হিলি সেটেলমেন্ট অফিসে ঘুষ-দূর্নীতি ও দালালের দৌড়ত্ব

মোসলেম উদ্দিন, হিলি (দিনাজপুর)
দালালের দৌড়ত্ব  ও ঘুষ-দুর্নীতি চরমে দিনাজপুরের হাকিমপুর (হিলি) উপজলা সেটেলমেন্ট অফিস। টাকা ছাড়া কোন কাজ হয় না এই অফিসে। কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও দাবি করা হচ্ছে দলিল প্রতি নির্দ্রিষ্ট পরিমাণ টাকা। দাবিকৃত অর্থ না দিল বিভিন্ন অজুহাতে দিনের পর দিন ঘুরানো হচ্ছে ভূমি মালিকদের, এমন অভিযোগ ভূক্তভাগীদের।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, সেটেলমেন্ট অফিসের দালাল নাটু, ইদ্রিস নামের দালালদের মাধ্যম অবৈধ টাকা লেনদেন করে থাকেন কর্মকর্তারা। কখনও দলিল প্রতি আবার কখনও শতক প্রতি চুক্তিতে টাকা দিতে হয় তাদের। বর্তমান উপজেলা সদর আপ্তইর মৌজার রেকর্ডের কাজ চলছে। এই মৌজার ভূমি মালিকরা সেটেলমেন্ট অফিস গিয়ে প্রতিনিয়ত হয়রানীর শিকার হচ্ছেন। সেটেলমেন্ট অফিসের দালাল, ষ্টাফ থেকে শুরু করে চার দেওয়ালও নাকি টাকা দাবি করে।
সেটেলমেন্ট অফিসে আসা দক্ষিণ বাসুদবপুর গ্রামের আব্দুস সাত্তার জানান, তার নামে ১১ শতক বসতবাড়ীর জায়গা রয়েছে। সব কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও ছয় হাজার টাকা দাবি করা হয় তার কাছে। ভ্যান চালক আব্দুস সাত্তার টাকা দিত না পারায় তাকে দিনের পর দিন ঘুরানা হচ্ছে।
লুৎফর রহমান  নামের অপর একজন ভূমি মালিক জানান, তার পয়ত্রিক সুত্রে পাওয়া বসতবাড়ীর সব কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও ১০ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছে। এছাড়ও আরও উপজেলার অসংখ্য ভূমি মালিকরা সেটেলমেন্ট অফিস গিয়ে হয়রানীর শিকার হচ্ছেন।
হাকিমপুর (হিলি) উপজলা সেটেলমেন্ট অফিসার জুলফিকার আলীর কাছ ঘূষ-দূনীতি ও দালালদের ব্যাপার জানতে চাইল তিনি বিষয়গুলা এড়িয়ে যান। এক পর্যায় অভিযোগগুলা কবুল কর নিলও সংবাদটি না করার জন্য সাংবাদিকদের অনুরোধ করন।
সময় নিউজ২৪.কম/এমএম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *