লকডাউনে গাইবান্ধায় পুলিশ টহল হলেই বন্ধ হয়ে যায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের শার্টার

সরকার লুৎফর রহমান,গাইবান্ধাঃ
লকডাউনের ৭ম দিনে গাইবান্ধা শহরের বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্দেশনা অমান্য করে খোলা ছিল। কিন্ত’ পুলিশ টহল ভ্যানের সাইরেন শুনেই দোকানপাটের শার্টার বন্ধ করে ব্যবসায়ীরা। আবার পুলিশ ভ্যান চলে গেলেই শার্টার খুলেই চলে বেচাকেনা। কোন কোন ক্ষেত্রে শার্টার খুলে গ্রাহককে দোকানের ভেতরে নিয়ে শার্টার বন্ধ করে চলছে বেচাকেনা। এভাবেই চলছে গাইবান্ধা জেলা শহরের সান্দারপট্টি, কাচারী বাজার, স্টেশন রোড, বড় মসজিদ মোড়, সার্কুলার রোড, পিকে বিশ্বাস রোড, পুরাতন ও নতুন ব্রীজ সংলগ্ন এলাকা, বাস-টার্মিনাল এলাকা। বিশেষ করে স্টেশন রোডের ইসলাম প্লাজায় এই প্রবণতা আরও বেশী।
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে দেশব্যাপী ‘সর্বাত্মক’ পুলিশ ও প্রশাসনের কড়াকড়ি থাকলেও নির্দেশনা থাকলেও রাস্তায় মটর সাইকেল, সিএনজি-অটোবাইকসহ ছোট ছোট যানবাহন ও মানুষ অবাধে চলাচল আরও বেড়েছে।
জেলা শহরের কাচা বাজারগুলোতে ছিল উপচেপড়া ভীড়। এছাড়া জেলার গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন দোকানপাট ও হাট-বাজারগুলোতে লকডাউন বা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কোন বালাই নেই। জেলার পলাশবাড়ী উপজেলা পৌরসভা এলাকায় অধিকাং খোলা থাকছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মামলা ও অর্থ জরিমানা করছে তবে পুলিশি টহল নেই বল্লেই চলে।
লকডাউনে সাধারণ মানুষের অনিহাও লক্ষ্য করার মত। উপজেলার ছোট ছোট বাজারগুলোতে গিয়ে লকডাউনের কোন লক্ষন চোখে পড়েনা তবে প্রশাসন উপস্থিত হওয়া বা খবরে দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয় এবং প্রশাসন স্থান ত্যাগ করলেই দোকানপাট খোলা হচ্ছে। অনেকটা চোর পুলিশ খেলা খেলছে সকলেই।
সময় নিউজ২৪.কম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *