রাবি ছাত্রলীগ নেতাকে ‘ফাঁসানোর চেষ্টা’; নিরাপত্তা চেয়ে থানায় জিডি

 Gator Website Builder

রাবি প্রতিনিধি:
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক ছাত্রলীগ নেতার নামে ফেসবুকে অসত্য তথ্য উপস্থাপন করে আসন্ন সম্মেলন থেকে দূরে রাখার চেষ্টা চলানো হচ্ছে বলে দাবি করা হয়। এ ঘটনায় নিজের নিরাপত্তা চেয়ে নগরীর মতিহার থানায় সাধারণ ডায়েরি (ডিজি) করেছেন ওই ছাত্রলীগ নেতা।বুধবার দুপুরে বিশ^বিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ায় এক সংবাদ সম্মেলনে
এসব তথ্য জানান তিনি।

ওই ছাত্রলীগ নেতার নাম মেজবাহুল ইসলাম। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ও বিশ^বিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী। মেজবাহুলের দাবি, আসন্ন রাবি ছাত্রলীগের সম্মেলন থেকে দূরে রাখতেই তার বিরুদ্ধে এসব ‘ষড়ষন্ত্রের জাল’ ছাড়ানো হচ্ছে।

এর আগে তিনটি ফেসবুক আইডি থেকে মেজবাহুল ইসলামের বিরুদ্ধে কয়েকটি অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগগুলো হলো, তার বাবা সন্ত্রাস বিরোধী আইনের চার্জশীটভুক্ত আসামি, বড়ভাই ছাত্র শিবিরের সাবেক উপজেলা সভাপতি, তিনি নিজে ছাত্র শিবিরের সহ-সভাপতি ছিলেন এবং তার মামা উপজেলা জামাতের আমীর।

বুধবার সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মেজবাহুল ইসলাম জানান, তিনটি ফেক ফেসবুক আইডি থেকে তার ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে অসত্য তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। এসময় তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের ব্যাখ্যা দেন তিনি। তিনি বলেন, তার বাবা স্থানীয় আওয়ামী লীগের সক্রিয় কর্মী। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ বিরোধী সকল সামাজিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন তার বাবা। যদিও তার বাবাকে রাজনৈতিকভাবে প্রতিহত করার জন্য দিনাজপুর সদর থানায় সন্ত্রাস দমন আইনের চার্জশীটভুক্ত আসামী করা হয়। তার বাবাকে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে’ ওই মামলায় জড়ানোর হয়েছে দাবি করেন তিনি।

দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতির দেয়া প্রত্যয়ন পত্র সাংবাদিকদের হাতে দেন। এসব প্রত্যয়ন পত্রে তার বাবাকে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার চেতনায় বিশ^াসী বলে উল্লেখ করা হয়। তিনি বলেন, ওই মামলার শুনানি চলছে, দ্রুতই মামলা থেকে আইনি প্রক্রিয়ায় অব্যাহতি পাবেন তার বাবা।তার বড়ভাই বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগও রাজনেতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন তিনি।

ছাত্র শিবিবের সহ-সভাপতি পদে থাকার অভিযোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, শিবিরে সহ-সভাপতি বলে কোন পদ নেই। তার দাবি, আসন্ন সম্মেলন থেকে দূরে রাখার জন্যই এসব ‘ষড়ষন্ত্রের জাল’ ছড়ানো হচ্ছে। তার মামার বিষয়ে বলেন, মামার রাজনৈতিক আদর্শ তার ব্যক্তিগত ব্যাপার বলে মনে করেন তিনি।

জানতে চাইলে মেজবাহুল ইসলাম বলেন, ‘‘ক্যাম্পাসের একটি ‘চক্র’ ও এলাকার একটি ‘ক্ষুদ্র অংশ’ সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্যই ফেসবুকে আমার নামে অসত্য তথ্য উপস্থাপন করেছে।’’ দ্রুতই ওই ফেসবুক আইডি চিহিৃত করে দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করার জন্য আইনি সহায়তা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।
Gator Website Builder

সময় নিউজ২৪.কম/এমএম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *