হে কৃষ্ণ কমল আঁখি তোমায় চোখ ভরে দেখি

 
Create a professional-looking website today!

উজ্জ্বল রায়:

সোমবার (২১,অক্টোবর) চাষ করার সময় জমিতে হঠাৎ সে তিনটি পাথর খুজে পেল। পাথরগুলো জমির পাশে রেখে জমির চাষ শেষ করল। বাড়ি যাবার সময় পাথরগুলো সাথে নিয়ে গেল।

বাড়িতে গিয়ে পাথরগুলো টেবিলের ওপর রাখল। যখন সন্ধ্যা হলো। তখন চাষির স্ত্রী আলো জ্বালাতে গেল গিয়ে দেখল পাথরগুলো থেকে আলো বের হচ্ছে। ঘর পুরো আলোকিত হয়ে গেছে। তারপর ৩ঝ৪ দিন কেটে গেলো চাষির ঘরে আলো জ্বালাতে হয় না পাথরের আলোয় হয়ে যায়। তারপর একদিন পাশের ঘরের একজন মহিলা এলো চাষির ঘরে। এসে চাষির স্ত্রীকে বললো তোমার ঘর আলো ছাড়া আলোকিত কিভাবে। তখন চাষির স্ত্রী সবকিছু বললো ঐ মহিলাকে। মহিলার স্বামী ছিল ব্যবসায়ি। তাই মহিলা বললো এই পাথর আমার স্বামীকে দিয়ে দাও।

আমার স্বামী তোমাদেরকে ৫/৬ লক্ষ টাকা দেবে। তখন চাষির স্ত্রী বললো আমার স্বামী বাড়ি এলে বলবো। তারপর চাষি বাড়ি এলে চাষির স্ত্রী তাকে ৫/৬ লক্ষ টাকার কথা বললো। তখন চাষি বললো ব্যবসায়ি যখন সাধারন এই পাথরের বিনিময়ে ৫/৬ লক্ষ টাকা দিতে রাজি। তাহলে বাদশাহ তো আরো বেশি দিবে। চাষি পাথর নিয়ে বাদশার কাছে গেল।
বাদশাহ পাথর দেখে চাষিকে বললো এই পাথরের বিনিময়ে তুমি কি চাও। তখন চাষি বলল আপনি যা দিবেন তাই নিবো। তখন বাদশাহ মন্ত্রীকে বললেন সব থেকে যে গুদামে মোহর বেশি ঐ গুদামের চাবি দিয়ে দাও। তারপর বাদশাহ চাষিকে বললো সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত তোমাকে সময় দেওয়া হলো।

তুমি যত মোহর পারো নিয়ে নাও। যদি সবগুলো নিতে পারো নিয়ে নাও। তারপর চাষি চাবি দিয়ে দরজা খুললো। খোলার পর দেখতে পেল মোহর ভর্তি ঝুড়ি। তারপর চাষি বলতে থাকলো এটা আগে নিবো ঐ টা আগে নিবো। চাষি মোহর দেখতে দেখতে ২ টা বেজে গেল গুদামের শেষ মাথায় চলে গেল। শেষ মাথায় গিয়ে দেখতে পেল একটি স্বর্ণের খাট তখন চাষি মনে মনে বললো এখন পর্যন্ত কিছুই নিতে পারলাম না দেখতে দেখতে শেষ মাথায় চলে এসেছি। যাক এই স্বর্ণের খাট টা নিয়ে নিবো। তখন চাষি মনে মনে ভাবল একটু শুয়ে দেখি। চাষি শুয়ে দেখতে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়লো।

যখন চাষির ঘুম ভাঙ্গল চাষি দেখলো সন্ধ্যা হয়ে গেল। সময় শেষ কিন্তুু কিছুই নিতে পারলাম না। তখন চাষি বললো একটি মোহরের ঝুড়ি নিয়ে নেই। কিন্তুু পাহারাদার বললো তোমার সময় শেষ তুমি আর কিছুই নিতে পারবে না। তখন চাষি খালি হাতে ফিরে গেল। চাষি ভেবেছিল সময় আছে একটু দেখে নিই দেখতে গিয়ে সময় চলে গেছে। এটা থেকে আমরা শিক্ষা নিতে পারি যে, ঠাকুর আমাদেরকে ঠিক এইভাবে দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন কিছু সময় দিয়ে। আমরা এই সময়ের ভেতরে সময়ের কাজগুলো সময়ে করে নিবো।

তা না হলে চাষির মতো খালি হাতে ফিরতে হবে। আমরাও দেখতে দেখতে সময় নষ্ট করে ফেলছি। ঠাকুর যেন আমাদেরকে এগুলো বুঝার এবং সময়ের কাজ সময়ে আদায় করার সেই সময় দান করুক।….হে কৃষ্ণ কমলআঁখি একবার যেন তোমায় দুচোখ ভরে দেখি।

Create a professional-looking website today!

সময় নিউজ২৪.কম/এমএম

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *