সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী যা বললেন (পূর্ণ বক্তব্য)

অনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, হুমকি সবসময় আসে, অনেক হুমকি। সব বলে মানুষকে ভীত করতে চাই না। আমাদের গোয়েন্দাদের কাছে সব তথ্য আছে। তারা সে অনুযায়ী তৎপর। ঈদের দেশের বাইরে ছিলাম। তবু সব তথ্যই আমার কাছে পৌঁছেছে। কিন্তু আমরা প্রস্তুত। আমি সত্যিই বলব, গোয়েন্দা সংস্থা, পুলিশ বাহিনী সবাই খুব আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, হুমকি সবসময় আসে, অনেক হুমকি। সব বলে মানুষকে ভীত করতে চাই না। আমাদের গোয়েন্দাদের কাছে সব তথ্য আছে। তারা সে অনুযায়ী তৎপর। ঈদের দেশের বাইরে ছিলাম। তবু সব তথ্যই আমার কাছে পৌঁছেছে। কিন্তু আমরা প্রস্তুত। আমি সত্যিই বলব, গোয়েন্দা সংস্থা, পুলিশ বাহিনী সবাই খুব আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছে।

সফরের দ্বিতীয় পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী ৩১ মে সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদের আমন্ত্রণে পবিত্র মক্কা নগরীতে অনুষ্ঠিত ওআইসির ১৪তম সম্মেলনে যোগদান করেন। প্রধানমন্ত্রী পবিত্র ওমরাহ পালন ও মহানবী হযরত মোহাম্মদের (সা.) রওজা মোবারক জিয়ারত করেন।

এর পর ৩ জুন ফিনল্যান্ড যান শেখ হাসিনা। সেখানে তিনি ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট সউলি নিনিয়েস্তোর সঙ্গে বৈঠক করেন এবং তার সম্মানে অল ইউরোপীয় আওয়ামী লীগ ও ফিনল্যান্ড আওয়ামী লীগের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় যোগ দেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো চায় না, রোহিঙ্গারা নিজ দেশে ফেরত যাক। বিশ্বের যে দেশেই যাই সেখানেই দেখি সবাই চায়, রোহিঙ্গারা নিজ দেশে ফেরত যাক। সমস্যাটা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো যারা কক্সবাজারে গিয়ে বিলাসবহুল জীবনযাপন করে, তারাই চায় না রোহিঙ্গারা নিজ দেশে ফেরত যাক। কেননা রোহিঙ্গারা ফেরত না গেলেই তাদের সুবিধা।

রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সব দেশই চায় রোহিঙ্গারা তাদের নিজ দেশে ফেরত যাক। সমস্যা হলো মিয়ানমার তাদের নিতে চায় না। তাদের সঙ্গে আমাদের চুক্তি হয়েছে, আলোচনা হয়েছে। কিন্তু মিয়ানমার তাদের নিচ্ছে না।

চীন সফর করে মিয়ানমারকে চাপ দেওয়ার চিন্তা আছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী জুলাই মাসে আমার চীন সফরের পরিকল্পনা আছে। সেখানেও আমি এ বিষয়ে নিয়ে আলোচনা করব। সময়নিউজ২৪.কম/ এ এস আর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *