ৭ বছর আগে মোংলা পোর্ট পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের আলী আজমের ছেলে আলমগীর হোসেন’র সাথে বিয়ে হয় সোনিয়া আক্তারের।সুখেই চলছিল তাদের সংসারীক জীবন, দাম্পত্য জীবনে তাদের ৫ বছর বয়সের একটি কন্যা সন্তানও রযেছে।

সন্তান হওয়ার পর বিয়ের কিছু দিন যেতে না যেতেই সোনিয়ার উপর শুরু হয় স্বামী ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে যৌতুকের জন্য শাররীক ও মানষিক নির্যাতন।দাবী করে মোটাঅংকের যৌতুক, বাবা নাই তাই স্বামীর দাবীকৃত যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় াারো বেশী নির্যাতন চালায় স্বামী সহ তার পরিবারের লোকজন। অন্যে সংসার কথা মা রাজিয়া বেগম মেয়ের ষুখের জন্য মালামাল সহ কিছু টাকাও দেয় আলমগীরকে। কিন্ত তাতেও বন্ধ হয়নী সোনিয়ার উপর শাররীক ও মানসিক নির্যাতন।

শ্বশুর বাড়ী থেকে দাবীকৃত যৌতুক না পেয়ে হঠাৎ কয়েকদিন যাবত কোলের ছোট শিশুকে অন্যাত্র রেখে ইপিজেড গার্মেন্সে কাজ করার জন্য চাপ প্রয়োগ করতে সাথে স্বামী আলমগীর। এতে সে রাজী না হওয়ায় প্রায়ই বেধরক মারধরও করতো স্বামী আলমগীর।শুক্রবার দুপুরেও পুনরায় যৌতুকের দাবীতে সোনিয়াকে বেধরক পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে স্বামী। এসময় সোনিয়া প্রতিবাদ করায় শ্বশুর আলী আজম ও শ্বাাশুরী আসিয়া বেগমও পুত্রবধু সোনিয়াকে মেরে অচেতন করে ফেলে রাখে।

এসময় সোনিয়ার আর্তনাতে তার স্বজনরা ও প্রতিবেশী লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে মোংলা উপজেলাস্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল হাসপাতালে নেয়ার পরামর্শ দেয় কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাঃ সিরাজুল ইসলাম। এব্যপারে মা রাজিয়া বেগম বাদী হয়ে স্বামী আলমগীর, শ্বশুর আলী আজম ও শ্বাশুরী আসিয়া বেগমকে আসামী করে মোংলা থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

মোংলা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মাদ মনিরুল ইসলাম জানান, পৌর শহরের জয়বাংলা সড়কের সোনিয়া আক্তার নামের এক গৃহবধুকে মারধরে ঘটনায় অভিযোগ দেয়া হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত করে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহনের আশ্বাস পুলিশের এ কর্মকর্তার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


//pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js
%d bloggers like this: