মোংলা রামপালের অপরাধের স্বর্গরাজ্য ভেঙ্গেছেন তালুকদার আব্দুল খালেক ও তার সহধর্মিণী উপমন্ত্রী

মাসুদ রানা,মোংলাঃ
১৯৯১ সালের আগে রামপাল মোংলা ছিলো অপরাধের স্বর্গরাজ্য।  প্রতি দিন এখানে ঘটতো নানা ধরনের অপরাধ যেমন : খুন, ডাকাতি, চুরি,ধর্ষন, মাছের ঘের দখল নিয়ে মারামারি এবং মামলা মোকদ্দমায় পরিপূর্ণ ছিলো রামপাল  মোংলার উপজেলায়। মোংলা রামপালের বিভিন্ন সুত্র থেকে জানা, সেই আমলে বড় ক্যাডার রামপাল মোংলার  মানুষের আতঙ্ক রাজ্জাক হাওলাদার সহ অনেকে, সাধারণ মানুষের মাছের ঘের, ধানের জমি  জিম্মি করে দখল করতো, কেউ যদি তাদের বিরোধিতা করেছে তবে তাকে হত্যা করে টুকরো টুকরো করে লাশ নদীতে ফেলে দিতো। সেই সময়ের ইতিহাস এখনো সবার ই জানা। রামপাল মোংলার বড় বড় মাছের ঘের, ধানের জমি বহিরাগত ক্যাডারদের দখলে ছিলো, যাদের ইন্ধন দাতা ছিলো রাজ্জাক হাওলাদার সহ অনেকে। সাধারণ মানুষ ভয় ভীতিতে দিন যাপন করতো।
১৯৯১ সালে শেখ হাসিনা রামপাল মোংলার জন্য  তালুকদার আবদুল খালেক সাহেবকে নৌকা প্রতিক দিলেন, তখন দক্ষিনাঞ্চলে মানুষের জীবন ধারা ছিলো অনেক নিম্নমানের। রাস্তা, ব্রিজ, কালভার্ট কিছু ই ছিলো না, যোগাযোগের একমাত্র   বাহন ছিল নৌকা ।১৯৯১ সালের জাতীয় নিবার্চনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করে নৌকা প্রতীক নিয়ে তালুকদার আব্দুল খালেক আর সরকার গঠন করে বি এন পি। পরবর্তীতে   ১৯৯৬ সালের জাতীয় নিবার্চনে বিপুল ভোটে জয় লাভ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং  রামপাল মোংলা থেকে জননেতা তালুকদার আবদুল খালেক। তখন থেকে দিন দিন রামপাল মোংলা বাসীর জীবন যাএায় উন্নয়নের হাওয়া লাগে। বিতাড়িত করেন রাজ্জাক হাওলাদার সহ বড় বড় ক্যাডারদের।  তালুকদার আবদুল খালেক গ্রামে গ্রামে একটি স্লোগান দিলেন জমি যার ঘের তার তার।কমে আসে খুন, রাহাজানি, ধষর্ন,ডাকাতি, কমতে থাকে থানার মামলা মোকদ্দমা। সেই থেকে তৈরি হতে থাকে রাস্তা ঘাট, কালভার্ট, ব্রিজ , স্কুল সহ নতুন নতুন স্থাপনা। রামপাল মোংলা থেকে বড় বড় ক্যাডার বাহিনী বিতারিত হলেও তাদের কিছু অনুসারী আজও রয়ে গেছে আনাচে কানাচে বলে বিশ্বস্ত সুত্রে জানা যায়।২০০১ সালের নিবার্চনেও বিপুল ভোটে জয় লাভ করে নৌকা প্রতীক নিয়ে  তালুকদার আবদুল খালেক কিন্তু অন্য দিকে সরকার দলে ক্ষমতায় আসে বি এন পি সরকার।
আবারও অপরাধের স্বর্গরাজ্য সৃষ্টি হয় রামপাল মোংলায় এবং ফেরত আসে রাজ্জাক হাওলাদার বাহিনী সহ অনেকে, পুনরায় শুরু হয় খুন, রাহাজানি,ডাকাতি, চাঁদাবাজি, ধষর্ন এর মতো বড় বড় অপরাধ সমুহ।২০০৮ সালে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের  নির্বাচন করে জয় লাভ করে চলে গেলেন তালুকদার আঃ খালেক । অভিভাবক শূন্য হয়ে পড়ে  রামপাল মোংলা।তখন তালুকদার আব্দুল খালেকের কাছ থেকে চেয়ে নেন রামপাল মোংলা বাসী তারই সহধর্মিণীকে, কারন রামপাল মোংলা বাসী একটু শান্তিতে বাঁচতে চায় নিশ্চিন্তে ঘুমাতে চায়। সেই সময়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নৌকা প্রতীক দিলেন বেগম হবিবুন নাহার কে।
২০০৮ সালে জাতীয় নিবার্চনে বাতাস লাগে নৌকার পালে, ঘুরে দাঁড়ায় সরকার আবারও ক্ষমতায় আসেন বিপুল ভোটে  শেখ হাসিনা এবং রামপাল মংলা থেকে পুনরায় বিপুল ভোটে জয় লাভ করে  বেগম হাবিবুন নাহার সেই সময়েও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান  বেগম হাবিবুন নাহার এমপি সন্ত্রাসীদের বিতাড়িত করেন রামপাল মোংলা থেকে, কিন্তু সবসময় খারাপ জিনিসের শেকড় উপরে ফেললেও তার কিছু শেকড়ের অংশ থেকে যায় মাটির নিচে, ঠিক তেমনি সন্ত্রাসীদের প্নেত্ন আত্মা থেকে যায় রামপাল মোংলার আনাচে কানাচে বলেও জানা যায় বিশ্বস্ত সুত্র থেকে।। ক্ষতি করার লক্ষ্যে সর্ব সময়   অগোচরে তার বিরোধিতা শুরু করেন, কারন ওদের সন্ত্রাসের রাম রাজ্যের বড় বাঁধা  বেগম হাবিবুন নাহার এমপি।কিন্তু তাই বলে  শত্রু ভয়ে থেমে থাকেনি সেই থেকে আজ অবধি নিরঅলস ভাবে সাধারণত মানুষের সুখে দুঃখে পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। বেগম হাবিবুন নাহার  বন পরিবেশ  ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয়ের  উপমন্ত্রী হলেও চলাফেরা সাধারণ মানুষের মতো, ভ্যান চালক থেকে যে কোন সাধারন মানুষ অভিযোগ নিয়ে তার কাছে আসতে পারে অনায়াসে, আর তাদের কোন মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না। ফোন দিলেও সরাসরি তারাই রিসিভ করেন এবং তাৎক্ষণিক সমস্যার সমাধান করেন।  তিনি  ছুটে যান দেখতে তার দলের সাধারণ কোন নেতা কর্মী শারীরিক অসুস্থ হলে তার বাড়ী পর্যন্ত। দিন রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে রামপাল মোংলার আনাচে কানাচে ঘুরে বেড়িয়ে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রেখেছেন তিনি।
এখানকার সাধারন মানুষরা বলেন, আমাদের পাশে তারা আছেন বলে রামপাল মোংলার মানুষ দু – বেলা পেট পুরে খেতে পায় এবং থাকতে পারে পরিবার নিয়ে সুখে শান্তিতে ,ঘুমাতে পারি  নিশ্চিন্তে। হতে হয় না আগের মতো মানুষিক শারীরিক নির্যাতিত নিপীড়িত। তাই আমরা আমাদের শরীরের সম্পূর্ণ রক্ত দিয়েও তাদের ঋন শোধ করতে পারবো না কোনদিন।রামপাল মোংলার অভিভাবক হিসাবে পেয়ে তার ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তারা আরো বলেন আমাদের পাশে তারা আছেন থাকবেন সবসময়, আমরাও রামপাল মোংলা বাসী তাদের পাশে আছি  সারাজীবন থাকবে বলেও  জানায় তারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *