হাবিপ্রবিতে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনায় বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী এবং জাতীয় শিশু দিবস উদযাপিত

হাবিপ্রবি, দিনাজপুরঃ
মহাকালের আবর্তে অনেক কিছুই হারিয়ে যায়। হারিয়ে যাওয়া এ নিয়মের মধ্যেও অনিয়ম হয় কিছু স্মৃতি, গুটিকয়েক নাম। বাংলা ও বাঙালীর কাছে বঙ্গবন্ধু নামটি তেমনই। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ এ বাঙালীর অবদানের পাশাপাশি তাঁর জন্মের তিথিও চিরজাগরুক থাকবে বাঙালীর প্রাণের স্পন্দনে।
১৯২০ সালের ১৭ মার্চ হাজার বছরের শৃঙ্খলিত বাঙালীর মুক্তির দিশা নিয়ে জন্ম হয় মুজিব নামের এক দেদীপ্যমান আলোক শিখার। এ আলোক শিখা ক্রমে ক্রমে ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র, নিকষ কালো অন্ধকারের মধ্যে পরাধীনতার আগল থেকে মুক্ত করতে পথ দেখাতে থাকে পরাধীন জাতিকে।
অবশেষে বাংলার পুব আকাশে পরিপূর্ণ এক সূর্য হিসেবে আবির্ভূত হয়, বাঙালী অর্জন করে মুক্তি। সেই মহান বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মবার্ষিকী ব্যাপক উৎসাহ, উদ্দীপনা ও বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।  
কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ সকাল  সাড়ে ৯টায় হাবিপ্রবি’র ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মু. আবুল কাসেম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুস্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। ক্রমান্বয়ে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, ছাত্রলীগ হাবিপ্রবি শাখার নেতৃবৃন্দ, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ও কর্মচারিগণ।
ভাইস-চ্যান্সেলর শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে জাতির জনকের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে সবাইকে নিয়ে জন্মদিনের কেক কাটেন। উক্ত অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের, শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী, কর্মকর্তা, ছাত্রলীগ হাবিপ্রবি শাখার নেতৃবৃন্দ, কর্মচারি এবং হাবিপ্রবি স্কুলের শিক্ষক ও শিশু কিশোররা উপস্থিত ছিলেন।
বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে অন্য কর্মসূচির মধ্যে ছাত্রলীগ হাবিপ্রবি শাখার কেক কাটা এবং বাদ যোহর বঙ্গবন্ধুর আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হবে।
সময়নিউজ২৪.কম/বি এম এম 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *