যে সকল কারণে বরখাস্ত হলেন দুদক পরিচালক এনামুল

অনলাইন ডেস্ক:

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি। তদন্ত চলাকালে তদন্তাধীন তথ্য অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছে পাচার ও শৃঙ্খলা ভঙ্গ করার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পুলিশের বিতর্কিত উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানের কাছ থেকে ঘুষ নেয়ার অভিযোগ ওঠার পর এই পদক্ষেপ।

তবে দুদক চেয়ারম্যান দাবি করেছেন, মিজানের অভিযোগে বাছিরকে সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। তার জায়গায় নতুন কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আর বাছিরের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক সিদ্ধান্ত শুধুই কমিশনের তথ্য পাচার ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে।গত ছয় মাস ধরে এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কথোপকথনের অডিও রেকর্ড ফাঁস হয়ে যায়। রেকর্ড অনুযায়ী চলতি বছরের জানুয়ারিতে প্রথমে ২৫ লাখ ও পরে ১৫ লাখ টাকা দিয়েছেন মিজানুর। কিন্তু গত ২ জুন খন্দকার এনামুল বাছির ডিআইজি মিজানুরকে জানান, তিনি প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। তবে দুদক চেয়ারম্যান ও কমিশনারের চাপে তাঁকে অব্যাহতি দিতে পারেননি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মিজানুর টাকাপয়সা লেনদেনের সব কথা ফাঁস করে দেন। প্রমাণ হিসেবে হাজির করেন এনামুল বাছিরের সঙ্গে কথোপকথনের একাধিক অডিও রেকর্ড। এ বিষয়ে  সংবাদ প্রচার হওয়ার পর তাৎক্ষণিক দুদক পরিচালক এনামুল বাছিরের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করে দুদক। কমিটির প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় দুদকের কমিশনারের বিরুদ্ধে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা ও তাঁকে দুদক পরিচালকের পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

দুদক পরিচালক এনামুল বাছির তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। সোমবার এক প্রতিক্রিয়ায় দুদক চেয়ারম্যান গণমাধ্যমকে জানান: পুলিশের ডিআইজি মিজানুর রহমানের কাছ থেকে দুর্নীতি দমন কমিশন পরিচালক খন্দকার এনামুল বাসিরের ঘুষ নেয়ার অভিযোগের তদন্ত চলছে।

সময়নিউজ২৪.কম/ এ এস আর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *