শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের অহংকার-কাজী মোরশেদ আলম

Search and buy domains from Namecheap
https://www.namecheap.com/domains/domain-name-search.aspx

শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের অহংকার। তাঁর নেতৃত্বে আমরা পেয়েছি স্বাধীন রাষ্ট্র। বাল্যকাল
থেকেই শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বের স্ফুরণ ঘটেছিল। নেতৃত্বের গুণাবলি ধীরে ধীরে বিরাট মহিরুহে পরিণত হয়। মহিরুহের শাখা প্রশাখার বিস্তৃতি ঘটে।

তাঁর নেতৃত্বের গুণাবলী দেখে আমরা অবাক হয়ে যাই। দেশের স্বাধীনতার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে দেশকে স্বাধীন করে দেশের মানুষকে আনন্দে উজ্জিবিত করেছেন। দেশের মানুষ পরাধীনতা থেকে রক্ষা পেয়ে পরম তৃপ্তি ও প্রশান্তি লাভ করেছেন। তিনি সারা বিশে^ ভূষিত হলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী। আমাদের অন্তরে বঙ্গবন্ধু হয়ে রইলেন সুবাসিত গোলাপ হয়ে।

১৯৭১ সালে তাঁর নেতৃত্বে দেশ স্বাধীন হয়, আর দেশের নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ। ৯ মাস যুদ্ধ করে আমরা হারিয়েছি অনেক তাজা প্রাণ, হারিয়েছি ধন সম্পদ। অবশেষে স্বাধীনতা অর্জন করি। এমন এক অবস্থায় বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছিল তখন অকস্মাৎ শোচনীয় ভাবে বাধার সৃষ্টি হলো।

বঙ্গবন্ধু যদি বেঁচে থাকতেন তাহলে বাংলাদেশের অবস্থা হতো অনেক উন্নত। ১৯৭৫ সালে তাকে হত্যা করে বাংলাদেশের উন্নতি রহিত করে দিলো। অর্থনীতির উজ্জ্বল মুখ থুবড়ে পড়ে গেলো।এমনটি করা কোনোমতেই ঠিক ছিলো না। বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারকে যারা হত্যা করে বাংলাদেশকে ব্যাপক ক্ষতি করেছে তারা রক্ষা পাইনি।

কারোর কারোর বিচার হয়েছে এবং কেউ কেউ পলাতক রয়েছে। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালীকে
যারা হত্যা করেছে তারা জঘন্যতম নিষ্ঠুর কুত্তা। এই নিষ্ঠুর কুত্তারা হৈ চৈ বীভৎস রূপে বঙ্গবন্ধু ও
তাঁর পরিবারকে করলো রক্তে রঞ্জিত। পবিত্র রক্তের ¯্রােতে বঙ্গবন্ধু চলে গেলেন না ফেরার দেশে। শেখ মুজিবুর রহমান তুমি চির অমর।

২৬ মার্চ আমরা নিরলস পরিশ্রমে স্বাধীনতার যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিলাম। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার জনক। স্বাধীনতার জন্য আমরণ সংগ্রাম করেছেন। আমাদের রাষ্ট্রের
নাম তখন বাংলাদেশ ছিলনা, পূর্ব পাকিস্তান ছিল। পশ্চিম পাকিস্তান শাসকরা আমাদেরকে ভালো
চোখে দেখেনি। আমাদের ভাষাকেও রুদ্ধ করতে চেয়েছিলো। শুধু ভাষা নিয়ে ষড়যন্ত্র করেনি।

আমাদের চাকরী, শিক্ষা, খাদ্য এবং নানা দিক দিয়ে দুর্নীতির আখড়ায় জড়িয়ে পাকিস্তানিরা
নৃশংসভাবে পরম কষ্ট দিয়েছে। ফলশ্রুতিতে দুর্ভিক্ষ পিড়িত অবস্থায় আমরা ছিলাম। এসব কষ্ট
থেকে রক্ষা পেতে শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ডাক দেন। শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে যুদ্ধ
করে বুকের রক্ত দিয়ে এ দেশ স্বাধীন করা হয়েছে।

যিনি স্বাধীনতার জন্য এতো কষ্ট করেছেন তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে নির্মম ভাবে হত্যা করা হয়েছে। যা কোনোমতেই গ্রহণযোগ্য নয়।সারা বিশে^র মানুষ বঙ্গবন্ধুর শৌর্যবীর্যের প্রশংসা করেছেন। শেখ মুজিবুর রহমান দেশের স্বাধীনতার জন্য ও স্বাধিকার আন্দোলনে বহু বছর অনেক কষ্ট করেছেন কিন্তু তাকে হত্যা করা ঠিক ছিল না। যারা নির্মম ভাবে তাঁকে হত্যা করে তেলেসমাতি দেখালো, তারা সত্যিই নিষ্ঠুরতার পরিচয় দিয়েছে।

রক্তের বিনিময় নিরংকুশ বিজয় লাভ করে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। এ স্বাধীনতা
নিঃশঙ্কচিত্তে অবশ্য বজায় রাখবো। বাতিলের দর্প অহঙ্কার চূর্ণ করে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা আমরা
রক্ষা করবো। অবৈধ শক্তির কোনো তর্জন গর্জন করবো না কোনো ভয়। সামনের দিয়ে এগিয়ে
যাবো বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ শক্তিশালি করার জন্য। স্বাধীনতার স্বাদ আমরা পেয়েছি এবং আরো
পাবো। আমাদের দেশের মাটি খুব উর্বর। দেশের কাজে দশের কাজে আমরা থাকবো ঐক্যবদ্ধ।

মুক্তিবাহিনীরা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছেন। ধন্য মুক্তিবাহিনী, সৃষ্টি করলো গর্ব কাহিনী। মুক্তিযোদ্ধারা শ্রেষ্ঠ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কারণে। বঙ্গবন্ধু মুক্তিবাহিনী গঠন করেছেন। দেশকে স্বাধীন করেছেন, সৌহার্দ্য সম্প্রীতি বজায় রেখেছেন।

তাইতো শ্রদ্ধা ভরে বঙ্গবন্ধুকে করছি স্মরণ। করছি দোয়া যেনো তাঁকে বেহশতবাসী করে। আমাদের দেশকে স্বাধীন করেছেন দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধ করে। দেশের আবাল বৃদ্ধ জনতার মাঝে বইছে হাসির ঢেউ। এক সাগর রক্তের বিনিময় আমরা পেয়েছি স্বাধীনতা। তুমুল যুদ্ধ করে স্বাধীনতা এনেছি। গলায় আমাদের জয়ের মালা, দুর হয়েছে পরাধীনতার জ¦ালা।

এদিক সেদিক নিরপেক্ষ নির্মোহ পরিস্থিতি ও পরিবেশে ঘুরে বেড়াই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কারণে। তিনি এনে দিয়েছেন মহান স্বাধীনতা। স্বাধীনতার ফলে দেশের প্রান্তরে মাঠে ঘাটে আমারা অবাধে চলি। আমাদের এখন ভীষণ শক্তি। দেশের সুন্দর দৃশাবলী আমাদেরকে আকর্ষণ করে। বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ আমরা করেছি সফল।

আমাদের দেশ হয়েছে শক্তিশালী। আরো শক্তিশালী করবো। শ্রম করে দেশের মাঝে আনবো আলোর প্রদীপ। স্বাধীনতার স্বাদ করছি ভোগ। দেশের কাজে দশের কাজে নিরাশ ও হতোদ্যম হবো না।

বিজয় মাসের মহা নায়ক সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালীর রাজা শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার
জন্য কঠিন সংগ্রাম করে হয়েছেন সফল। পশ্চিমাদের সনে করিনি আপোষ, তাদের অত্যাচারে
হয়েছি নাখোস, নয় মাস যুদ্ধ করে বিজয় এনে দিয়েছে আমাদের তরে। আমরা হয়েছি পরম ধন্য।

বঙ্গবন্ধুর প্রতিবাদী কণ্ঠে বিজয় অর্জন করে আমরা আজ হয়েছি বীরের জাতি। তাইতো বাংলার
ঘরে ঘরে জ¦লছে আলোর বাতি। এ আলোর বাতির দ্বারা চলার পথে সকল বাধা আমরা দুর করেছি
এবং ভবিষ্যতেও করবো। শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন এনে দিয়েছেন। স্বাধীন মানেই নিজের
অধীন। নিজের অধীন তখনই সফলতা লাভ করবে যখন আমরা আত্মনির্ভরশীল হবো। স্বাধীনতা বজায় রাখতে হবে খুব ভালোভাবে। জাতীর জনকের স্বপ্ন পূরণ করেছি।

স্বাধীন মানে ভালো মন্দকে বিচার করে সঠিক ভাবে চলা। আমরা চলেছি সঠিক ভাবে। আমরা স্বাধীনতা এনেছি সঠিক ভাবে থাকার জন্য। স্বাধীন বিহীন নেই কোনো মুল্য। ভালো কাজ করতে হলে অবশ্যই স্বাধীনতা দরকার। যদি চাও করতে ভালো কাজ তাহলে স্বাধীনতা একান্ত দরকার। ভালো কাজ করার লক্ষ্যে স্বাধীনতা অবশ্যই রাখবো বজায়।
বিত্ত বৈভবে স্বাধীনতার ইন্দুকে আমরা অটুট রাখবো। চিরতরে খতম করে দেবো স্বাধীনতার নিন্দুককে। শহীদের পবিত্র রক্ত দ্বারা আমাদের দেশ হয়েছে স্বাধীন। শহীদের রক্ত অনেক মুল্য। আল বদর
আর রাজাকাররা গণতন্ত্রের পোকা। আমরা তাদের দেখিয়ে দিয়েছি আমাদের শক্তি আছে। তারা
আমাদের ভয়ে থরথর করে কেঁপেছে। আমরা তাদের সাথে যুদ্ধ করে স্বাধীনতা এনেছি। স্বাধীনতা
আমাদের দীপ্ত গর্ব। কষ্টার্জিত স্বাধীনতার মান আমরা করেছি বৃদ্ধি। করতে দেয়নি খর্ব। তবে
জবরদস্তিমূলক রাজাকাররা করতে চায় খর্ব। কিন্তু আমরা তাদেরকে দমন করেছি। তাদের মাথা নিচু করে দিয়েছি। তারা পারবে না আর উপরে উঠতে। তাদের সাথে নেই আমাদের কোনো সংশ্রব।

আমাদের লাল সবুজের পতাকা উড়ছে আকাশে। উড়তে থাকবে পত পত করে। বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ
এগিয়ে গেছে তাঁর কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। শহীদের রক্তের সাথে যারা করছে প্রতারণা,
নেই তাদের দেশে থাকার অধিকার। আমরা তাদের বিরুদ্ধে লড়ছি, লড়ে যাবো এই আমাদের দীপ্ত
শপথ।

লেখক———-

কাজী মোরশেদ আলম এম. এ. বি. এড (ডি.এইচ.এম.এস)
প্রধান সম্পাদক- সাপ্তাহিক হাজীগঞ্জ ও হৃদয়ে চাঁদপুর, মোরশেদ
মিডিয়া সাহিত্য গবেষণা কেন্দ্র ।

সময়নিউজ২৪.কম/ বি এম এম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *